বিনোদন

আবারও হুঙ্কার থালাপতির, বললেন তাকে থামানো যাবে না

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৬, ২০২৬

তামিল সিনেমার দাপুটে নায়ক থালাপতি বিজয় এখন আর কেবল বক্স অফিসের রাজা নন—তিনি ধীরে ধীরে তামিল রাজনীতির এক বড় গেম চেঞ্জারে পরিণত হচ্ছেন। গেল বছর ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে যে রাজনৈতিক লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন বিজয়, এ বছর রোববার মামল্লাপুরমে অনুষ্ঠিত তার কৌশলগত বৈঠকে সেই লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে।


সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা নিজের নতুন সিনেমা ‘জানা নায়াগান’-এর মুক্তিতে বাধা—কোনো কিছুই তাকে পিছু হটাতে পারেনি। বরং চাপ যত বেড়েছে, বিজয় ততই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে সামনে এসেছেন। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—এই সংগ্রাম কেবল নির্বাচনের জন্য নয়, এটি গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই। যারা এই যুদ্ধে অংশ নেবে, তারাই তার ‘কমান্ডো’।
বিজয় শুধু কেন্দ্রীয় সরকারকেই নয়, তামিলনাড়ুর স্থানীয় দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তিকেও কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন। ডিএমকেকে তিনি আখ্যা দিয়েছেন ‘অশুভ শক্তি’ হিসেবে, আর এআইএডিএমকেকে বলেছেন ‘দুর্নীতিগ্রস্ত শক্তি’। তার দাবি, এই দুই শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস একমাত্র তার দল—তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)-এরই আছে।
বর্তমান রাজনীতি নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিজয়। তার মতে, আজকের রাজনীতিবিদরা দ্রাবিড় আন্দোলনের অন্যতম আদর্শ নেতা ও তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিএন অন্নাদুরাই—‘আন্না’র আদর্শ থেকে বহু দূরে সরে গেছেন।
এই মুহূর্তে বহুমুখী চাপের মধ্যেই রয়েছেন থালাপতি বিজয়। গেল বছর কারুরে তার এক সমাবেশে পদদলিত হয়ে ৪১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তাকে দিল্লিতে দু’দফা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পাশাপাশি তার আসন্ন সিনেমা ‘জানা নায়াগান’-এর মুক্তিতে বাধা দিয়েছে সেন্সর বোর্ড। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা কাটাতে তিনি ইতোমধ্যেই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, বিজয়ের ক্রমশ উচ্চকিত রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর দমন করতেই এসব আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু এত কিছুর পরও একথা স্পষ্ট—থালাপতি বিজয় দমে যাওয়ার মানুষ নন। বরং প্রতিটি বাধাই তাকে আরও দৃঢ় করে তুলছে তামিল রাজনীতির ময়দানে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
অভিনেত্রী এজে ইর্তেম। ছবি - সংগৃহীত
জন্মদিনের আনন্দের মাঝেই না ফেরার দেশে অভিনেত্রী

তুর্কি টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ, ‘ওয়ান লাভ’ সিরিয়ালের ইশিল চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া অভিনেত্রী এজে ইর্তেম আর নেই। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তুর্কি শোবিজ অঙ্গনে। জন্মদিন উদযাপনের কয়েক ঘণ্টা পরই বাসায় নিথর অবস্থায় পাওয়া যায় এই অভিনেত্রীকে। মেয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মা নুরিয়ে ইর্তেম। হঠাৎ এই মৃত্যু ঘিরে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক ও নানা প্রশ্ন।   এজে ইর্তেমের মা নুরিয়ে ইর্তেম জানান, রোববার বিকেলে বাসার পাশে একটি ভেন্যুতে জন্মদিনের আয়োজনে অংশ নেন মা ও মেয়ে। সেখানে কেক কাটা হয়। রাত ৮টা ৩৬ মিনিটে তারা বাসায় ফেরেন। পরদিন সকালে নাশতার জন্য মেয়েকে ডাকলে কোনো সাড়া পাননি।   নুরিয়ে ইর্তেম বলেন, ‘আমি তার ঘরে ঢুকে দেখি মুখ থেকে অস্বাভাবিক ধরনের তরল বের হচ্ছিল। রাতে সে অনেক অ্যালকোহল পান করেছিল এবং শক্তিশালী অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধও সেবন করেছিল।’   এজে ইর্তেম আত্মহত্যা করেছেন কি না, তা নিয়েও রহস্য তৈরি হয়েছে। তবে এজে ইর্তেমের আইনজীবী বলছেন, প্রাথমিকভাবে তারা সন্দেহ করছেন, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারেন তিনি।   আইনজীবী জানান, ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আত্মহত্যার গুঞ্জবও নাকচ করে করেছেন আইনজীবী। ইজমির শহরে এজে ইর্তেমের শেষকৃত্য হবে। সেখানেই তাকে সমাহিত করা হবে।   ১৯৯১ সালের ১৪ জুন তুরস্কের সিভাস শহরে এজে ইর্তেমের জন্ম। তিনি ইয়াশার ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন। ২০১৪ সালে ‘কাচাক গেলিনলার’ সিরিয়াল নিয়ে অভিনয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ‘ও হায়াত বেনিম’, ‘শেরেফ মেসেলেসি’সহ বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন।   ‘ওয়ান লাভ’ সিরিয়ালে ইশিল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। দর্শকপ্রিয় এই তুর্কি ধারাবাহিকে অভিনয় করে তিনি দেশের উদীয়মান পর্দা-তারকাদের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৬, ২০২৬
রাজ রিপা ও 'ময়না' সিনেমার দৃশ্য। ছবি - সংগৃহীত

ভারতে মুক্তি পাচ্ছে রাজ রিপার প্রথম সিনেমা ‘ময়না

মোশাররফ করিম। ছবি - সংগৃহীত

মোশাররফ করিমের ওপর হামলার খবর কতটা সত্য? জানালেন জুঁই

পরীমনি । ফাইল ছবি।

বেনজীর ইস্যুতে পরীমনির রহস্যময় পোস্ট, শুরু জল্পনা

পারশা মাহজাবীন পূর্ণি। ফাইল ছবি।
কবে থেকে আর্জেন্টিনার ভক্ত, জানালেন পারশা

এ মুহূর্তে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ফুটবল উন্মাদনায় সারা বিশ্ব। থেমে নেই বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকারাও। নিজেদের প্রিয় দল নিয়ে মেতে উঠেছেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবীন পূর্ণি আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।  প্রিয় দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।    ফুটবল নিয়ে সেই চিরচেনা ভালোবাসার কথা এবার অকপটে স্বীকার করলেন জেন-জির জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবীন পূর্ণি। ছোটবেলা থেকেই লাতিন আমেরিকার ফুটবল পরাশক্তি আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক তিনি। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে নিজের ফুটবল প্রেমের কথা শোনালেন এ সংগীতশিল্পী।    আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল মাঠ এবং মাঠের বাইরের এই চিরচেনা ফুটবল বৈরিতা বা দ্বৈরথ বেশ আনন্দ দেয় বলে জানান এ সংগীতশিল্পী। পারশার মাহজাবীন পূণি বলেন, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুদলের ম্যাচ মানেই মাঠের বাইরে ভক্ত-সমর্থকদের মাঝে কথার লড়াই, আবার কখনো তা হাতাহাতিতেও রূপ নেয়।    তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোলাগা প্রসঙ্গে পারশা মাহজাবীন পূর্ণি বলেন, আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করি ছোটবেলা থেকে। আমার বড় ভাই দেখতাম যে পতাকা নিয়ে আসত অনেক বড় বড়। তো বাসায় যে রকম পতাকা লাগাত, ওই জায়গা থেকে আর্জেন্টিনার প্রতি একটা আলাদা ভালোবাসা।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

নিজ ঘর থেকে তরুণ অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ঐশী,তানজিন তিশা ও শাকিব খান। ছবি - সংগৃহীত

দুই নায়িকাকে নিয়ে ব্যাংকক সফরে শাকিব খান

শাবানা। ছবি - সংগৃহীত

রূপালি পর্দার রানি, দর্শকের ভালোবাসায় আজও শাবানা

ছবি: সংগৃহীত
দুবাইয়ে বেনজীর আটক: ‘মজা’ লিখে পোস্ট করলেন পরীমনি

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ-এর গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি।   রোববার দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি সংবাদ ফটোকার্ড শেয়ার করেন পরীমনি। পোস্টটির ক্যাপশনে তিনি মাত্র একটি শব্দ লেখেন—‘মজা’। সংক্ষিপ্ত এই মন্তব্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।   যদিও নিজের মন্তব্যের বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি অভিনেত্রী, তবে অনেক নেটিজেন মনে করছেন, অতীতে আলোচিত বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে তার এই প্রতিক্রিয়া এসেছে।   সূত্র জানায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে আটক করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছিল।   ২০২৪ সালের মে মাসে দেশ ছাড়ার পর থেকে সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা জনসমক্ষে খুব একটা দেখা দেননি। তিনি ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও ছিলেন।   বেনজীর আহমেদকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া এলেও সামাজিক মাধ্যমে পরীমনির এক শব্দের মন্তব্যই সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৪, ২০২৬

করণ-আদিত্যর বারণ সত্ত্বেও ‘লাগান’ ছবির শুটিং করেন আমির

দেশ ছাড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ‘বনলতা সেন’, ৫ শহরে মুক্তির ঘোষণা

সংগৃহীত ছবি

যারা অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে, তাদেরকে অনেক দর্শক চেনেই না : মনিরা মিঠু

0 Comments