বিশ্ব

বিপুল তেলসম্পদে ভরপুর ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ০৪, ২০২৬

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করার দাবির পর দেশটির ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে বড় ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (৩ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব নেবে এবং দেশটির বিপুল তেলসম্পদ ব্যবহার করবে। খবরটি এসেছে আলজাজিরা থেকে।

 

মার্কিন প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, রাজধানী কারাকাসে অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে আটক করে নিউইয়র্কে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তার বিচার হবে। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে পরিচালনা করবে, তবে এর সময়কাল ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এ ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার। ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এটি ‘অপহরণ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, নিকোলাস মাদুরোই দেশের একমাত্র বৈধ প্রেসিডেন্ট।

ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠক ডেকেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, কোনো দেশের শাসনভার জোরপূর্বক নেওয়া আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য ‘বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’ স্থাপন করতে পারে।

বিশ্বের অন্যতম বড় তেল মজুত থাকা ভেনেজুয়েলাকে কেন্দ্র করে এই পরিস্থিতি এখন বৈশ্বিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি - সংগৃহীত
ইরান চুক্তি নিয়ে সিআইএ প্রধানের সংশয়, হোয়াইট হাউসে ভিন্নমত

ইরানের সঙ্গে হতে যাওয়া সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ। বিশেষ করে পারমাণবিক বিষয়ে একের পর এক ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে তেহরানের সদিচ্ছা কতটুকু রয়েছে, তা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাটির মনে মারাত্মক সন্দেহ রয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফের পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই চুক্তিটি নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।   অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার চুক্তিটির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চুক্তিটি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টারা বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।   সূত্র মতে, সেসব বৈঠকে ট্রাম্প এবং তার দল এমন কিছু গোপন গোয়েন্দা তথ্য পর্যালোচনা করেছেন, যা থেকে জানা গেছে, ইরানি কর্মকর্তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় চুক্তিটি নিয়ে যেভাবে কথা বলছেন, তা মধ্যস্থতাকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে ‘অসংগতিপূর্ণ’।   সিআইএ পরিচালক র‍্যাটক্লিফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও যুক্তি দেখিয়েছেন যে, এই গোয়েন্দা তথ্যগুলো ওয়াশিংটনের চাওয়া অনুযায়ী ইরান শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলো মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে বড় ধরনের সন্দেহের সৃষ্টি করে।   তবে প্রশাসনের ভেতরের এই মতভেদ নিয়ে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেকোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে সব ধরনের মতামতই শোনেন, তবে সবাই এটা ভালো করেই বোঝেন যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক একমাত্র তিনিই।   হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা চুক্তির পক্ষে সাফাই গেয়ে আরও বলেন, এই চুক্তিটি বর্তমান প্রশাসনের দীর্ঘদিনের সব কঠোর শর্তগুলো পূরণ করে। কারণ এটি নিশ্চিত হবে যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না, তারা তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের কাছে রাখতে পারবে না এবং বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহকে আর কখনোই জিম্মি করার সুযোগ পাবে না।   সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কেন জটিল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি?

ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনী ফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ মমতা

ছবি : সংগৃহীত

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান

ছবি : বিবিসি
স্টারমারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগে রুশ সংশ্লিষ্টতা, দাবি বিবিসির

বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বাড়ি ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রাশিয়ার প্রত্যক্ষ মদদ ছিল। গাড়ি ও কয়েকটি বাড়িতে আগুন দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা হলেন রোমান লাভরিনোভিচ এবং স্ট্যানিস্লাভ কার্পিউক। ২২ বছর বয়সী রোমান লাভরিনোভিচ ইউক্রেনীয় নাগরিক এবং ২৭  বছর বয়সী স্টানিস্লাভ কারপিউক ইউক্রেনে জন্ম নেওয়া রোমানীয় নাগরিক। তাদের লন্ডনের ওল্ড বেইলি আদালতের জুরি দোষী সাব্যস্ত করেছেন। ২০২৫ সালের মে মাসে উত্তর লন্ডনে স্টারমারের আগে ব্যবহার করা একটি টয়োটা গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। কয়েক দিন পর আরো দুটি বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। এর একটি বাড়ির মালিক ছিলেন স্টারমার, যেখানে তার শ্যালিকা ভাড়ায় থাকতেন। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রুশ ভাষায় টেলিগ্রাম ব্যবহারকারী ‘এল মানি’ অনলাইনে রোমান লাভরিনোভিচকে নিয়োগ করেন এবং তাকে অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপরই তিনি অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো ঘটান। বিবিসির অনুসন্ধান অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত ইউক্রেনীয় যুবক রোমান লাভরিনোভিচ সম্ভবত জানতেন না যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সম্পত্তিকে লক্ষ্যবস্তু করছেন। তদন্তে দেখা গেছে, ‘ইএল’ নামে পরিচিত ওই ব্যক্তি তাকে অনলাইনে নির্দেশনা ও অর্থের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাভরিনোভিচ গ্রেপ্তার হন। বিবিসির দাবি, এই ঘটনা রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বড় অভিযানের অংশ হতে পারে। তদন্তে আরো বলা হয়েছে, ‘ইএল’ সম্ভবত ২৩ বছর বয়সী রুশ কূটনীতিক ইয়েভজেনি লিউকশিন। বিবিসি জানতে পেরেছে, রুশ এজেন্টরা সোশ্যাল মিডিয়া এবং মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের মাধ্যমে দূর থেকে নাশকতা ও উসকানিমূলক প্রচারণা চালিয়েছে। তারা অনলাইনে ভুয়া উগ্র-ডানপন্থী ও মুসলিমগোষ্ঠী তৈরি করে যুক্তরাজ্যে ভাঙচুর, বিভেদ ও ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল। রাশিয়াভিত্তিক অ্যাকাউন্টগুলো স্টারমারকে লক্ষ্য করে চালানো অগ্নিসংযোগ ও হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে মিথ্যা পোস্ট করেছিল। আর এগুলো ছড়িয়ে দিত উগ্র-ডানপন্থী ইসলামবিরোধী কর্মী টমি রবিনসনের মতো ব্যক্তিরা। আদালতে উল্লেখ করা ‘ইএল মানি’ নামে উল্লেখ করা ব্যক্তি টেলিগ্রামের মাধ্যমে রোমান লাভরিনোভিচকে খুঁজে বের করে বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব দেন। শুরুতে পোস্টার লাগানো ও গ্রাফিতি আঁকার মতো কাজ দিলেও পরে অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধে জড়ান। তদন্তে দেখা গেছে, ইএল (ইএল মানি) রুশ ভাষায় যোগাযোগ করতেন এবং তার উদ্দেশ্য ও রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট ছিল। তদন্তে দেখা গেছে, ‘ইএল’ নামে পরিচিত ব্যক্তি বিভিন্ন টেলিগ্রাম চ্যানেলে রাশিয়া ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রশংসা করতেন, ইউক্রেনীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করতেন এবং রুশপন্থী প্রচারণা চালাতেন। তিনি ইউক্রেনে হামলা ও অগ্নিসংযোগে উসকানি দিতেন। এসব কাজের জন্য ১ হাজার ডলার ও রুশ নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। এ ছাড়া নিজের পরিচয় সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, তার বাবা ইউরোপে কাজ করেন এবং ন্যাটো ও সিআইএ সংক্রান্ত কিছু নথি তার কাছে পৌঁছায়। বিবিসি বলছে, ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ নামে টেলিগ্রাম চ্যাটে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত ইয়েভজেনি লিউকশিনকে শনাক্ত করা হয়।’ এর আদ্যক্ষর ‘ইএল’ হামলার নির্দেশদাতার সঙ্গে মিলে যায়। তাকে ‘রেডিও সাউথপোর্ট’ ও ‘ওয়াগনার গ্রুপ’ সমর্থিত একটি চ্যাটেও পাওয়া গেছে। ওয়াগনার গ্রুপ হলো রাশিয়ার একটি সামরিক সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠাতা ইয়েভজেনি প্রিগোঝিন রাইবার চ্যানেলকে অর্থায়ন করতেন। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যে রুশ দূতাবাস বলেছে, ‘আমরা রাশিয়া বা তার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করি।’ তারা আরো বলেছে, ‘রাশিয়া যুক্তরাজ্য বা তার জনগণের জন্য কোনো হুমকি নয় এবং ব্রিটেনের প্রতি কোনো আগ্রাসী উদ্দেশ্য পোষণ করে না।’ বিবিসির প্রশ্নের জবাব দেননি রুশভাষী লুকশিন। তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্কিত প্রচার চ্যানেলটি অনলাইনে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। 

মারিয়া রহমান জুন ১৬, ২০২৬
জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের পর ইউক্রেন-লেবাননে শান্তি ফেরাবো: ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি : হরমুজ প্রণালিতে টোল ছাড়াই চলবে জাহাজ

ফাইল ছবি

ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

সংগৃহীত ছবি
মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমানবাহিনীর একটি বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৮ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার এডওয়ার্ডস বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। খবর বিবিসির।   বিমানটি একটি নিয়মিত পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে ছিল। এতে সামরিক সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও বেসামরিক ঠিকাদার ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।   বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর আকাশে কালো ধোঁয়ার বড় কুণ্ডলী দেখা যায়। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন বিমানবাহিনী।   বি-৫২ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পরিচিত বোমারু বিমানগুলোর একটি। এটি দীর্ঘ দূরত্বে উড়তে পারে এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বহন করতে সক্ষম। সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে এই ধরনের বিমান ব্যবহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১৬, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

শুক্রবারের আগেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি প্রকাশ হতে পারে : জে ডি ভ্যান্স

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পরও তেহরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

সংগৃহীত ছবি

উন্মুক্ত হরমুজ প্রণালি, পার হচ্ছে এলএনজি জাহাজ

0 Comments