শিক্ষা

এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ আজ

মারিয়া রহমান আগস্ট ১০, ২০২৬
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আজ সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ করা হবে। সকাল ১০টার পর থেকে মোবাইল ফোনে এসএমএস, শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এই ফলাফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।


এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।


যেকোনো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফলাফল জানতে এসএসসি স্পেস বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস রোল নম্বর স্পেস পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।


ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে। সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ সংগ্রহ করতে হবে। এ জন্য ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএনের মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে এসএমএসের পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।


তারা শিক্ষা বোর্ডগুলোর অভিন্ন ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে রোল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।


২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে তিন লাখ চার হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।


রেওয়াজ অনুযায়ী, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়।


এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। সেই হিসাবে এ বছর ফলাফল প্রকাশে কিছুদিন বেশি সময় লাগল। যদিও আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত ২০ জুলাই ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানানো হয়েছিল; কিন্তু অনিবার্য কারণে সেই সময় ফলাফল প্রকাশ না করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

শিক্ষা

আরও দেখুন
রাজশাহী রেলস্টেশনে শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর

 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধের পর রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে কয়েক দফায় ভাঙচুর করেছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় স্টেশন ভবন, রেলওয়ে থানা, পার্সেল অফিস, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থাপনা ও প্ল্যাটফর্মে ভাঙচুর করা হয়।   রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে। পরে রাত ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা রেললাইনে অবস্থান নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে ঢাকাগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস রাজশাহী স্টেশনে আটকা পড়ে।   মারধরের শিকার শিক্ষার্থীর নাম আইয়ুব আলী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীরা জানান, চাচাকে নিতে স্টেশনে গিয়েছিলেন আইয়ুব। এ সময় ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আইয়ুব ওই শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলতে গেলে আনসার সদস্যরা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ।   রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, স্টেশনে আইয়ুবকে আটক করে মারধর করা হয়েছে। এর আগেও এক শিক্ষার্থীকে স্টেশনের একটি কক্ষে আটকে মারধর ও জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। রেলস্টেশনকেন্দ্রিক বিভিন্ন ঘটনায় শিক্ষার্থীদের হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।   পশ্চিম রেলের মহাপরিচালক আহম্মদ হোসেন মাসুম বলেন, ‘এ ধরনের সহিংসতা কাম্য নয়। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পাঠানো হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’   রাবির প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ভিডিওতে তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের দৃশ্য দেখা গেছে। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় গুরুতর আঘাত ও ব্রেন হেমারেজ হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।   তিনি বলেন, ‘কোনও শিক্ষার্থী আইন ভাঙলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু বহিরাগতদের দিয়ে মারধর করা গ্রহণযোগ্য নয়।’   শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর ও রেলপথ অবরোধের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি দেখছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিসহ শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পূরণে কাজ করছে। একইসঙ্গে দেশের সম্পদ ও সাধারণ মানুষের ক্ষতি না করে শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আজ থেকে শুরু একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম, যেভাবে আবেদন করবেন

অক্সফোর্ড-কেমব্রিজকে পেছনে ফেলল ইম্পেরিয়াল কলেজ

সংগৃহীত ছবি

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশিত

ছবি: সংগৃহীত
চুয়েটের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারিত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে আগামী বছরের ২৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।     শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়েটের স্নাতক ভর্তি কমিটির সভাপতি ও তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন।     তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ২৩ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগিরই  একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা, শর্তাবলি, সময়সূচি ও মানবণ্টনসহ যাবতীয় তথ্য ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হবে।’       বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এবার চুয়েটে চারটি অনুষদের অধীনে ১২টি বিভাগে মোট আসন রয়েছে ৯৩১টি। এর মধ্যে ১১টি আসন বিভিন্ন কোটায় সংরক্ষিত।     পুরকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল, যন্ত্রকৌশল এবং স্থাপত্য অনুষদের এসব বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।     ভর্তি পরীক্ষা দুটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলোর সঙ্গে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ নিয়ে ‘ক’ গ্রুপ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা ও স্থাপত্য বিভাগ নিয়ে ‘খ’ গ্রুপ গঠিত হবে।     প্রসঙ্গত, গত বছরের ভর্তি পরীক্ষায় উভয় গ্রুপের পরীক্ষার্থীদের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ে বহুনির্বাচনী পরীক্ষা দিতে হয়েছিল।     ‘ক’ গ্রুপে এসব বিষয়ের পরীক্ষার মোট নম্বর ছিল ৫০০। ‘খ’ গ্রুপের পরীক্ষার্থীদেরও একই বিষয়ে ৫০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছিল। এর পাশাপাশি স্থাপত্য বিভাগের প্রার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০০ নম্বরের মুক্তহস্ত অঙ্কন পরীক্ষা ছিল। ফলে ‘খ’ গ্রুপের স্থাপত্যে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের মোট পরীক্ষার নম্বর ছিল ৭০০।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদানের প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত

একাদশে প্রথম ধাপের ফল, জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষায় বছরজুড়ে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ বিষয় অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা

ছবি: সংগৃহীত
মানসম্মত পাঠ্যবই ও গবেষণা প্রকাশে তিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা

শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত মৌলিক পাঠ্যবই তৈরি এবং গবেষণা, একাডেমিক ও অনুবাদধর্মী প্রকাশনা কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।   প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো—বাংলা একাডেমি, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এবং দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল)।   বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে পৃথক অনুষ্ঠানে এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।   দুপুরে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ আজম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।   এর আগে রাজধানীর ফার্মগেটে ইউপিএলের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং ইউপিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহরুখ মহিউদ্দীন স্বাক্ষর করেন।   এ ছাড়া সার্কিট হাউস রোডে পিআইবির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পৃথক অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এবং পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।   সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় চার হাজার কোর্স চালু থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে মানসম্মত মৌলিক পাঠ্যবইয়ের ঘাটতি রয়েছে। ভালো মানের মৌলিক পাঠ্যবইয়ের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।   তিনি বলেন, প্রতিটি কোর্সের জন্য একটি করে মানসম্মত পাঠ্যবই তৈরি করতে হলে প্রায় চার হাজার বই প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সুনির্দিষ্ট শিক্ষণপদ্ধতি বা প্যাডাগোজিও আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে।   ভাইস-চ্যান্সেলরের ভাষ্য, বাজারে নিম্নমানের গাইড বইয়ের আধিক্যের কারণে শিক্ষার্থীরা অনেক সময় মূল পাঠ্যবই থেকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব উদ্যোগে মানসম্মত মৌলিক পাঠ্যবই তৈরির কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।   তিনি আরও বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান কেবল শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের ওপর নির্ভর করে না। মানসম্মত পাঠ্যবই, গবেষণা এবং জ্ঞানভিত্তিক প্রকাশনাও শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. ফারুক আহম্মেদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা পৃথক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল আজ রাত ৮টার পর

ছবি: সংগৃহীত

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

মোবাইল দেখছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

একাদশে ভর্তি আবেদনের ফল আজ, যেভাবে দেখবেন

0 Comments