জাতীয়

ভোটের মাঠ সরগরম, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আর মাত্র ১১ দিন বাকি। শুরুতে নানা শঙ্কা থাকলেও তপশিল ঘোষণার পরপরই বদলে গেছে সারা দেশের নির্বাচনী চিত্র। শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই লেগেছে নির্বাচনী প্রচারের রং। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা টানা গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাস্তায় রাস্তায় মাইকিং, পাড়া-মহল্লায় জনসভা ও উঠান বৈঠকে মুখর হয়ে উঠেছে জনপদ। দম ফেলারও যেন ফুরসত নেই প্রার্থী ও তাদের কর্মীদের।

 

সব মিলিয়ে দেশজুড়ে এখন সরগরম ভোটের মাঠ। দীর্ঘদিন পর হতে যাওয়া প্রতিযোগিতামূলক এই নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। বিএনপির ইশতেহার আজ–কালকের মধ্যেই এবং আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহার ঘোষণার কথা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শঙ্কা ছাপিয়ে সারা দেশে বইছে নির্বাচনী উৎসবের হাওয়া। যদিও কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তবে সামগ্রিকভাবে উৎসবমুখর পরিবেশেই এগোচ্ছে নির্বাচনী প্রচার।

শহরের অলিগলি থেকে গ্রামবাংলার রাজপথ—সবখানেই এখন প্রধান আলোচনার বিষয় ‘ভোট’। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে প্রচার। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর প্রতিটি জনপদ। বড় রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে স্বতন্ত্র প্রার্থী—সবাই এখন মাঠে। জনসভা, গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণসহ নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। কোথাও উন্নয়ন, কোথাও কর্মসংস্থান, আবার কোথাও সামাজিক সুরক্ষা হয়ে উঠছে প্রচারের মূল বিষয়। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্যের লড়াই যেমন চলছে, তেমনি ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে প্রচারযুদ্ধ।

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব, টিকটকসহ নানা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ছে নির্বাচনী বার্তা। চায়ের দোকান, বাজার, বাসস্ট্যান্ড—সবখানেই ভোট নিয়ে আলোচনা। কেউ উন্নয়নের হিসাব কষছেন, কেউ পরিবর্তনের পক্ষে মত দিচ্ছেন। প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া তরুণদের মাঝেও দেখা যাচ্ছে বিশেষ আগ্রহ ও উদ্দীপনা।

এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। ভোটের মাঠে এক লাখ সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থী ও তাদের কর্মীরা মাঠে ছুটে বেড়াচ্ছেন। প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন ভোটারদের সামনে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রাফিক্স, লাইভ ভিডিও, শর্ট ভিডিও ও অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে চলছে ব্যাপক ডিজিটাল প্রচার।

এবারের নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ থাকায় ডিজিটাল প্রচারণা পেয়েছে নতুন মাত্রা। অনেক প্রার্থী কম খরচে সৃজনশীল কনটেন্টের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। জনপ্রিয় গানকে ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে নির্বাচনী প্যারোডি গান, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তরুণ ভোটারদের মধ্যে। প্রবাসী ভোটারদের কাছেও পৌঁছাতে কার্যকর হচ্ছে এই কৌশল।

নির্বাচনী প্রচার এখন শুধু সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ নেই। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিস-আদালত—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু কে হচ্ছেন আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি। ভোটাররা প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি নিয়ে করছেন চুলচেরা বিশ্লেষণ।

প্রার্থীদের দিন কাটছে কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত। সকালে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, দুপুরে উঠান বৈঠক, বিকেলে জনসভা—এভাবেই চলছে তাদের ব্যস্ত দিন। অনুসারীদের বহর নিয়ে মাঠ-ঘাট, হাট-বাজার ও দুর্গম এলাকাও চষে বেড়াচ্ছেন তারা।

নির্বাচন কমিশনাররা জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি সঠিক পথেই এগোচ্ছে। প্রশাসনও জানিয়েছে, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। নির্বাচন ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে ও অনলাইন—দুই জায়গাতেই জোরদার করা হয়েছে নজরদারি।

 

সব মিলিয়ে, ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। প্রচারের এই ব্যস্ততা আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—সব বাধা পেরিয়ে একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, আর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনকল্যাণে কাজ করবেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর পদত্যাগ, নতুন দায়িত্ব পেলেন দুইজন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার। সোমবার (৯ মার্চ) চিফ প্রসিকিউটর বরাবর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন তিনি। চিফ প্রসিকিউটর তার আবেদন মঞ্জুর করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।   সাইমুম রেজা বলেন, “মূলত আগের পেশায় ফিরে যেতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্য কোনো কারণ নেই।” তার শেষ কর্মদিবস ছিল রোববার। প্রসিকিউটর হিসেবে যোগদানের আগে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি রামপুরা, লক্ষ্মীপুর, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানবতাবিরোধী অপরাধের বেশ কয়েকটি মামলা পরিচালনা করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। এদিকে, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় নতুন করে আরও দুইজন প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে। তারা হলেন মর্জিনা রায়হান মদিনা ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

রমজানের পর সারাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

২৫ মার্চ সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের

ছবি : সংগৃহীত

সাবেক সিনিয়র সচিব শাহ কামালের আয়কর নথি জব্দ

আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। ফাইল ছবি
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের নির্মূলই পুলিশের প্রধান চ্যালেঞ্জ : আইজিপি

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের নির্মূল করাই পুলিশের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য পুলিশ কাজ করছে। আজ (সোমবার) পুলিশ হেডকোয়াটার্স মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক না হলে দেশের উন্নয়ন হবে না। সে কারণে কেন্দ্র থেকে জেলা পর্যন্ত অপরাধ বন্ধে পুলিশ কাজ করছে। পুলিশের সেবা তৃণমূল পর্যায়েও পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অপরাধী যত বড়ই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সৎ, দক্ষ ও মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন করা হবে। কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত আইজি এ কে এম আওলাদ হোসেন, মো. আকরাম হোসেন, খোন্দকার রফিকুল ইসলাম ও মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ প্রমুখ।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে আইনমন্ত্রীকে আহবায়ক করে কমিটি; প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি : সংগৃহীত

টাঙ্গাইলে পুকুরে মিলল পাথরের প্রাচীন মূর্তি

ছবি : সংগৃহীত

সরকারি দলের সংসদীয় সভা আগামী ১১ মার্চ

ছবি: সংগৃহীত
তেল কম দেয়ায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

বগুড়া জেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেয়ার অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়ার সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়ার পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. শাহানূর হোসেন খান। বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়ার পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী প্রান্তজিত সরকার বলেন, অভিযানে সদর উপজেলার বাইপাস সড়কের তিনমাথা রেলগেট এলাকায় মেসার্স নর্থ বেঙ্গল এন্টারপ্রাইজ ফিলিং স্টেশন-এ জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়া এবং আন্ডারগ্রাউন্ড স্টোরেজ ট্যাংকের হালনাগাদ ক্যালিব্রেশন সনদ প্রদর্শন করতে না পারার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অপরাধে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ২৯ ও ৪৬ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও বলেন, এ সময় মেসার্স অতিথি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করা হলে জ্বালানি তেলের মজুদ শেষ থাকায় বিক্রি বন্ধ পাওয়া যায়। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই করতে স্টোরেজ ট্যাংকের জ্বালানি তেলের মজুদ পরিমাপ করা হয়। ট্যাংকের ক্যালিব্রেশন সনদের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় তা দ্রুত নবায়নের পরামর্শ দেয়া হয়।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

হামলা আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

ট্রেনের টিকিট। ছবি : সংগৃহীত

ঈদযাত্রায় ট্রেনের শেষ দিনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে আজ

ছবি: সংগৃহীত

খাদ্য ব্যবসার সব লাইসেন্স ওয়ান স্টপ সার্ভিসে দেওয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী

0 Comments