বিনোদন

মুক্তি পাচ্ছে থ্রিলার ’গ্যাড়াকল’–এর ট্রেলার

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১৪, ২০২৫ 0
সামিরা খান মাহি - ছবি : সংগৃহীত
সামিরা খান মাহি - ছবি : সংগৃহীত

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে প্রকাশ পেয়েছে ’গ্যাড়াকল’–এর ট্রেলার। সেখানে নানা দৃশ্য আর সংলাপে উঠে এসেছে, ক্যাম্পাস, জাস্টিস, ভালোবাসা, ভুল মানুষকে ভালোবাসার মতো বিষয়। ’সত্য ততোটুকু সত্য নয়, যতটা চোখে দেখা যায়’– এমন একটি সংলাপ দিয়ে শুরু হয় ট্রেলারটি। এমন নানান কিছু নিয়ে এগিয়েছে ফ্ল্যাশ ফিকশনটি।


এটি নির্মাণ করেছেন নবীন নির্মাতা রাকায়েত রাব্বি। তিনি জানান, ’গ্যাড়াকল’–এর গল্প তার আশেপাশের ঘটনা থেকেই নেয়া। গল্পটি খুব অন্যরকম এমন নয়, তবে পরিচিত গল্পকে একটু অন্যরকমভাবে পরিবেশনের চেষ্টা করেছেন তিনি। রাকায়েত রাব্বি বলেন, ’জীবনে তো কত রকমের ঘটনা ঘটে। সেসব ঘটনার অনেক কিছুই বলা যায় না, প্রকাশ করা যায় না। কিন্তু এর প্রভাব রয়ে যায় সারা জীবন। এমনই একটি ঘটনার বর্ণনা রয়েছে ”গ্যাড়াকল”–এর গল্পে। শিক্ষা জীবন এবং পরবর্তী সময়ের কথা বলা হয়েছে এখানে। আশা করছি ভালো লাগবে দর্শকদের।’

 

মিস্ট্রি–থ্রিলার ঘরানার ’গ্যাড়াকল’–এর গল্প এগিয়েছে রিমি, অনিক ও মোশতাক–ক রিমি আর অনিক ঘুরতে যায়। সেখানে গিয়ে পরিচয় হয় মোশতাক নামের এক চিত্রশিল্পীর। তারা একে–ওপরের কাছে আসতে থাকেন। ভেঙে পড়তে শুরু করে রিমি–অনিকের সম্পর্ক। কিন্তু এই সম্পর্কগুলো কতোটুকু সত্য? চোখে যতটুকু দেখা যায়, তার সবই কী সত্যি? জানতে দেখতে হবে ’গ্যাড়াকল’। চরকিতে কনটেন্টটি মুক্তি পাবে ১৫ অক্টোবর রাত ১২টা ১ মিনিটে (১৬ অক্টোবর)।

 

’গ্যাড়াকল’–এ রিমি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামিরা খান মাহি। অনিক ও মোশতাক চরিত্রে আছেন আবু হুরায়রা তানভীর এবং ইন্তেখাব দিনার। মোশতাক চরিত্রের স্ত্রী–এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুষমা সরকার। আছেন হুমায়রা স্নিগ্ধা, শিহাব, সাদি শুভ। নাজিম উদ দৌলার গল্প ও সংলাপে এর চিত্রনাট্য করেছেন নির্মাতা।

 

সামিরা খান মাহি অভিনীত রিমি চরিত্রটির একাধিক ধরণ ও ঢং রয়েছে। কখনও তিনি সাধারণ কখনও একটু অসাধারণ। সামিরা খান মাহি বলেন, ’চরিত্রের প্রয়োজনে নানা রূপে পর্দায় আসতে হয়। নানা রূপে নিজেকে প্রস্তুত ও উপস্থাপন করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং এবং আমার এটা করতে ভালো লাগে। ”গ্যাড়াকল”–এ আমার চরিত্রটি একটু রহস্যময়। কনটেন্টের বেশিরভাগ সময় আমাকে দেখা যাবে বেশ ফ্যাশনেবল লুকে, অল্প সময়ের জন্য আমি আবার অন্যরকম লুকে হাজির হব। দর্শকরা প্রথমে চরিত্রটিকে ভুল বুঝলেও পরে কারণটা বুঝতে পারবেন।’

 

এর আগে ফ্ল্যাশ ফিকশন এর ব্যাখ্যায় চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি জানিয়েছিলেন, ফ্ল্যাশ ফিকশন মূলত জীবনের কিছু মুহূর্তের নান্দনিক বা সিনেম্যাটিক বর্ণনা। এটাকে স্লাইস অফ লাইফও বলা যেতে পারে। এ ধরনের কনটেন্টে জীবনের ছোট ছোট ঘটনা উঠে আসবে হয়তো, কিন্তু এর প্রভাব অনেক বড় এবং গভীর। ব্যাপ্তির দিক থেকেও ফ্ল্যাশ ফিকশন ছোট কিন্তু দর্শকদের মনে এর রেশ রয়ে যাবে বা বড় হয়ে ধরা দেবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
তানিয়া বৃষ্টি। ছবি : সংগৃহীত
ব্রেন টিউমারের সফল অস্ত্রোপচার শেষে বাসায় তানিয়া বৃষ্টি

ব্রেন টিউমারের সফল অস্ত্রোপচার শেষে অবশেষে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। রাজধানীর একটি হাসপাতালে গত রোববার তার এই জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এরপর ৭২ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার তাকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা। তানিয়া বৃষ্টির বাসায় ফেরার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা সকাল আহমেদ। তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর বর্তমানে নিজের বাসাতেই পূর্ণ বিশ্রামে আছেন এই অভিনেত্রী। এর আগে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ করেই নিজের অসুস্থতার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান তানিয়া। হাসপাতালের বিছানায় বসা একটি ছবি শেয়ার করে তিনি জানিয়েছিলেন, পরদিন তার মাথায় অস্ত্রোপচার হবে। সে সময় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে নিজের সুস্থতার জন্য দোয়াও চেয়েছিলেন তিনি। এদিকে, অভিনেত্রীর বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে একটি বিবৃতির মাধ্যমে আপাতত কাজ বা শুটিং সংক্রান্ত বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার এখন সম্পূর্ণ বিশ্রাম ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা প্রয়োজন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার পর তানিয়া নিজেই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করবেন যেভাবে

ছবি : সংগৃহীত

ইফতারে কাঁচা না সেদ্ধ ছোলা কোনটিতে বেশি পুষ্টি জানালেন পুষ্টিবিদ

সোহম চক্রবর্তী । ছবি : সংগৃহীত

‘টাকা ফেরত চাইলেই হুমকি’, সোহমের বিরুদ্ধে আত্মসাতের মামলা

‘ঘরোয়া ইফতার’ নিয়ে পর্দায় হাজির নিরব-বর্ষা-আশরাফুলরা । ছবি : সংগৃহীত
‘ঘরোয়া ইফতার’ নিয়ে পর্দায় হাজির নিরব-বর্ষা-আশরাফুলরা

পবিত্র রমজান উপলক্ষে দর্শকদের জন্য তারকাদের নিয়ে এক ব্যতিক্রমী আয়োজন সাজিয়েছে চ্যানেল ২৪। ‘আকিজ অ্যাসেন্সিয়াল ঘরোয়া ইফতার’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রতিদিন বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে তারকারা হাজির হচ্ছেন তাদের পছন্দের ইফতার রেসিপি নিয়ে। ভিন্নধর্মী এই রান্নার অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন শোবিজ ও ক্রীড়াঙ্গনের জনপ্রিয় মুখেরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক নিরব, চিত্রনায়িকা বর্ষা, ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল, নারী ফুটবলার সানজিদা আক্তার, সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী, আগুন, প্রতীক নবী, তানজীব সারোয়ার, আতিয়া আনিসা এবং উপস্থাপক ও চিকিৎসক শ্রাবণ্য। তারকারা দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করছেন সহজে তৈরি করা যায় এমন সব পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ঘরোয়া ইফতার আইটেম। অনুষ্ঠানটিতে স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করছেন খ্যাতনামা রন্ধনশিল্পী টনি খান, মামুন চৌধুরী এবং আবু সাঈদ। তারা খাবারের পুষ্টিমান ও স্বাস্থ্যবিধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। আয়োজকরা জানান, নিছক বিনোদন নয়, বরং রমজানে দর্শকদের স্বাস্থ্যসচেতন ইফতার তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
বাবাকে হারালেন চিত্রনায়িকা মৌমিতা মৌ । ছবি : সংগৃহীত

বাবাকে হারালেন চিত্রনায়িকা মৌমিতা মৌ

সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও সুনীল মালহোত্রা । ছবি : সংগৃহীত

বাবার বিদায়ে আবেগঘন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা

ভালোবাসি বলতে চাই গানের পোস্টার । ছবি - সংগৃহীত

পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান 'ভালোবাসি বলতে চাই'

বিজয় দেবরকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা । ছবি : সংগৃহীত
ফাঁস হলো বিজয়-রাশমিকার বিয়ের কার্ড, বিয়ে কবে!

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন নতুন মোড় নিয়েছে। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তাদের কথিত বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র। কার্ড অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৬ তারিখেই সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন তারা।   ফাঁস হওয়া কার্ডে দেখা যায়, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরের এক ঐতিহাসিক প্রাসাদে বসছে তাদের বিয়ের আসর। পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত ব্যক্তিগত পরিসরে এই আয়োজন সম্পন্ন হবে। তবে কার্ডটির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। জানা গেছে, বিয়ের পর আগামী ৪ মার্চ হায়দ্রাবাদের কৃষ্ণা বানজারা হিলস এলাকায় একটি প্রীতিভোজের আয়োজন করা হতে পারে। এদিকে রবিবার রাতে হায়দ্রাবাদ বিমানবন্দরে দুজনকে আলাদাভাবে দেখা যাওয়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে। ভক্তদের ধারণা, গোপন গন্তব্যে বা বিয়ের প্রস্তুতির জন্যই হয়তো তারা রওনা হয়েছেন। ২০১৭ সালে ‘গীত গোবিন্দম’ সিনেমার সেটে পরিচয় এবং পরে ‘ডিয়ার কমরেড’-এ কাজের সুবাদে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। গত বছর তাদের বাগদানের গুঞ্জন শোনা গেলেও প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলেননি। এখন ২৬ ফেব্রুয়ারি সত্যিই সানাই বাজে কি না, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
মান্না। ছবি : সংগৃহীত

‘গণমানুষের মহানায়ক’ মান্না

সংগৃহীত ছবি

পাঙ্গাশ মাছ নিয়ে এত ভয় কেন? জানুন কারণ

সাদিয়া আয়মান। ছবি : সংগৃহীত

হারিয়ে যাওয়া মানুষকে মনে রাখি না : সাদিয়া

0 Comments