অন্যান্য

আওয়ামী লীগ ভারতের সেবাদাস সরকার ছিল : সালাহউদ্দিন

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৬, ২০২৬


দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করলেও তা বিলুপ্ত করে শেখ হাসিনা প্রায় ১৫–১৬ বছর ধরে দেশে একনায়কতান্ত্রিক শাসন চালু রাখে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

আওয়ামী লীগকে ভারতীয় দল অ্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার একনায়কতন্ত্র শাসন ব্যবস্থা চালু করেছিল, ছাত্র-জনতা সেই ফ্যাসিস্ট শক্তিকে বিদায় করেছে। এরা ভারতীয় দল, এরা ভারতের সেবাদাস সরকার ছিল।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়ার পহরচাদা ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে এসব মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন।


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এই সরকার এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং আলেম সমাজের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। আওয়ামী লীগ ছিল আলেমবিদ্বেষী ও ইসলামবিদ্বেষী সরকার।’

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এখন প্রশ্ন হলো-আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই? জনগণ ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চায়, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চায়। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায় যেখানে আইনের শাসন থাকবে, সুবিচার নিশ্চিত হবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।


পহরচাদা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ফরিদ আহমদ আজিজির সভাপতিত্বে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে চকরিয়া বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোবারক আলী, পহরচাদা সাংগঠনিক ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নাছির উদ্দিন হায়দার,  উপদেষ্টা জালাল আহমদ সিকদারসহ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতি মামলায় পি কে হালদারসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার পলাতক ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।   বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবির দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণের আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, পলাতক ১২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার ১৮ আসামির মধ্যে ছয়জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ১২ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ‘মুন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ভুয়া নথি তৈরি করেন। পরে ওই নথি ব্যবহার করে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন করিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আত্মসাৎ করা অর্থ পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার করা হয়। এ ঘটনায় ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি দুদকের উপসহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া পি কে হালদারসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পি কে হালদার এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। তিনি ২০২২ সালের ১৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দেশটির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকে তিনি ভারতে কারাবন্দী রয়েছেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের ‘অগ্রগতি’ দেখতে চান জামায়াত আমির

ছবি: সংগৃহীত

ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার

ছবি : সংগৃহীত

সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ছবি : সংগৃহীত
একই দিনে ভালো কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা, চালু হচ্ছে ডে নেটিং

শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানির শেয়ারে শিগগিরই ডে নেটিং সুবিধা চালু করা হবে। এই সুবিধা চালু হলে ভালো কোম্পানির শেয়ার একই দিনে কেনাবেচার সুযোগ পাবেন এসব শেয়ারের বিনিয়োগকারীরা।   আজ বৃহস্পতিবার সকালে শেয়ারবাজারবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম বা সিএমজেএফ টকে অংশ নিয়ে এই পরিকল্পনার কথা জানান পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান।   বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি ব্রোকারেজ হাউস মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে ডে নেটিং সুবিধা চালুর প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সব শেয়ারে এ ধরনের সুবিধা চালুর বাস্তবতা নেই। তাই আমরা আপাতত ভালো মানের কোম্পানির ক্ষেত্রে এই সুবিধা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছি। শুরুতে সেটি হতে পারে ভালো মানের ৩০ কোম্পানির ক্ষেত্রে।   বিএসইসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, সার্বিকভাবে শেয়ারবাজারে লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে দুদিনের মধ্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে কাজ চলছে। এই সুবিধা চালু হলে বিনিয়োগকারীরা যেদিন শেয়ার কিনবেন, তার পরদিন বিক্রির সুযোগ পাবেন। শেয়ারবাজারে ভালো ও নতুন কোম্পানি আনতে খুব দ্রুত সরাসরি তালিকাভুক্তির সুবিধা চালু করা হবে। এই সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। আগ্রহী কোম্পানিগুলো এই সুবিধার আওতায় তালিকাভুক্তির আবেদন করতে পারবে। সেখান থেকে ভালো মানের কোম্পানিগুলোকে এই ব্যবস্থায় দ্রুত তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হবে। শেয়ারবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে এই উদ্যোগের কথা ভাবছে বর্তমান কমিশন।   শেয়ারবাজারের অনিয়ম ও দুর্নীতির শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দেশের উচ্চ আদালতে আলাদা বেঞ্চ করার বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, ‘বর্তমানে আমরা কারসাজির ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে তার বিরুদ্ধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। তাই শেয়ারবাজার–সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চ আদালতে বেঞ্চ করার উদ্যোগের কথা ভাবা হচ্ছে।’   শেয়ারবাজারের কারসাজি রোধে এক বছরের মধ্যে এআইনির্ভর সার্ভেইল্যান্স বা তদারকি ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানান বিএসইসির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে এরই মধ্যে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শেয়ারবাজারের অনিয়ম, দুর্নীতি ও কারসাজির ঘটনায় দেওয়ানি মামলার পরিবর্তে ফৌজদারি মামলা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে বিএসইসি।   সিএমজেএফ টকে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মনির হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিএমজেএফ সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১০, ২০২৬
মাছের ঝোলে নারীর ছবিযুক্ত স্টিকার। ছবি : সংগৃহীত

চবির দুপুরের খাবারে মিলল নারীর ছবিযুক্ত স্টিকার

ছবি: সংগৃহীত

স্ক্রিনশট সংস্কৃতি: এক ক্লিকে চারটি পাপ

ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থী সংকটে আল হেরা কলেজের এমপিও স্থগিতের প্রস্তাব

সংগৃহীত ছবি
চলছে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ইরানে কী অবস্থায় আছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

স্থায়ী চুক্তি আলোচনা এবং ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে চলমান কর্মসূচির মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন স্থানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে খামেনিকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এনসিপি, জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেশটিতে যায়। তবে জানা গেছে, প্রতিনিধি দলের মধ্যে শুধু এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ইরানে এখনও অবস্থান করছেন।   বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে মুঠোফোনে চ্যানেল 24-কে তিনি তার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ছয়জন প্রতিনিধি ছিলাম, এরমধ্যে পাঁচজন চলে গেছে। আমার ফ্লাইট একটু পরে ছিল, তাই আমি এখনও আছি।’   শুক্রবার সকাল সাতটায় দেশে ফিরবেন তিনি। পাটওয়ারী জানান, ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে তিনি দেশে এসে পোঁছাবেন।  কী অবস্থায় আছেন এবং ইরানে এখন পরিস্থিতি কেমন এ বিষয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা এখানে নিরাপদে আছি। এখনও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা অনেকেই এখানে আছেন। হামলা মূলত হচ্ছে ইরানের উত্তরাঞ্চলে, আমরা আছি দক্ষিণের দিকে। মাশহাদে হামলা হয়েছে, বন্দর আব্বাসে হয়েছে। তবে, আমাদের এদিকে এখনও হয়নি। আমরা সেফ আছি।’   এর আগে ফেব্রুয়ারি-মার্চে শুরু হওয়া হামলার ধ্বংসাবশেষ নিজ চোখে দেখেছেন বলেও জানান পাটওয়ারী। বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি-মার্চে চালানো হামলায় অনেক ভবন ধসে পড়েছে, সেগুলো দেখেছি। তবে বর্তমানে এখানে মানুষের জীবনযাত্রা, সবকিছুই স্বাভাবিক আছে। অস্বাভাবিক কিছু এখনও চোখে পড়েনি। যেভাবে মিডিয়ায় আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাস্তবে এ ধরনের কোনো কিছু দেখছি না।’

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১০, ২০২৬

বৃষ্টির দিন মানেই কি খিচুড়ি, বিরিয়ানি কেন নয়!

ছবি: সংগৃহীত

ব্যাটারিচালিত রিকশা: সড়ক শৃঙ্খলার বড় বাধা

সংগৃহীত ছবি

মুক্তিপণ নিতে এসে আটক এনসিপির দুই নেতা, ছাড়াতে গিয়ে গ্রেপ্তার আরও ৩

0 Comments