জাতীয়

ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রামিসার পরিবারের খোঁজ নিলেন রিজভী

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৮, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে রাজধানীর পল্লবীতে নিহত শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

 

গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলেও জানান রিজভী।

 

তিনি বলেন,  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে রামিসার পরিবারের খোঁজ নিতে এসেছি। হত্যাকারী ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন। বড় মেয়ে রাইসার পড়ালেখার দায়িত্বও নিয়েছেন তিনি। আমরা সকলেই রাইসার আত্মীয় হিসেবে তার পরিবারের পাশে থাকবো।’

 

এসময় রামিসার পিতার কান্নায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, সদস্য মাহবুবুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ড. ইকবালুর রহমান রোকন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বেনজীরের পর কার পালা, ১১ জনকে ফেরাতে ইন্টারপোলে দুদক

বিদেশে অবস্থান করা সাবেক ক্ষমতাধর আমলা ও আলোচিত ব্যবসায়ীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবার আন্তর্জাতিক পথেই চাপ বাড়াচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ অন্তত ১১ জনের বিষয়ে ইন্টারপোলের সহায়তা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।   দুদক সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুর্নীতি, অর্থপাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে বিদেশে অবস্থান নেওয়া প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কৌশল বদলেছে সংস্থাটি। দেশে মামলা, অনুসন্ধান ও আদালতের আদেশের পাশাপাশি এখন জোর দেওয়া হচ্ছে— বিদেশে তাদের অবস্থান শনাক্ত, গ্রেফতার এবং দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায়। এই কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তা, বিশেষ করে ‘রেড নোটিশ’ প্রক্রিয়া।    ইতোমধ্যে এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে দৃশ্যমান উদাহরণ হয়ে উঠেছেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। দুদক-সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশকে চিঠি দিয়েছে। পরে তাকে দেশে ফেরাতে প্রয়োজনীয় নথিপত্রও পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনা গেলে বিদেশে পালিয়ে থাকা অন্য হাই-প্রোফাইল আসামিদের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া আরও জোরদার করার পথ খুলবে।    তবে দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, ‘রেড নোটিশ’ মানেই কাউকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া নয়। এটি মূলত একটি দীর্ঘ আইনি, কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ— যেখানে আদালতের আদেশ, মামলার নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য, বিদেশে সম্পদের প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট দেশের আইনি কাঠামো—সবকিছুর সমন্বয় লাগে। ফলে আলোচনায় ‘রেড নোটিশ’ শব্দটি যতটা দ্রুত শোনায়, বাস্তবে প্রক্রিয়াটি ততটাই জটিল ও সময়সাপেক্ষ।   দুদক সূত্রে জানা গেছে, ইন্টারপোলে আবেদন করা ১১ জনের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। দুদক-সংশ্লিষ্ট একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিষয়ে এনসিবির মাধ্যমে ইন্টারপোলে আবেদন পাঠানো হয়েছে।   দুদকের কর্মকর্তারা বলছেন, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলো রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। সে কারণে এখানে প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বাড়তি সতর্কতায়। আদালতের আদেশ, মামলার নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য, বিদেশে সম্পদের সম্ভাব্য প্রমাণ— সবকিছু যাচাই-বাছাই করেই আন্তর্জাতিক সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।   দুদকের সামনে চার বড় চ্যালেঞ্জ   দুদকের বর্তমান তৎপরতা উচ্চাভিলাষী হলেও সামনে রয়েছে অন্তত চারটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথমত, রেড নোটিশ জারি হলেও সংশ্লিষ্ট দেশ তার নিজস্ব আইনি কাঠামো অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বাংলাদেশে মামলার অবস্থা শক্তিশালী হলেও বিদেশে তাৎক্ষণিক ফল নাও আসতে পারে।   দ্বিতীয়ত, প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলে কূটনৈতিক যোগাযোগ, পারস্পরিক আইনি সহায়তা এবং দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়ই প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। তৃতীয়ত, রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিদেশি আদালত বা কর্তৃপক্ষ অভিযোগের প্রকৃতি, বিচার প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে পারে।   চতুর্থত, অভিযুক্তকে দেশে ফিরিয়ে আনা আর বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধার— এ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রক্রিয়া। একজনকে ফিরিয়ে আনা গেলেও তার পাচার করা অর্থ বা সম্পদ ফেরত আনতে আবার আলাদা আইনি লড়াই, সম্পদ শনাক্তকরণ, জব্দ ও মালিকানা প্রমাণের প্রক্রিয়া লাগে।   সংশ্লিষ্টদের মনে করেন, শুধু অভিযোগ তুললেই হবে না— মামলার নথি শক্তিশালী হতে হবে। ব্যাংক লেনদেন, সম্পদের উৎস, বিদেশি কোম্পানির মালিকানা, আদালতের পরোয়ানা, আর্থিক ট্রেইল— সবকিছুকে এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে তা টিকে যায়।   ৫ আগস্টের পর দুদকের বার্তা কী?   ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে দুর্নীতি দমনের ভাষা বদলেছে— এমন মূল্যায়ন করছেন দুদকের একাধিক কর্মকর্তা। আগে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও তাদের অনেকেই বিদেশে থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতেন। এখন দুদক সেই দূরত্ব কমাতে চাইছে— দেশের ভেতরে মামলা, আদালতের আদেশ ও সম্পদ জব্দের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়িয়ে।    দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত ১১ জনের বিষয়ে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তাদের বিষয়ে যা কিছু হবে, আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই হবে।”

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৪, ২০২৬
ফাইল ছবি

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর তৎপরতায় ভেস্তে গেছে আ.লীগের নাশকতার পরিকল্পনা

সংগৃহীত ছবি

প্রথম ধাপেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেলের পুরো বেতন অংশ, ঘোষণা বুধবারে

ছবি: সংগৃহীত

কৃষক কার্ড গ্রহণ করে আলোচনায় আসা কবির হোসেন আর নেই

সংগৃহীত ছবি
বিদায়বেলায় সাবেক ডিসি সারওয়ার আলমের আবেগঘন স্ট্যাটাস

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম। মঙ্গলবার (২৩ জুন) নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো,     ‘বিদায় সিলেট। ভালো থাকুন সিলেটবাসী। আপনাদের ভালোবাসায় আমি ধন‍্য।’   এদিকে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১টার দিকে তিনি সিলেটের সরকারি বাসভবন ত্যাগ করে বিমানবন্দরের দিকে রওনা দেন। পরে দুপুর ২টার দিকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে তার ঢাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে।   এর আগে, সোমবার (২২জুন) বিকেল ৫টার দিকে তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। দায়িত্ব ছাড়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।   জানা গেছে, নতুন জেলা প্রশাসক যোগদান না করা পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।   উল্লেখ্য, গত রোববার (২১ জুন) সরকার মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করে। আজই তার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদানের কথা রয়েছে।    

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

ডেঙ্গু মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন

সংগৃহীত ছবি

ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন সহজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান সফরে ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের একযোগে পদত্যাগ

জামায়াতপন্থি ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) তারা অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নিজ নিজ পদত্যাগপত্র জমা দেন।   পদত্যাগকারীদের একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।   এছাড়া ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।   পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী বলেন, সরকার কর্তৃক জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করার প্রতিবাদে তারা পদত্যাগ করেছেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে ভেজাল লুব অয়েল কারখানায় যৌথ অভিযান, ৩ লাখ টাকা জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ চীনা নাগরিকের

0 Comments