জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে দরকার ছিল ১০ রান। সেঞ্চুরি থেকে শাই হোপও ছিলেন ১০ রান দূরে।
অক্ষর প্যাটেলের ওভারে পরপর দুই ছক্কায় দুই লক্ষ্যই পূরণ করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে দলকে ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় এনে দিলেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়ায় এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জয়।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়ার বিশ্ব রেকর্ডের ম্যাচেও ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়ানের সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে রেকর্ড গড়তে দেখে ক্যারিবীয়রা। ২৫৯ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে জিতে গিয়েছিল স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।
আজ রান তাড়ার শুরুতে মনে হয়নি এমন কিছুর সাক্ষী হবেন রাঁচির দর্শক।
ভারতের ফাস্ট বোলার মায়াঙ্ক যাদব প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরটাকে ৫/২ বানিয়ে দেন। এরপর রোভম্যান পাওয়েলকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ২৭ বলে ৫৩ রান যোগ করেন হোপ। পাওয়েল ১৩ বলে ২৪ রান করে বিদায় নেওয়ার পর শেরফান রাদারফোর্ডকে নিয়ে ৯ ওভারে ১২০ রানের জুটি হোপের। ৩৭ বলে ৭ ছক্কায় ৮৪ রান করে রাদারফোর্ড যখন ফেরেন ৩৫ বলে ৭২ রান দরকার ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
সে সময়ে ৬৩ রানে ব্যাট করা হোপ ৯ বল হাতে রেখেই জয় এনে দিলেন রোমারিও শেফার্ডকে নিয়ে।
দুজনের জুটিতে ৭৪ রান এসেছে মাত্র ২৬ বলেই। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়া হোপের ৪৫ বলের ইনিংসে চার ৬টি, ছক্কা ৯টি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হোপের আগের সেঞ্চুরিটিও ছিল ১০২ রানের। গত বছর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। এদিন জয়ের পথে তাঁর সঙ্গে ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন রোমারিও শেফার্ড। মাত্র ১৩ বলে ৩৪ রান করেন তিনি।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৪৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছিল ভারত। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন ওপেনার সঞ্জু স্যামসন। ৪১ বলের ইনিংসটি সাজাতে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি। এ ছাড়া তিলক বর্মা ১৮ বলে অপরাজিত ৪৪, ঈশান কিষান ২২ বলে ৪৩ এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১৮ বলে ৪০ রান করেন।
সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে রবিবার, ইন্দোরে।