বিশ্ব

ভারতে দুই বাংলাদেশিসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন

খবর৭১ ডেস্ক, ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫

ভারতে দুই বাংলাদেশিসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কলকাতার একটি আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে বোমা বিস্ফোরণ ও নাশকতা চালানোর ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অপরাধে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশি হলেন আনোয়ার হোসেন ফারুক ওরফে এনাম এবং মোহাম্মদ রুবেল ওরফে রফিক। তারা জামালপুরের বাসিন্দা। আর বাকি তিনজন হলেন পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বাসিন্দা মাওলানা ইউসুফ শেখ ওরফে শেখ ইউসুফ ওরফে আবু বকর ওরফে সুলেইমান শেখ (৩১), আসামের বরবেটার বাসিন্দা মোহাম্মদ সাহিদুল ইসলাম ওরফে সামিম ওরফে আসরাফুল আলম ওরফে নির্মল ওরফে সূর্য সামিম (২২) এবং জাবিরুল ইসলাম (৩০)। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ রুবেল এবং জাবিরুল ইসলামের ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বোমা বিস্ফোরণ মামলায়ও পূর্বে দণ্ড হয়েছিল।

কলকাতার সিটি সেশনস কোর্টের বিশেষ এনডিপিএস বিচারক রোহন সিনহা এ রায় ঘোষণা করেন। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) তদন্তে নাশকতার বৃহৎ ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মিললে মামলাটি আদালতে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাওলানা ইউসুফকে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত দণ্ডযোগ্য অপরাধে (ধারা ১২১এ) অতিরিক্ত যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে। দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ফরেনার্স অ্যাক্টের ধারা ১৪-এর অধীনেও দণ্ডিত করা হয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেএমবি সদস্যরা অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে উত্তর ২৪ পরগনায় ঢোকার পরিকল্পনা করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল উত্তর-পূর্ব ভারত, দক্ষিণ ভারতসহ বিভিন্ন স্থানে বোমা বিস্ফোরণ ও নাশকতা চালানো। তাদের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে শরিয়াভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ভারতের ‘বাধা’ দূর করা এবং রোহিঙ্গা ও কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া। বাংলাদেশি সদস্যরা ভুয়া ভারতীয় নথি সংগ্রহ করে ভারতে প্রবেশ করেছিল।

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এসটিএফ বনগ্রাম, বসিরহাট, কোচবিহার এবং আসাম থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিস্ফোরক, আইইডি তৈরির সরঞ্জাম, ভারতের বিভিন্ন এলাকায় হামলার নকশা ও নথি, সংগঠনের কাঠামোর নকশা এবং নগদ টাকা, ল্যাপটপ ও এসডি কার্ড উদ্ধার করা হয়। তবে প্রমাণের অভাবে আরেক অভিযুক্ত আবদুল কালাম ওরফে আজাদ ওরফে কালামকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
চিলিতে ৬.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির উত্তরের আন্তোফাগাস্তা অঞ্চলে শক্তিশালী ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। খবর আনাদোলু নিউজ এজেন্সির।   চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কালামা শহরের দক্ষিণে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। কম্পনটি আশপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুভূত হয়েছে।   ভূমিকম্পের পর চিলির হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশেনোগ্রাফিক সার্ভিস জানায়, এই কম্পনের ফলে সুনামি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাই উপকূলীয় এলাকায় কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।   প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থান হওয়ায় চিলিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। নাজকা ও দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে দেশটিতে নিয়মিত ছোট-বড় ভূমিকম্প আঘাত হানে।   চিলির ইতিহাসে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পও হয়েছিল। ১৯৬০ সালে ভালদিভিয়ায় ৯ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া ২০১০ সালে ৮ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেতানিয়াহুর নির্দেশের পর লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা

পর্তুগালে প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে বাংলাদেশি সংস্কৃতি উপস্থাপন

ছবি: সংগৃহীত

বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকলেন মমতা

ছবি: সংগৃহীত
আমি মোদির বড় ভক্ত: ট্রাম্প

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  নিজেকে মোদির বড় ভক্ত বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। স্থানীয় সময় রোববার (২৪ মে) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে দিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফোনে সরাসরি যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের দূত সার্জিও গোর উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিওকে ফোন করে ট্রাম্প বলেন, ‘সার্জিও, তোমাকে আমাদের দেশের প্রতিনিধি হতে করতে হবে। তবে আমি সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানাতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। মোদি অসাধারণ, তিনি আমার বন্ধু।’ ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ভারতের এত কাছাকাছি আগে কখনও ছিলাম না। ভারত আমাদের ওপর শতভাগ ভরসা করতে পারে। তাদের কোনো সহায়তা প্রয়োজন হলে তারা জানে কোথায় ফোন করতে হবে। তারা এখানেই ফোন করবে। আমরা ভালো করছি। আমরা একের পর এক রেকর্ড গড়ছি।’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি রেকর্ড পরমিাণ শক্তিশালী, শেয়ারবাজারও রেকর্ড উচ্চতায়। আর ভারত যা চায়, তাই পায়। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির একজন বড় ভক্ত।’ এ সময় তিনি মার্কো রুবিওরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব শেষ করবেন। যখন আপনার কাছে মার্কো, সার্জিওর মতো মানুষ থাকে, তখন আপনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই পাচ্ছেন। ট্রাম্প আরও বলেন, আমি জানি, আপনারা আমাদের ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সবাই সন্ধ্যাটা উপভোগ করুন। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে শুভেচ্ছা জানাতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। তাকে জানাবেন, আমি তার একজন বড় ভক্ত। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ব্যাপক হামলা ইসরাইলের

ছবি : সংগৃহীত

পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিতে পারে ইরান

ছবি: সংগৃহীত।
যুদ্ধ সত্ত্বেও হজের জন্য সৌদি পৌঁছেছে রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লি

এক সৌদি কর্মকর্তার মতে, এ বছর হজ পালনের জন্য ১৫ লাখেরও বেশি বিদেশি তীর্থযাত্রী সৌদি আরবে এসেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও উত্তেজনা চললেও এই সংখ্যা গত বছরের বিদেশি হজযাত্রীর সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারির শেষে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে ইরান সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এতে বিমান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ভ্রমণ ব্যয়ও বেড়ে যায়। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনের বড় বিমান সংস্থাগুলো কয়েক সপ্তাহ আকাশপথ বন্ধ ও ফ্লাইট বাতিলের পর আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে কাজ করছে। তবে এসব সমস্যার মধ্যেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মুসল্লিরা হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে আসছেন। সৌদি আরবের হজ পাসপোর্ট বাহিনীর কমান্ডার সালেহ আল-মুরব্বা শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিদেশ থেকে আগত হজযাত্রীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ১৮ হাজার ১৫৩ জনে পৌঁছেছে।  যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ফাদেল বলেন, যুদ্ধ চললেও তিনি সিদ্ধান্ত বদলাননি এবং হজে অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিঃসন্দেহে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গায় আছি। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি আবার খারাপ হলে হজযাত্রীদের যাতায়াতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং কিছু মানুষ আটকে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তবুও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মুসল্লিরা হজ পালনে সৌদি আরবে যাচ্ছেন। অনেকের কাছে এটি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, তাই তারা ভয় উপেক্ষা করে অংশ নিচ্ছেন।

মারিয়া রহমান মে ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণ ৯০০ ছাড়াল

ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ পেরিয়ে চীন ও পাকিস্তানের পথে জ্বালানিবাহী ট্যাংকার

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চুক্তি আজই হতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments