খেলাধুলা

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন তারকা পেসার

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২৪, ২০২৬


আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন নিউজিল্যান্ড পেসার এডাম মিলনে। দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট এসএ-২০ ম্যাচ চলাকালীন হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন মিলনে। গত সপ্তাহে এমআই কেপ টাউনের বিপক্ষে ম্যাচে নিজের প্রথম ওভারের তৃতীয় ডেলিভারির সময় ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপের হয়ে খেলতে নামা মিলনে। এসএ-২০ টুর্নামেন্টে বল হাতে ছন্দে ছিলেন তিনি। ১১ উইকেট নিয়েছেন মিলনে।

ইনজুরির কারণে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলতে পারেননি ৩৩ বছর বয়সি মিলনে। নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে ৫৬ ম্যাচে ৬৫ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।

মিলনে ছিটকে পড়ায় হতাশ নিউজিল্যান্ড কোচ রব ওয়াল্টার। তিনি বলেন, ‘মিলনের জন্য আমরা সবাই দুঃখিত। বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে তৈরি করতে পরিশ্রম করেছিল সে। এসএ২০ টুর্নামেন্টে তার বোলিং দেখে মনে হয়েছে, সে তার সেরা ফর্ম ফিরে পেয়েছে। বিশ্বকাপের আগে ইনজুরিতে পড়া তার জন্য দুর্ভাগ্যজনক। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি আমরা।’

মিলনের বদলি হিসেবে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছেন আরেক পেসার কাইল জেমিসন। পূর্বে ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে সফরসঙ্গী ছিলেন জেমিসন। দেশের হয়ে ২৪ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

জেমিসনের বিষয়ে ওয়াল্টার বলেন, ‘এটা দারুণ ব্যাপার, জেমিসন আমাদের সাথে ভারতেই আছে। সে কঠোর পরিশ্রমী এবং অভিজ্ঞতা আছে।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
মেসি-এমবাপের গোল্ডেন বুট লড়াই, গোল সমান হলে কে হবেন বিজয়ী?

শেষ হওয়ার পথে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে একধাপ এগিয়ে গেল স্পেন। স্পেনের কাছে হেরে শেষ হয়ে গেল ফ্রান্সের বিশ্বকাপ যাত্রা। তবে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসিকে টেক্কা দেওয়ার সুযোগ থাকছে কিলিয়ান এমবাপের। কারণ ফ্রান্স তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে।   বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে শীর্ষে আছেন এমবাপে ও মেসি। দুজনের গোলই ৮টি করে। মেসি এই সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন সেমিফাইনালে। আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের। আর এমবাপে এই সেমিফাইনালের পরাজিত দলের মুখোমুখি হবেন ১৮ জুলাই। সেই ম্যাচে ৮-কে পরিবর্তন করার সুযোগ থাকছে ফ্রান্স অধিনায়কের।   তবে এই লড়াইয়ে মেসি এগিয়ে থাকছেন। কারণ আর্জেন্টিনা অন্তত আরও দুটি ম্যাচ খেলবে—সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল কিংবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী। কথা হচ্ছে দুজনেই যদি আর কোনো না গোল করেন, অথবা আরও গোল করলেও সমতায় থাকেন, তখন কীভাবে গোল্ডেন বুট নির্ধারণ করা হবে?   সেক্ষেত্রে এই পুরস্কার ভাগাভাগি করা হবে না কিংবা দুজনকেই দেওয়া হবে না। বেশ কিছু মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে একজনকে বিজয়ী করা হবে। গোল সমান থাকলে এই পুরস্কার উঠবে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট যে করেছেন, তার হাতে। এখন পর্যন্ত মেসির দুটির বিপরীতে তিনটি অ্যাসিস্টে এমবাপে এগিয়ে।    পরের মানদণ্ড খেলার সময়। যিনি সবচেয়ে কম সময় খেলেছেন, তিনিই জিতবেন এই পুরস্কার। তারপরও যদি সমতা থাকে, সেক্ষেত্রে ওপেন প্লে থেকে সর্বোচ্চ গোল বিবেচনা করা হবে। মানে পেনাল্টি বহির্ভূত গোল। এই ক্যাটাগরিতে মেসি ভালো অবস্থানে। তিনি দুটি পেনাল্টি নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ (অস্ট্রিয়া ও মিশর) কিপার দুটোই সেভ করেছেন। এমবাপে দুটি পেনাল্টি নিয়ে একটি গোল করেছেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে।   আর্জেন্টাইন ও ফরাসি তারকার পাশাপাশি গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। দুজনেই ছয়টি করে গোল করেছেন। তাদের পরে আছেন উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স) ও মিকেল ওয়ারসাবাল (স্পেন)। দুজনেই পাঁচটি করে গোল করেছেন, তাদের হাতেও রয়েছে একটি করে ম্যাচ। আর্লিং হালান্ড সাত গোল করে দুই নম্বরে থাকলেও তার দল নরওয়ে বাদ পড়ার কারণে গোল্ডেন বুট জয়ের কোনো সুযোগ নেই।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশকে বিশেষ উপহার দিতে চান আর্জেন্টিনা কোচ

ছবি : সংগৃহীত

ফাইনালে উঠে আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল স্পেন

ছবি : সংগৃহীত

ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাকি ইংল্যান্ড? স্পেন কোচের পছন্দ জানালেন নিজেই

দিদিয়ের দেশম। ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্সের সঙ্গে শেষ হলো দেশমের পথচলা, কে হতে যাচ্ছেন পরবর্তী কোচ?

ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন দিদিয়ের দেশম। চলতি সপ্তাহেই ফ্রান্সের কোচ হিসেবে তার শেষ ম্যাচ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইতালীয় ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো।   দেশমের অধীনে ফ্রান্স ফুটবলের অন্যতম সফল সময় পার করেছে। তার কোচিংয়ে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে ফরাসিরা। এছাড়া ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স এবং একটি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালেও খেলেছে দলটি।   বুধবার (১৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রোমানো জানান, এবার ফ্রান্সের ডাগআউটে আসতে পারেন দেশটির কিংবদন্তি ফুটবলার জিনেদিন জিদান। দেশমের উত্তরসূরি হিসেবে জিদানের নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। ফুটবল মহলে ধারণা করা হচ্ছে, ফ্রান্স জাতীয় দলের নতুন কোচ হিসেবে দ্রুতই দায়িত্ব নিতে পারেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এ কোচ।   খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা জিদান কোচ হিসেবেও সফল। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তিনি তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছেন।   দেশমের বিদায়ের পর ফ্রান্স ফুটবলে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়, যেখানে জিদানের নেতৃত্বে নতুন স্বপ্ন দেখবে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলটি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়, বিশ্বকাপ ফাইনালের রাজা জার্মানি

ছবি : সংগৃহীত

ফ্রান্সকে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফাইনালে স্পেন

সংগৃহীত ছবি

ফুটবলে ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’ কী, কেন হয়?

ছবি: সংগৃহীত
বড় ম্যাচের আগে মেসির আবেগঘন বিদায়ী বার্তা

নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর ১৫ দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে ঘাঁটি গেড়েছিল আর্জেন্টিনা। লিওনেল স্কালোনির দলের পরবর্তী ছন্দময় অভিযাত্রার বেশিরভাগ জুড়েই সঙ্গী ছিল এই ক্যাম্প। অবশেষে কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টারের সঙ্গে যাত্রা শেষ হচ্ছে লিওনেল মেসিদের। তাই তো বিদায়কালে তিনি সেই শহর ও ‘মিনি আর্জেন্টিনা’ হয়ে ওঠা জায়গার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন।   টুর্নামেন্টজুড়ে আর্জেন্টিনার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত কানসাস সিটিকে বিদায় জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে শেষ অনুশীলনের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মেসি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কানসাস সিটিতে শেষ দিন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ!’ প্রায় একইভাবে কৃতজ্ঞতা জানালেন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজও, ‘ধন্যবাদ কানসাস! আমাদের যাত্রা এখনও অব্যাহত আছে।’   কানসারের শেষবারের মতো অনুশীলন সেরেছে স্কালোনির শিষ্যরা। নিজেদের চিরাচরিত বিদায়ী বারবিকিউ আয়োজনের পর চূড়ান্তভাবে নিজেদের বেসক্যাম্প ছেড়ে যাবে আর্জেন্টিনা। আগামীকাল দিবাগত রাতে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে তারা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। আটলান্টা স্টেডিয়ামে হবে ফাইনালে ওঠার এই দ্বৈরথ। আর্জেন্টিনা আর কানসাসে ফিরবে না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের ফল যাই হোক, দলটির পরবর্তী গন্তব্য হবে অন্য শহর।   ফাইনালে উঠতে পারলে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে যাবে আলবিসেলেস্তেরা। আর সেমিফাইনালে হারলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে যেতে হবে মায়ামিতে। স্কালোনির আর্জেন্টিনার জন্য কানসাস কেবল একটি অনুশীলন কেন্দ্র ছিল না, তার চেয়েও বেশি কিছু। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচ খেলতে তারা সেখান থেকে ভ্রমণ করেছে এবং ম্যাচ শেষে আবার কানসাসেই ফিরে গিয়ে পরবর্তী লড়াইয়ের প্রস্তুতি চালিয়ে গেছে।   নকআউট পর্বে এসে সেই রুটিনে পরিবর্তন আসে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচের পর দলটি মায়ামিতেই থেকে যায়। এরপর মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলতে যায় আটলান্টায়। যদিও সেই ম্যাচের পর আরেকবার তারা ফিরে আসে পরিচিত ঘাঁটি কানসাসে। সবমিলিয়ে মেসি-লিসান্দ্রোদের সংক্ষিপ্ত পোস্টের তাৎপর্য অনেক গভীর। তারা এমন একটি শহরকে বিদায় জানাচ্ছে, যেটি বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনার সঙ্গী ছিল। যেখান থেকে যাত্রা শুরুর পর আলবিসেলেস্তেদের আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালের দুয়ারে এনে দাঁড় করিয়েছে কানসাস।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ডি পলকে নিয়ে ধোঁয়াশা, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন কৌশলে আর্জেন্টিনা

ছবি : সংগৃহীত

ষাট বছর পর ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় ইংল্যান্ড, সামনে আর্জেন্টিনা বাধা

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্স-স্পেন লড়াই: ‘ফাইনালের আগে ফাইনাল’

0 Comments