খেলাধুলা

দীর্ঘদিনের বেতন বকেয়া, কিংস ছাড়ার ঘোষণা কিউবা মিচেলের

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৩, ২০২৬

গেল মৌসুমেও সান্ডারল্যান্ডের যুব দলে খেলেছেন কিউবা মিচেল। সেখান থেকে তার সরাসরি কিংসে চলে আসাটা বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছিল। তবে এই যাত্রাটা খুব বেশি বড় হলো না। এক মৌসুম কাটানোর আগেই কিংসের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের এই ফুটবলার

 

আজ ফেসবুকে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে তিনি জানান, দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন পরিশোধ না হওয়াই এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ। তিনি বলেন, ‘আজ আমি বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়টি সামনে রেখে কিংসের সঙ্গে আমার চুক্তি শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটিই ছিল আমার সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ।

 একই সঙ্গে তিনি জানান, নানা সমস্যা অমীমাংসিত থাকায় এমন পরিবেশে খেলা মানসিক ও শারীরিকভাবে কঠিন হয়ে উঠেছিল।

বিদায় বার্তায় কিউবা মিচেল বাংলাদেশি ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি ফুটবল আরও ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য। খেলোয়াড়দের জন্য ভালো কাঠামো ও ন্যায্যতা দরকার।’ 

মিচেল বলেন, যে সময়টা কিংসে কাটিয়েছেন, সেটা অল্প হলেও তা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশে এসে এখানকার জীবনধারা, সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলেন। 

তার ভাষায়, ‘আমি কিছু দারুণ সতীর্থ ও সমর্থকের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। তারা আমাকে আপন করে নিয়েছে। তারা আমাকে আবার মনে করিয়ে দিয়েছে, কেন আমি এই খেলাটাকে ভালোবাসি।’ 

তিনি দাবি করেন, পুরো সময়জুড়ে তিনি পেশাদার আচরণ বজায় রেখেছেন এবং ক্লাবের জার্সির প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন।

একই সঙ্গে তিনি অন্য খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তার মতে, বেতন না পাওয়া বা প্রতিশ্রুতি ভাঙার কারণে কোনো খেলোয়াড়ের নীরবে কষ্ট পাওয়া উচিত নয়। শেষ পর্যন্ত তিনি জানান, কোনো তিক্ততা ছাড়াই তিনি নতুন পথে এগিয়ে যেতে চান।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
নাঈমের অবস্থা পর্যবেক্ষণে চট্টগ্রামে ছুটছেন বিসিবির ফিজিওরা

ক্রিকেটারদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় বিসিবি বদ্ধপরিকর। একইসাথে নাঈম হাসানের সঙ্গে ঘটা এই ঘটনার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। এ নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালসহ আরো কয়েকজন বোর্ড পরিচালক।   এবার নাঈমের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন বিসিবির মেডিকেল টিমের দুই সদস্য, যার মধ্যে একজন ডাক্তার এবং একজন ফিজিও রয়েছেন। সেখানে পৌঁছে  তারা নাঈমের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেবেন এবং পর্যবেক্ষণ করবেন। যেহেতু সামনে টেস্ট সিরিজ রয়েছে। এর আগে আজ শনিবার সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিসিবি জানায়, 'নাঈম হাসানকে হয়রানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বিসিবির। একইসাথে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি বোর্ডের। শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের হাতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানের হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।' বিসিবি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, 'একজন জাতীয় ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন অগ্রহণযোগ্য ও অনুপযুক্ত আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। বোর্ড বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মনে করে, এ ধরনের ঘটনার দ্রুত ও যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বোর্ড আশা করছে, ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' ঘটনাটি জানার পর থেকেই বোর্ড নাঈম ও তার পরিবারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ও তাদের খোঁজখবর নিচ্ছে। একইসাথে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে। বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানে চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের সঙ্গেও বোর্ড নিবিড়ভাবে কাজ করছে বোর্ড।' বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তাদের সব ক্রিকেটারের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় তারা বদ্ধপরিকর এবং এই ঘটনার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।'

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘ডিবি পরিচয়ে’ মারধরের শিকার জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান

ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটার নাঈমকে পিটিয়ে থানায় নেওয়ার ঘটনায় এসআইসহ ৩ জন প্রত্যাহার

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা দিলেন নেইমার, ফিরছেন দ্রুত মাঠে—আনচেলত্তির ইঙ্গিত

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষুধা আছে ব্রাজিলের, বললেন হাকিমি

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করছেন মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও তাদের কখনোই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন তিনি।   কাতার বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়া মরক্কো এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০২৩ সালে দুই দলের সর্বশেষ মুখোমুখিতে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল মরক্কো। তবে সেই ফলাফলকে সামনে রেখে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নন হাকিমি।   ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা সবাই ব্রাজিলকে সম্মান করি। কেউ কেউ বলে এটি আগের সেই ব্রাজিল নয়। কিন্তু ব্রাজিল তো ব্রাজিলই। ফুটবল তাদের আবেগ, তাদের রয়েছে অসাধারণ প্রতিভা। তারা এই বিশ্বকাপ জয়ের জন্যই মাঠে নেমেছে।”   ব্রাজিলের বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রতিও নিজের শ্রদ্ধার কথা জানান মরক্কান অধিনায়ক। মজার ছলে তিনি বলেন, “আমি তাকে অনেক সম্মান করি। তার লেখা সব বই পড়েছি। হয়তো এতে আমাদের কিছুটা সুবিধা হবে, কারণ আমি তার সব গোপন রহস্য জানি।”   এদিকে ব্রাজিল অধিনায়ক মার্কিনিয়োসের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক আপাতত মাঠের বাইরে রাখতে চান হাকিমি। প্যারিস সাঁ জার্মেইয়ের হয়ে দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলে সাফল্য পেয়েছেন দুজন। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে বন্ধুত্বের চেয়ে জয়ই বড় বলে মনে করেন তিনি।   হাকিমি বলেন, “পিএসজিতে আমরা একসঙ্গে খেলি, হাসি-ঠাট্টা করি। কিন্তু বিশ্বকাপের মাঠে আমরা প্রতিপক্ষ। অবশ্যই কথা হবে, তবে আমরা দুজনই জিততে চাই। শেষ পর্যন্ত সেরা দলই জিতুক।”   যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ। ম্যাচের সময় তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। তবে আবহাওয়াকে কোনো সমস্যা হিসেবে দেখছেন না মরক্কোর অধিনায়ক।   এ প্রসঙ্গে হাকিমি বলেন, “আমরা গরম আবহাওয়ায় অভ্যস্ত। আমরা আফ্রিকান। তাই আবহাওয়া নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই।”

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলা স্বপ্নের মতো : স্কটল্যান্ড অধিনায়ক

ছবি : সংগৃহীত

এমবাপ্পেকে নিয়ে সমালোচনা ‘সীমা ছাড়িয়ে গেছে’: দেম্বেলে

ছবি: সংগৃহীত

তামিমকে পেছনে ফেলে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এনামুল

ছবি : সংগৃহীত
প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

দুর্দান্ত এক জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। শনিবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়।    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় মিনিটেই পিএসজির অনুকরণে কিক-অফ থেকে লম্বা বল খেলে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার চেষ্টা করে তারা।   তৃতীয় মিনিটে ওয়েস্টন ম্যাককেনির পাস থেকে ফোলারিন বালোগুন সুযোগ পেলেও তার শট সহজেই সামলে নেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক গিল। সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ম্যাককেনির দারুণ আক্রমণাত্মক মুভে বল যায় ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের কাছে। মিলানের এই তারকা দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ম্যাককেনিকে বল ফেরত দেন। ম্যাককেনির বাড়ানো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটান প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার ডামিয়ান বোবাদিয়া। নিজের জালেই বল পাঠিয়ে দেন তিনি। সেই আত্মঘাতি গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।   গোল হজমের পর প্যারাগুয়ে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। হুলিও এনসিসো ১৪ মিনিটে দূরপাল্লার শটে গোলের চেষ্টা করেন, তবে বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের ধার বজায় রাখে। ১৬ মিনিটে বালোগুন ও সের্হিনিও ডেস্টের সমন্বিত আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোলের সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে গুসতাভো গোমেজ বিপদ সামাল দেন।   ২৮ মিনিটে বালোগুন বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়। তবে মাত্র তিন মিনিট পর আর ভুল করেননি তিনি। ৩১তম মিনিটে পুলিসিকের নিখুঁত পাস থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে গোলরক্ষক গিলকে পরাস্ত করেন বালোগুন। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০। এর আগে ২৮ মিনিটেও গোল করেছিলেন ফোলারিন। তবে অফ সাইডের কারণে সেটি বাতিল করে দেওয়া হয়।   দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও প্যারাগুয়ে ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। উল্টো ৪৩তম মিনিটে মালিক টিলম্যানের কাছ থেকে বল পেয়ে কাছাকাছি দূরত্ব থেকে শট নেন তিনি, তবে অসাধারণ সেভে দলকে বাঁচান গিল।   প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আসে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় গোল। ৪৫+৫ মিনিটে মালিক টিলম্যানের নিখুঁত পাস ধরে ডিফেন্স ভেঙে গোল করেন ফোলারিন বালোগুন। ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্বাগতিকদের ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। তিন গোল হজমের পর একটি শোধ দিয়েছে প্যারাগুয়ে। ৭৩ মিনিটে গোলটি করেছেন হুলিও এনসিসো। স্বাগতিকদের চতুর্থ গোলটি আসে ৯০ মিনিটে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপসহ টিভিতে আজ যা দেখবেন

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মাঝেই চুরি, উধাও ইংল্যান্ড দলের অনুশীলন সরঞ্জাম

সংগৃহীত

প্রথমার্ধেই ৩ গোল, বড় জয়ের পথে যুক্তরাষ্ট্র

0 Comments