বিশ্ব

উত্তর আটলান্টিকে রাশিয়ার তেলের ট্যাংকার জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ০৮, ২০২৬

ভেনেজুয়েলা উপকূল থেকে ধাওয়া করে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে রাশিয়ার একটি তেলের ট্যাংকার জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবারের এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মস্কো।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

ওয়াশিংটনের দাবি, জাহাজটি একটি ‘ছায়া নৌবহরের’ অংশ। এটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভেনেজুয়েলা, রাশিয়া ও ইরানের তেল পরিবহন করছিল। জাহাজটির পাহারায় রাশিয়ার নৌবাহিনী থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

গত মাসে তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার কাছে জাহাজটিকে একবার আটকের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তখন সেটি পালিয়ে যায়।

মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে জাহাজটি জব্দ করা হয়। 

পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ এক বার্তায় বলেন, ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর মার্কিন অবরোধ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তেই কার্যকর থাকবে।

রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় এই ঘটনার সমালোচনা করে বলেছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌচলাচলের স্বাধীনতা সবারই রয়েছে। 

এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাহাজে থাকা রুশ ক্রুদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানালেও হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বিচারের জন্য তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

‘বেলা-১’ নামের এই জাহাজটি সম্প্রতি নাম পরিবর্তন করে ‘মারিনেরা’ রাখা হয়। জাহাজটিতে রাশিয়ার পতাকাও আঁকা ছিল। তবে হোয়াইট হাউস একে ‘রাষ্ট্রহীন’ জাহাজ হিসেবে অভিহিত করেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও জানায়, ক্যারিবীয় সাগরে দ্বিতীয় আরেকটি ট্যাংকার জব্দ করা হয়েছে। এ নিয়ে গত এক মাসে মোট চারটি জাহাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিল ওয়াশিংটন। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ওমান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে মার্কিন হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।   মঙ্গলবার আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানি জাহাজ ‘লিয়ান স্টার’-এর প্রতিশোধ হিসেবে ‘এমএসসি সারিসকা’ নামের একটি কার্গো জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।   আইআরজিসির দাবি, পানামার পতাকাবাহী এমএসসি সারিসকা ইরাকের উপকূলসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। হামলায় জাহাজটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওমান সাগরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচলরত ইরানি জাহাজ ‘লিয়ান স্টার’-এর ইঞ্জিন কক্ষে গত শুক্রবার একটি হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে মার্কিন বাহিনী। এতে জাহাজটি অচল হয়ে পড়ে।   এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সামুদ্রিক সন্ত্রাসবাদের’ অভিযোগ তুলেছে তেহরান।   আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, এ অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর যেকোনো নতুন আগ্রাসনের জবাব দ্রুত ও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।   এদিকে ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগর অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান ফের দাবি করেছে, দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের জবাব তারা শক্তভাবে দেবে।    সূত্র : প্রেস টিভি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

একীভূত হচ্ছে মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক বাহিনী

সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত মসজিদুল হারাম | ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে আগামী বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় কী কী পরিবর্তন আসছে

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: ইরান

সামরিক মহড়া চালাচ্ছে চীনের বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিং। ছবি : সংগৃহীত
প্রশান্ত মহাসাগরে সামরিক মহড়া চালাল চীন

  ফিলিপাইনের পূর্ব উপকূলসংলগ্ন প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের বিমানবাহী রণতরী বহরের সামরিক মহড়া পরিচালনার তথ্য জানিয়েছে জাপান। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার (১ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের বিমানবাহী রণতরী লিয়াওনিং এবং এর সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো ২৬ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমায় অবস্থান করে। জাপান মেরিটাইম সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স জানায়, ওই সময়ে রণতরীভিত্তিক যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার প্রায় ১৭০ বার উড্ডয়ন ও অবতরণ মহড়া পরিচালনা করে। চীনা নৌবহর পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টহল দেওয়ার সময় জাপানের মিয়াকোজিমা দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় ৫৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত এগিয়ে আসে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, শুক্রবার লিয়াওনিং রণতরীটি ফিলিপাইনের উপকূল বরাবর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। তবে এরপর এর গতিবিধি সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে, তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও লিয়াওনিংয়ের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে। তাইওয়ানের দাবি, গত এপ্রিলে রণতরীটি তাইওয়ান প্রণালি অতিক্রম করে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ জাপান ও ফিলিপাইনের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে সামুদ্রিক তৎপরতা বাড়িয়েছে চীন। এর অংশ হিসেবেই সাম্প্রতিক এই মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র : রয়টার্স

মারিয়া রহমান জুন ০১, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী কালিতা মাঝি। ছবি : সংগৃহীত

গৃহকর্মী থেকে সোজা মন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গে কালিতা মাঝির ইতিহাস

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় উল্লম্ফন, বেড়েছে ২ শতাংশের বেশি

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সামরিক জোটে যোগ দিতে পারবে ইসরাইলও, মানতে হবে এক শর্ত

ছবি: সংগৃহীত
নিরাপত্তা সম্মেলনে চীনকে পরোক্ষ কটাক্ষ জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

 চীনের সমালোচনার জবাবে সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার করেছেন জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিঞ্জিরো কোইযুমি। রোববার সিঙ্গাপুরে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে চীনকে কটাক্ষ করেন।   সিঙ্গাপুর থেকে এএফপি জানায়, প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বে জাপান আরও সক্রিয় প্রতিরক্ষা নীতির দিকে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তিবাদী অবস্থান থেকেও ধীরে ধীরে সরে আসছে দেশটি। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রেরও সমর্থন রয়েছে।   জাপানের এ নীতিগত পরিবর্তনের সমালোচনা করে আসছে চীন। বেইজিংয়ের অভিযোগ, টোকিও ‘নয়া সামরিকবাদের’ ঝুঁকিপূর্ণ নীতি অনুসরণ করছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে।   এর জবাবে কোইযুমি বলেন, ‘এটির কোনো সত্যতা নেই।’   সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত বার্ষিক শাংরি-লা ডায়ালগে তিনি বলেন, ‘একবার ভেবে দেখুন। একটি দেশ রয়েছে, যার কাছে বিপুল পরিমাণ পারমাণবিক অস্ত্র ও কৌশলগত বোমারু বিমান রয়েছে।’   তিনি বলেন, ‘জাপানের কাছে এ ধরনের কোনো অস্ত্র নেই। তবু জাপানকে নতুন সামরিকবাদী রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। এটি কি অদ্ভুত নয়?’   তবে বক্তব্যে তিনি সরাসরি চীনের নাম উল্লেখ করেননি।   ধারণা করা হয়, চীনের কাছে শত শত পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি দ্রুত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে।   কোইযুমি বলেন, চীন পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা ছাড়াই সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। দেশটির সামরিক কর্মকা- জাপানের জন্য ‘গুরুতর উদ্বেগের বিষয়’।   তিনি বলেন, টোকিও ধারাবাহিকভাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং উচ্চমাত্রার স্বচ্ছতা বজায় রেখে তা আপডেট করবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মানববিহীন ব্যবস্থা, সাইবার নিরাপত্তা ও মহাকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেও এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।   কোইযুমি বলেন, ‘শান্তিপ্রিয় রাষ্ট্র হিসেবে জাপানকে অতীতে এ অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মূল্যায়ন করেছে। মিথ্যা দাবির কারণে এ বাস্তবতা বদলে যাবে না, কারণ এটি সত্য।’   শাংরি-লা ডায়ালগ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা বিষয়ক ফোরাম। এতে প্রায় ৪৫টি দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।   জাপান ও তার মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে চীন এবারও তুলনামূলক নিম্নপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুন এ সম্মেলনে অংশ নেননি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের নতুন অভিযান ‘পোড়ামাটি নীতি’: নাওয়াফ সালাম

ছবি: সংগৃহীত

নরওয়ের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিলের ঘটনায় মালয়েশিয়ার ক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

খসড়া প্রস্তাবে ১২শ’ কোটি ডলারের সম্পদ ছাড়ের দাবি ইরানের : রাষ্ট্রীয় টিভি

0 Comments