খেলাধুলা

দুই-একটা বিশ্বকাপ না খেললে কিছু যায় আসে না, আসিফের এমন মন্তব্যে যা বললেন সুজন

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ১৩, ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন পরিচালক আসিফ আকবর বলেছেন, ‘দুই-একটা বিশ্বকাপ না খেললে কিছু যায় আসে না।

 

মোস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি-এর কাছে চিঠির মাধ্যমে বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দলের ভেন্যু পরিবর্তন করে শ্রীলঙ্কায় রাখা হোক, যেখানে পাকিস্তান ক্রিকেট দল খেলবে।

‘দুই-একটা বিশ্বকাপ না খেললে কিছু যায় আসে না’—দেশের জনপ্রিয় গায়ক ও বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর-এর এমন মন্তব্যের সঙ্গে একমত নন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।

আসিফের মন্তব্য প্রসঙ্গে সুজন বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও দেশে গান গাওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে যে, তামিম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন। একজন জনপ্রিয় দেশীয় গায়ক আর আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একজন ক্রিকেটারের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে আইপিএলের মিনি নিলামে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশ দলের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স।

তবে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর আপত্তির মুখে নিরাপত্তার শঙ্কার কথা জানিয়ে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই।

মোস্তাফিজ ইস্যুতে দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। প্রশ্ন ওঠে, আইপিএলে একজন খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা দিতে না পারলে, ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পুরো বাংলাদেশ দল, টিম ম্যানেজমেন্ট, সাংবাদিক ও দর্শকদের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে।

 

এ অবস্থায় শক্ত অবস্থান জানিয়ে বিসিবি দুই দফা আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, ভারতে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটার ও সমর্থকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি। তাই এমন পরিস্থিতিতে ভারতের মাটিতে গিয়ে খেলা সম্ভব নয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আর্জেন্টিনা বধের নায়কদের নিয়েই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল সৌদি আরব

কাতার বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল সৌদি আরব। আগামী জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো) বিশ্বকাপের জন্য সেই ঐতিহাসিক 'আর্জেন্টিনা বধের' নায়কদের নিয়েই ৩০ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।   লুসাইল স্টেডিয়ামের সেই স্মরণীয় ম্যাচে লিওনেল মেসির পেনাল্টি গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সৌদি আরব। দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানের অবিশ্বাস্য জয় এনে দিয়েছিলেন সালেহ আল শেহরি ও সালেম আল দাওসারি। আসন্ন বিশ্বকাপের স্কোয়াডেও এই দুই তারকা নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন। এছাড়া আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত সব সেভ করে ম্যাচসেরা হওয়া তারকা গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল ওয়াইসও যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানে।   আর্জেন্টিনাকে হারানোর ম্যাচের মূল একাদশে থাকা সৌদ আব্দুলহামিদ, হাসান আল তোম্বাক্তি ও মোহাম্মদ কান্নোকেও নতুন কোচ জর্জিওস দনিস তার বিশ্বকাপ দলে রেখেছেন।   টানা দুই বিশ্বকাপে একটি করে ম্যাচ জেতা সৌদি আরব এবারের আসরেও বড় দলগুলোকে চমকে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। আগামী ১৫ জুন মায়ামি স্টেডিয়ামে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে তারা। 'গ্রুপ অব ডেথ'-এ থাকা সৌদির দ্বিতীয় ম্যাচ ২১ জুন, আরেক পরাশক্তি স্পেনের বিপক্ষে। এরপর ২৬ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে নবাগত দেশ কেপ ভার্দের। শেষ দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে আটলান্টা ও হাউস্টন স্টেডিয়ামে।   সৌদি আরবের প্রাথমিক বিশ্বকাপ স্কোয়াড: গোলরক্ষক: আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি এবং আব্দুলকুদ্দুস আত্তিয়া। ডিফেন্ডার: সৌদ আব্দুলহামিদ, মোহাম্মদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আব্দুলইলাহ আল আমরি, নাওয়াফ বুশাল, জাকারিয়া হাওসাউই, হাসান কাদেশ, আলী লাজামী, আলী মাজরাশি, হাসান তামবাক্তি এবং জেহাদ থিকরি। মিডফিল্ডার: নাসের আল দাওসারী, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসাব আল জুওয়ায়র, আব্দুল্লাহ আল খাইবারি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মদ কান্নো, সুলতান মান্দাশ এবং আয়মান ইয়াহয়াহ। ফরোয়ার্ড: ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারী, আব্দুল্লাহ আল হামদান, আব্দুল্লাহ আল সালেম এবং সালেহ আল শেহরি।

আক্তারুজ্জামান মে ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুযুক্তরাষ্ট্রের আইসোলেশনের হুঁশিয়ারি কানে নিচ্ছে না কঙ্গো, বিশ্বকাপ প্রস্তুতি চালিয়েই যাচ্ছে

ছবি: সংগৃহীত

খেলাবান্ধব পরিবেশই আনবে সমাজের গুণগত পরিবর্তন : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি পেসারদের প্রশংসায় যা বললেন অ্যালান ডোনাল্ড

ছবি: সংগৃহীত
প্রিমিয়ার লিগেও মৌসুম সেরা রোনালদোর পর্তুগাল সতীর্থ

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল সতীর্থরা একের পর এক বড় অর্জনে আলোচনায় আসছেন। সৌদি প্রো লিগে জোয়াও ফেলিক্স মৌসুম সেরা হওয়ার পর এবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও একই দেশের আরেক তারকা মৌসুম সেরার পুরস্কার জিতেছেন।   ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মৌসুম সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ।   চলতি মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য তিনি এই স্বীকৃতি পান। এর আগেও তিনি ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।   নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে একটি ম্যাচে ২০তম গোল বানিয়ে দিয়ে তিনি লিগে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডের সমান অর্জন করেন। পুরো মৌসুমে ম্যানইউকে তৃতীয় স্থানে তুলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।   ৩৭ ম্যাচে ৮ গোল করার পাশাপাশি ফার্নান্দেজ এই মৌসুমে লিগে সর্বোচ্চ ১৩২টি সুযোগ তৈরি করেন, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের চেয়ে অনেক বেশি।   ২০১১ সালের পর প্রথম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড খেলোয়াড় হিসেবে তিনি এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন।   ভোটে নির্বাচিত এই তালিকায় ছিলেন আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার সিটির একাধিক তারকা খেলোয়াড়, তবে শেষ পর্যন্ত সবাইকে পেছনে ফেলে শীর্ষে জায়গা করে নেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ।   রোববার মৌসুমের শেষ ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মুখোমুখি হবে ব্রাইটনের।

আক্তারুজ্জামান মে ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

খেলাধুলার প্রসারেই বদলাবে সমাজের চিত্র : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাকিব আল হাসান।এক্স

সরাসরি চুক্তিতে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে সাকিব আল হাসান

ছবি : রয়টার্স

১২০ বছরের অপেক্ষা শেষে ফ্রেঞ্চ কাপ জিতল লেন্স

আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ছবি: সংগৃহীত
মার্টিনেজকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকী আর মাত্র ১৯ দিন। তার আগে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে নিয়ে দুঃসংবাদ পেয়েছে আর্জেন্টিনা। আঙুলে চোট পাওয়ায় বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা।  গত বুধবার ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইউরোপা লিগ ফাইনাল জেতে অ্যাস্টন ভিলা। আঙুলে চোট নিয়েই এ ম্যাচে ভিলার পোস্টে দাঁড়ান মার্টিনেজ। ফাইনালের আগে অনুশীলনে ডান হাতের অনামিকায় চোট পান এই আর্জেন্টাই গোলরক্ষক।  আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘ওলে’ জানিয়েছে, মার্টিনেজের সুস্থ হয়ে উঠতে কমপক্ষে ২০ দিন লাগবে। বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ১১ জুন। আর আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৬ জুন, কানশাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে।  টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, আলজেরিয়া ম্যাচের আগে মার্টিনেজের সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাই বেশি। তবে সমস্যা হলো, বিষয়টির নিশ্চয়তা নেই। অর্থাৎ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন, আবার না-ও পারেন। সেরে না উঠলে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে হয়তো দেখা যাবে না মার্টিনেজকে। বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। ৬ জুন টেক্সাসে প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাসের মুখোমুখি হবে স্কালোনির দল। আলাবামায় ৯ জুন দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ আইসল্যান্ড। এই দুই ম্যাচে দেখা যাবে না মার্টিনেজকে। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘ক্লারিন’ জানিয়েছে, মার্টিনেজকে নিয়ে ঝুঁকি নেবেন না স্কালোনি। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে রিভার প্লেটের গোলরক্ষক সান্তিয়াগো বেলত্রানকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এই সংবাদমাধ্যম।

মারিয়া রহমান মে ২৩, ২০২৬
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

ফোর্বসের শীর্ষ আয়ে আবারও রোনালদো, পিছিয়ে মেসি

ফাইল ছবি

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক হচ্ছেন যারা

ছবি : সংগৃহীত

রোনালদোদের কোচ হতে পারেন গার্দিওলা!

0 Comments