জাতীয়

পুলিশের ওপর মব হামলা বাড়ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

শাহ মোঃ সিজু মিয়া অক্টোবর ১১, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে গত এক বছরের বেশি সময় ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সারা দেশে ক্রমবর্ধমান ‘মব’ হামলার ঘটনায় শুধু সাধারণ মানুষ নয়, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও হামলার শিকার হচ্ছেন। অনেক ঘটনার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে।

 

গত এক সপ্তাহেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ওপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ফলে নতুন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নরসিংদীতে সড়কে চাঁদাবাজির সময় আটক ব্যক্তিদের ছিনিয়ে নিতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলায় এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহত হন। সিলেটে শাহপরান থানার ওসিসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। একইভাবে, কোম্পানীগঞ্জে মব হামলায় পাঁচ পুলিশ আহত হন। ফেনীর সোনাগাজীতে গ্রেফতার অভিযান চলাকালে আসামিরা পুলিশের কাছ থেকে ওয়াকিটকি ও শটগান ছিনিয়ে নেয়; এ ঘটনায় ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

এছাড়া, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবৈধ অটোরিকশা আটককে কেন্দ্র করে প্রায় ৬০ জনের একটি দল ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অটোরিকশা ছিনিয়ে নেয়। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে চোরাই মোবাইল উদ্ধারে গেলে পুলিশের ছয় সদস্য হামলার শিকার হন।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১৪ মাসে পুলিশের ওপর হামলার ১৯৫টি ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হামলার সংখ্যা ছিল ৩১, যা আগস্টে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১—অর্থাৎ এক মাসেই দ্বিগুণ বৃদ্ধি।

 

এসব হামলার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সারা দেশে ৪৪টি ঘটনায় ৩৯ জন আসামিকে রাজনৈতিক প্রভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহে ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে মাজার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা দিতে গিয়ে পুলিশও হামলার মুখে পড়েছে।

 

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশের ভেতরে নীতিনির্ধারণী পর্যায় ও মাঠপর্যায়ের মধ্যে সমন্বয়হীনতা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করছে। তাদের মতে, এই দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, “পুলিশের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের অভাব এবং দুর্বল প্রতিক্রিয়া অপরাধীদের উৎসাহিত করছে। তারা জানে, হামলা করলে তেমন প্রতিক্রিয়া হবে না।”

 

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ও পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে পুলিশ বাহিনীর মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। এসব বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তারা জানিয়েছে।

 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ‘মব’ সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে। তবে মাঠপর্যায়ের পুলিশের আত্মরক্ষামূলক অবস্থান ও হামলার পুনরাবৃত্তি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
ওয়াসাকে নির্দেশ দিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ওয়াসার সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প সময়মতো বাস্তবায়ন ও সেবার মান বাড়ানো এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।   শনিবার (১১ এপ্রিল) স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে সব ওয়াসার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছাতে কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে এবং কাজের মান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি ওয়াসার কার্যক্রম পরিচালনায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।   সভায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী ওয়াসার বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রতিমন্ত্রী এসব সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করে সমন্বিত উদ্যোগে সমাধানের ওপর জোর দেন।   মীর শাহে আলম বলেন, প্রকল্প গ্রহণের আগে সম্ভাব্যতা যাচাই আরও সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে, যাতে বাস্তবায়নের সময় কোনো জটিলতা তৈরি না হয়। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রমের নিবিড় তদারকির নির্দেশ দেন তিনি।   শিগগিরই ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগের ওয়াসার প্ল্যান্ট পরিদর্শন করবেন। এর মাধ্যমে বাস্তব অবস্থা যাচাই করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।   এ সময় সরকারি কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি ওয়াসার সেবামূলক কার্যক্রম জনগণের কাছে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।   স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২৮ দিনে হামে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ১৯ হাজার

ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: অপরাধ করলে কাউকে ছাড় নয়—সংস্কৃতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাটে জমি বিরোধে বোনের আঘাতে ভাই নিহত, আটক ২

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, তবে সিন্ডিকেটের পুরোনো আশঙ্কা কাটছে না

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। এতে নতুন করে আশার সঞ্চার হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবারও সিন্ডিকেটের প্রভাব ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।   সম্প্রতি কুয়ালালামপুরে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠকে ‘বিশ্বাসযোগ্য’ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই শর্ত আবারও সীমিত কিছু এজেন্সির হাতে পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি করতে পারে।   সরকারি সূত্র বলছে, এবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। মালয়েশিয়া একটি এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে, যার লক্ষ্য মধ্যস্বত্বভোগী কমানো, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস এবং নিয়োগকর্তার মাধ্যমে সব খরচ বহন নিশ্চিত করা।   তবে অভিবাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, আগের সমঝোতা স্মারকের মতো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে আবারও সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। কারণ অতীতে এ ধরনের ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু এজেন্সি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, যার ফলে সাধারণ কর্মীদের ভোগান্তি বেড়েছিল।   বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান উদ্যোগগুলো আগের সিন্ডিকেট ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।” তার দাবি, ‘বিশ্বাসযোগ্য’ এজেন্সির নামে সীমিত গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।   অন্যদিকে, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর মনে করেন, যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া শ্রমবাজার খুললে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হবে। তার মতে, আগের চুক্তিগুলোর দুর্বলতা যাচাই করে নতুন কাঠামো তৈরি করা জরুরি ছিল।   প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে কাজ করছে। নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে এবারের প্রক্রিয়াকে কার্যকর করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩১ মে থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ রয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৫১ হাজারের বেশি কর্মী দেশটিতে গিয়েছিলেন।   সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন করে বাজার খোলার এই উদ্যোগ সফল করতে হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় পুরোনো সংকট আবারও ফিরে আসতে পারে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নাগরিক সেবা নিয়ে প্রথমবারের মতো টাউন হল সভা করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে ঢাকায় আইসিসিআর দিবস উদযাপন

লেবাননে ইসরাইলি হামলার নিন্দা ঢাকার; বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুতে শোক

ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আগামী ১৪ এপ্রিল

আগামী ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে প্রি-পাইলট কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। আজ (শনিবার) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক চিঠিতে জানায়, এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের ১১টি উপজেলায় একযোগে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হবে।  উপজেলাগুলো হল: টাঙ্গাইল সদর; পঞ্চগড় সদর; পঞ্চগড়ের বোদা; বগুড়ার শিবগঞ্জ; ঝিনাইদহের শৈলকুপা; পিরোজপুরের নেছারাবাদ; কক্সবাজারের টেকনাফ; কুমিল্লার আদর্শ সদর; জামালপুরের ইসলামপুর; রাজাবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং  মৌলভীবাজার জুড়ী।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মেধা ও মননশীলতায় বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির

ছবি : সংগৃহীত

দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইন্টার্ন চিকিৎসকদের

ছবি : সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসনে আন্দোলনকর্মী ও যোগ্যদেরই প্রাধান্য দেবে বিএনপি: রিজভী

0 Comments