আন্তর্জাতিক

বিবিসির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ১১, ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিবিসির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তাঁর আইনজীবীরা বিবিসিকে ১৪ নভেম্বরের মধ্যে তথ্যচিত্রটি ‘পূর্ণ ও ন্যায্যভাবে প্রত্যাহার’ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যথায় এক বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

তথ্যচিত্রে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ট্রাম্পের ভাষণের দুটি ভিন্ন অংশ একত্রিত করা হয়েছিল, যা দর্শকদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং মনে হতে পারে যে তিনি নির্বাচনে পরাজয়ের পর মার্কিন কংগ্রেস ভবনের ওপর হামলার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই ঘটনায় বিবিসির মহাপরিচালক ও বার্তা প্রধান পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর বার্তা প্রধান জোর দিয়ে বলেছেন, কর্পোরেশন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট নয়।

এক অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপিতে বিবিসির গাজা কভারেজ, ট্রাম্প বিরোধী ও ইসরায়েল বিরোধী পক্ষপাত, এবং একতরফা ট্রান্সজেন্ডার রিপোর্টিং সহ অন্যান্য বিষয়গুলোর উল্লেখ করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্যানোরামা অনুষ্ঠানের সম্পাদনাটিকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

বিবিসির চেয়ারম্যান স্বীকার করেছেন যে তথ্যচিত্রে বিচার বিবেচনার ভুল ছিল এবং সম্পাদিত ভাষণটি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানের ধারণা দেয়। তিনি জানান, এর জন্য বিবিসি ক্ষমা চাইবে। তবে কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বিবিসির কাছে পাঠানো চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, তাদের সম্পর্কে ‘মিথ্যা, মানহানিকর, অবমাননাকর এবং বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য’ প্রদান করা হয়েছে। ফ্লোরিডা আইনের অধীনে মানহানির অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, স্মারকলিপি প্রকাশের পর ৫০০টিরও বেশি অভিযোগ এসেছে। তিনি বলেন, মার্কিন নির্বাচনী কভারেজের পর্যালোচনার অংশ হিসেবে প্যানোরামা সম্পাদনাটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল, এবং কিছু উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

তবে, সম্পাদনার উদ্দেশ্য ছিল দর্শকদের বোঝানো যে ট্রাম্পের সমর্থকরা কীভাবে বক্তৃতা গ্রহণ করেছিলেন এবং মাঠে কী ঘটেছিল। বিষয়টি উল্লেখযোগ্য দর্শক প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় পরে এগিয়ে নেওয়া হয়নি।

মহাপরিচালক পদত্যাগের বিষয়ে উল্লেখ করেছেন, বিতর্কের একক কারণ এটি নয়, তবে এতে পদত্যাগের সিদ্ধান্তে অবদান রেখেছে। বার্তা প্রধানও প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্যে বলেছেন, বিবিসি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট নয় এবং সাংবাদিকরা নিরপেক্ষতার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে।

প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য রাজনীতিবিদও বিবিসির পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে কিছু রক্ষণশীল নেতা মনে করেন, তথ্যচিত্রের ঘটনা একটি গুরুতর সমস্যা।

 

ট্রাম্পের গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বা হুমকি দেওয়ার ইতিহাস দীর্ঘ। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে, প্রার্থীর একটি সাক্ষাৎকার প্রতারণামূলকভাবে সম্পাদনার অভিযোগে ট্রাম্পের আইনি পদক্ষেপের ফলে একটি বড় সংবাদমাধ্যম এক কোটি ৬০ লাখ ডলারের সমঝোতায় পৌঁছেছিল। এছাড়া অন্যান্য কয়েকটি গণমাধ্যমও তাঁর আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সরকার পরিবর্তনের পর প্রথমবার ভারতীয় ট্রেন কোচ আসছে দেশে

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথমবারের মতো ভারত থেকে ট্রেনের কোচ আসছে বাংলাদেশে। আগামী মাসে এই কোচগুলো আসার কথা রয়েছে। আজ বুধবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস।   ইকোনোমিক টাইমসকে ভারতীয় রেলওয়ের রপ্তানি বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচ জুলাইয়ে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত আছে।   ভারত থেকে ৯১৫ কোটি রুপিতে ২০০টি ব্রডগেজ কোচ কেনার চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। ২০টি কোচ সেই চুক্তির অংশ হিসেবে পাঠানো হবে।   এই কোচ কেনায় অর্থায়ন করছে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি)। ২০২৪ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক নিলামের মাধ্যমে ভারত এই কোচ নির্মাণের কাজ পায়।   ভারতীয় রেলওয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, “এই চুক্তির প্রথম রেক আগামী জুলাইয়ের মধ্যে প্রস্তুত হবে। বাংলাদেশের কাছে বগিগুলো হস্তান্তরে প্রস্তুতি চলছে।”   কোচগুলো তৈরি করা হচ্ছে ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালার রেল কোচ কারখানায়।   ইকোনোমিক টাইমস বলেছে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভারতের রপ্তানির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। কিন্তু নতুন ২০টি কোচ আসার মাধ্যমে বাংলাদেশে ভারতের বগি রপ্তানির বিষয়টি পুনরায় শুরু হবে।    ২০২৪ সালে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর এই প্রজেক্টের কাজ ধীরগতির হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন ভারতীয় রেলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কিন্তু এখন কাজ পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলছে।   এদিকে এই ২০০টি কোচের কাজ পাওয়ার আগে ভারত বাংলাদেশে ১২০টি ব্রডগেজ কোচ, ২৫টি ব্রগগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) এবং ১০ মিটার গজ লোকোমোটিভ পাঠিয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ শক্তিশালী এবং পরিবহন অবকাঠামোতে সহযোগিতার অংশ ছিল এগুলো।   সর্বশেষ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে কোচ সরবরাহের পাশাপাশি ডিজাইন সাপোর্ট, যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ এবং এগুলো চলাচল শুরুর ক্ষেত্রে সহায়তা করবে ভারত।   সূত্র: ইকোনোমিক টাইমস

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত

ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি না থাকলে ইরানের অবস্থাও গাজার মতো হতো : পেজেশকিয়ান

ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধে পারমাণবিক অস্ত্রই প্রধান ভরসা : রাশিয়া

মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মূল কারণ ইসরাইল : গালিবাফ

ছবি: সংগৃহীত
এপস্টেইন তদন্তে নতুন তথ্য: তিন নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার গেটসের

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ব্যক্তি এবং মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া এক সাক্ষ্যে তিন নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেছেন।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটির কাছে দেওয়া রুদ্ধদ্বার সাক্ষ্যে তিনি জানান, রাশিয়ার দুই নারী—ব্রিজ খেলোয়াড় মিলা আন্তোনোভা এবং পরমাণু বিজ্ঞানী কারিমা নিগমাতুলিনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি আরেক নারী বিজ্ঞানীর সঙ্গেও সম্পর্ক থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন।   এই সাক্ষ্যগ্রহণটি পরিচালিত হয় কুখ্যাত অর্থদাতা ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী Jeffrey Epstein-কে ঘিরে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে।   গেটস দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, এপস্টেইনের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড তিনি প্রত্যক্ষ করেননি। তবে এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাকে তিনি বারবার ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   সাক্ষ্যে গেটস বলেন, তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কিছু তথ্য এপস্টেইনের জানা ছিল এবং সে কারণে তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেছিলেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের কোনো প্রচেষ্টা সফল হয়নি।   এছাড়া তিনি জানান, চিকিৎসা খাতের উদ্যোক্তা ড. অ্যালিস জ্যাকবস নেসেলরোটের সঙ্গেও তার একটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, যা এপস্টেইন জানতেন বলে পরে তিনি অবগত হন।   কংগ্রেস সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে গেটস যৌন অসদাচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, কোনো একসময় যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তার মনে জাগলেও পরে সেটি ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয় এবং তিনি কখনো কোনো যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হননি।   সাক্ষ্যে গেটস আরও জানান, ২০১১ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এপস্টেইনের সঙ্গে তার একাধিকবার বৈঠক হয়েছিল। এসব বৈঠকের বেশিরভাগই পরোপকারমূলক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা কেন্দ্রিক ছিল বলে তিনি দাবি করেন।   উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ দিকে প্রকাশিত তথাকথিত ‘এপস্টেইন ফাইল’-এ গেটস ও এপস্টেইনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন কিছু তথ্য সামনে আসে। এরপর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয় এবং সাম্প্রতিক সাক্ষ্যে গেটস এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।   সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন

ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে কংগ্রেসের পদক্ষেপ অর্থহীন, বললেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দ্রুত বাড়াচ্ছেন কিম জং-উন

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে কোনোভাবেই আলোচনা বা সমঝোতা করা হবে না। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিই দেশটিকে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করছে। তার ভাষায়, যদি ইরান প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি না করত, তাহলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র গাজা উপত্যকার মতো পরিস্থিতি তৈরি করত। পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল ভিত্তি, তাই এ বিষয়ে কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হবে না। তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর মানবাধিকার নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, তাদের দাবি ও বাস্তবতার মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। এই সফরে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার কথা বলেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে এখনই পরিদর্শক পাঠানোর কোনো তাড়া নেই: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, মার্কিন সিনেটে প্রস্তাব পাস

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে মার্কিন সিনেটে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প

0 Comments