জাতীয়

বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠেয় জানাজায় অংশ নিতে ভুটানের পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী লিয়নপো ডি. এন. ধুংগেল আজ সকালে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। 

ভুটান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে অংশ নেবেন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম সামাদ বাসসকে জানান, বিমানবন্দরে ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান।

আজ দুপুর ২টায় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত থেকে মরহুমার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন ওয়াহিদুজ্জামান

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। তার নিয়োগের বিষয়ে এরই মধ্যে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।   পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম স্বাক্ষরিত আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) থেকে এই তথ্য জানা গেছে।   জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর গ্রেড-৩ ভুক্ত পদ ও বেতনে আগামী দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে।   জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কার্যক্রম সুচারু ও গতিশীল রাখতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ওয়াহিদুজ্জামানকে। বিশেষ করে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকসমূহে যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ— উল্লেখ করা হয় ডিও লেটারে।   কে এই ওয়াহিদুজ্জামান শিক্ষা, ব্যাংকিং, জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) থেকে ১৯৯১ সালে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে স্নাতক এবং ১৯৯২ সালে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশাগত জীবনের শুরুতে ব্যাংকে সহকারী প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করলেও পরে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন তিনি। আজিজুল হক কলেজ ও ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘ সময় (২০০২-১৫) কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি জুনিভান হোল্ডিং ইনস ডট -এ ডিজিটাল মার্কেটিং পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।   ব্যাংকিং, ও রিমোট সেন্সিং বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে ওয়াহিদুজ্জামানের। এ ছাড়া, তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অভিবাসন বিষয়ক বহু আন্তর্জাতিক প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ভূগোল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধও রয়েছে তার।   জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা ও কমিটির বৈঠকে অংশগ্রহণ ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে তার এই অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে— উল্লেখ করা হয় ডিও লেটারে।   ওই পত্রে আরও বলা হয়, ওয়াহিদুজ্জামানের নিয়োগের পক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

মারিয়া রহমান জুলাই ০৮, ২০২৬
ইন্টারন্যাশনাল এআই ইনোভেশন এন্ড লীডারশীপ কনসোর্টিয়াম (আইএআইএলসি) প্রেস্টিজ এওয়ার্ড ২০২৬-এর মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি; আইএআইএলসি অ্যাওয়ার্ড পেল দেশের যেসব শীর্ষপ্রতিষ্ঠান

ছবি: সংগৃহীত

উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার দুজন ফের তিন দিনের রিমান্ডে, ৪ জন কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো আরও ১৩৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ছবি: সংগৃহীত
বান্দরবানে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধস ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গু নদী

টানা ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড়ধস ও বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পৌরসভার কালাঘাটা এলাকার বড়ুয়ার টেকে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে অল্প সময়ের ব্যবধানে তিন দফা পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   পাহাড়ধসে স্থানীয় বাসিন্দা নিপন বড়ুয়ার পাকা বাড়ির একাংশ এবং রণধীর বড়ুয়ার একটি কাঁচা ঘর মাটিচাপা পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ তাদের খোঁজ নিতে আসেননি।   বান্দরবান আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বুধবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলায় ৩৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বর্ষণ হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া গত ৫ জুলাই থেকে বুধবার বিকেল পর্যন্ত মোট ৬০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।   পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবান সদর এলাকায় সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ৯২ সেন্টিমিটার এবং লামা উপজেলার মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।   নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রুমা উপজেলার নদীতীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বান্দরবান পৌরসভার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল, আর্মি পাড়া, শেরেবাংলা নগর, ইসলামপুর, বরিশাল পাড়া, হাফেজঘোনা ও বালাঘাটার কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পানি প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে।   এদিকে বান্দরবান-রোয়াংছড়ি সড়কের একটি কালভার্ট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রোয়াংছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে রুমা ও থানচি উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনো স্বাভাবিক আছে।   জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় এক হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাহাড়ধস ও বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ও নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বৈরী আবহাওয়ায় হাতিয়ার ফেরি চলাচল ৪ দিন বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা

ছবি: সংগৃহীত

অটোরিকশা চালক হত্যা ও ছিনতাই: অজ্ঞানপার্টির ৩ সদস্য পুলিশের জালে

ছবি: সংগৃহীত

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

ছবি : সংগৃহীত
তারেক রহমানকে ঢাকার বাইরে না থাকার পরামর্শ দিলেন অলি আহমেদ

ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পরামর্শ দিয়েছেন এলডিপি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। বুধবার দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ১১ দলের এক সেমিনারে তিনি এ পরামর্শ দেন।   প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অলি আহমেদ বলেন, ‘আপনার কাজ হচ্ছে, বাংলাদেশে যারা বিদেশি গুপ্তচর আছে, তাদেরকে বের করা। তাদের দ্বারা আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে সংস্কারের বিষয়ে আপনার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’   তিনি বলেন, ‘চতুর্দিকে শত্রু রেখে আপনি দেশ পরিচালনা করতে পারবেন না। আমরা হলাম আপনার প্রকাশ্য শত্রু। যারা আপনার পাশে আছেন, তারা হচ্ছেন আপনার আসল শত্রু।’   অলি আহমেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শত্রু দ্বারা আবর্তিত। বিদেশি গুপ্তচররা সরকারে ও দলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে। বিদেশি গুপ্তচর যেকোনো সময় তারেক রহমানের বড় ক্ষতি করতে পারে।’ তাদেরকে দল থেকে বের করে দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।   তিনি বলেন, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়, বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে। অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। নতুন বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি (তারেক রহমান) ভালো অবস্থানে নেই।’

মারিয়া রহমান জুলাই ০৮, ২০২৬

চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশের কাঁঠাল

আর্জেন্টিনা-মিসরের খেলা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রক্টরসহ ১০ শিক্ষার্থী আহত

'শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে’

0 Comments