জাতীয়

তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

 তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

 

তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আজ সকালে নরসিংদীর প্রধান ঈদগাহ মনোহরদী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঈদের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আজকের এই খুশির দিনে একটি বেদনার খবর হলো, গত কালকের আদ-দ্বীন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের শিশু মৃত্যুর ঘটনা। একজন মায়ের অনুরোধে শিশু ওয়ার্ডটি’র এসি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সম্ভবত গ্যাস লিকেজের কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

 

ইতোমধ্যে হাম আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে এবং প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। 

 

এদিকে সকাল ৮টায়  নরসিংদী সদর উপজেলার গাবতলী ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করেন নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও নরসিংদী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুর এলাহীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। 

 

অন্যদিকে পলাশে ঈদের নামাজ আদায় করেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। 

 

এছাড়া জেলা কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার ঈদগাহগুলোতেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
অনিল মেননের প্রথম মহাকাশযাত্রা, সঙ্গী দুই রুশ নভোচারী

প্রথমবারের মতো মহাকাশযাত্রা শুরু করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নভোচারী অনিল মেনন। মঙ্গলবার কাজাখস্তানের ঐতিহাসিক বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে রাশিয়ার সয়ুজ এমএস-২৯ মহাকাশযানে চড়ে তিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে রওনা দেন।   স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টা ১৭ মিনিটে উৎক্ষেপণ হওয়া সয়ুজ এমএস-২৯ মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণের তিন ঘণ্টার কিছু বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।   এই অভিযানে অনিল মেননের সঙ্গে রয়েছেন রুশ মহাকাশচারী পিওতর দুব্রভ ও আনা কিকিনা। যদিও তাদের দুজনের জন্য এটি দ্বিতীয় মহাকাশ অভিযান। এই ৩ নভোচারী প্রায় ৮ মাস মহাকাশে অবস্থান করবেন।   এ সময় তারা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী পরিচালনা করবেন। তাদের ২০২৭ সালে পৃথিবীতে ফেরার কথা রয়েছে। যেসব গবেষণায় অংশ নেবেন অনিল   এই অভিযানে অনিল মেনন মহাকাশে মানুষের শরীর কিভাবে খাপ খাইয়ে নেয়, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অংশ নেবেন। গবেষণায় অণুমাধ্যাকর্ষণ পরিবেশে রক্তপ্রবাহ, শিরার গঠন এবং রক্তের উপাদানের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা হবে।   এছাড়া আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের পানযোগ্য পানি ব্যবহার করে শিরায় প্রয়োগযোগ্য (আইভি) তরল তৈরি করার প্রযুক্তি পরীক্ষায়ও তিনি অংশ নেবেন। ভবিষ্যতে চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে দীর্ঘমেয়াদি মানব অভিযান পরিচালনায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   নাসার তথ্য অনুযায়ী, অনিল মেনন উন্নত চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত পরীক্ষারও অংশ হবেন। এর মধ্যে রয়েছে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতির পরীক্ষা, যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অভিযানে নভোচারীদের চিকিৎসা সহায়তায় কাজে লাগানো হবে।   কে এই অনিল মেনন? ৪৯ বছর বয়সী অনিল মেননের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে।   তার বাবা ভারতীয় এবং মা ইউক্রেনীয়। তিনি নিউরোবায়োলজি, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন। তিনি একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের কর্নেল।   যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় আফগানিস্তানে ‘অপারেশন এন্ডিউরিং ফ্রিডমে’ দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া হিমালয়ান রেসকিউ অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মাউন্ট এভারেস্টে আরোহীদের চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন।   এক সময় তিনি রোটারি অ্যাম্বাসাডোরিয়াল স্কলার হিসেবে ভারতে এক বছর অবস্থান করে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে কাজ করেন।   ২০১৪ সালে নাসায় ফ্লাইট সার্জন হিসেবে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থানরত নভোচারীদের চিকিৎসা সহায়তার দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে তিনি স্পেসএক্সে যোগ দেন। সেখানে প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা কর্মসূচি গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রথম মানববাহী মহাকাশ মিশনের প্রস্তুতি এবং চাঁদ, মঙ্গল ও আরো দূরের মহাকাশ অভিযানের জন্য তৈরি স্টারশিপ মহাকাশযানের উন্নয়ন কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।   ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তিনি নাসার নভোচারী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরের মাসে দুই বছরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে যোগ দেন।   অনিল মেননের স্ত্রী আনা ভিলহেল্মও একজন নভোচারী। তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে স্পেসএক্স পরিচালিত একটি বেসরকারি মানববাহী মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়ে প্রায় ৫ দিন মহাকাশে অবস্থান করেছিলেন।

মারিয়া রহমান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

অলিম্পিয়াডজয়ীদের ইচ্ছা পূরণ, সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

সংসদ ভবনের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের দ্বিতীয় দফা অবরোধ, চরম ভোগান্তি

ছবি : সংগৃহীত
হাইকোর্টে রিট নিষ্পত্তি, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, হাইকোর্টে দায়ের করা একটি রিট পিটিশন নিষ্পত্তি হওয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হবে।    মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন সম্প্রতি নিষ্পত্তি হয়েছে। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হবে।     তিনি বলেন, আগের নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদের ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হতো। তবে নতুন নিয়োগ বিধিমালায় এ হার বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ করা হয়েছে।     ড. মিলন বলেন, নতুন নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলার কারণে পদোন্নতির কার্যক্রম স্থগিত ছিল। এখন মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় নতুন বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদের ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

মারিয়া রহমান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশব্যাপী ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে: গণপূর্ত মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম ছাড়া সব শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী

ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ জুলাই: দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে স্টার্টআপ খাতে ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, যোগ্য ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের প্রকল্পের ভিত্তিতে ৫ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।   মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৫০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই তহবিল থেকে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের প্রকল্প মূল্যায়ন করে অর্থায়ন করা হবে।   তিনি জানান, স্টার্টআপ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাব থাকবে না। একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ কমিটি উদ্যোক্তাদের প্রকল্প যাচাই-বাছাই করে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেবে। ওই কমিটিতে কোনো মন্ত্রী বা উপদেষ্টা থাকবেন না।   তারেক রহমান বলেন, অনেক মেধাবী উদ্যোক্তা ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে গিয়ে জামানত, কাগজপত্র ও নানা ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হন। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে যাতে তরুণ উদ্যোক্তাদের এমন বাধার সম্মুখীন হতে না হয়, সে লক্ষ্যেই বিকল্প অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।   তিনি আরও বলেন, “কোনো স্টার্টআপ প্রথমবার ব্যর্থ হলেও যদি তার প্রকল্পে সম্ভাবনা থাকে, তাহলে তাকে দ্বিতীয়বারও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আমরা চাই নতুন উদ্যোক্তারা ঝুঁকি নিতে সাহস পান এবং ব্যর্থতাকে শেষ বলে মনে না করেন।”   অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল করেন।   উল্লেখ্য, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের দ্বিতীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে সেই হরিদাস হয়ে যান তৌহিদ ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল

সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানে বড় পরিবর্তন সম্ভব: তথ্য উপদেষ্টা

0 Comments