প্রবাসী

বৈরুতে জুয়া নিয়ে বিরোধ, ১০ বাংলাদেশি আটক; আইন মানার আহ্বান দূতাবাসের

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির জেনারেল সিকিউরিটি। একই সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র না থাকার অভিযোগও উঠেছে। ঘটনার পর লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় আইন মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

 

দূতাবাস ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বুধবার ভোরে বৈরুতের জাল আল-ব্লাত এলাকার একটি ভাড়া বাসায় জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন বাংলাদেশির মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও উচ্চস্বরে ঝগড়া শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চিৎকার-চেঁচামেচিতে বিরক্ত হয়ে স্থানীয় প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেন।

 

পরে পুলিশ ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে ১০ বাংলাদেশিকে আটক করে। দূতাবাসের প্রতিনিধিরা বিষয়টি জানতে সেখানে গেলে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের কারও কাছেই লেবাননে বৈধভাবে বসবাসের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই।

 

জুয়া ও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের পাশাপাশি অবৈধভাবে বসবাসের বিষয়টি সামনে আসায় তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

 

দূতাবাসের সতর্কবার্তা:

ঘটনাটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) ও দূতালয়প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন প্রবাসীদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, কয়েকজনের অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে বিদেশে থাকা পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আগেও বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সতর্ক করা হলেও কিছু ব্যক্তি এসব নির্দেশনা অমান্য করে অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন।

প্রবাসীদের জুয়া ও মাদক থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি অসামাজিক কর্মকাণ্ড, উচ্চস্বরে ঝগড়াঝাঁটি, জাল ভিসা ও প্রতারণার মতো কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে স্বাগতিক দেশের আইন ও বিধিবিধান কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।

 

অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ:

তবে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের সহযোগিতার কথাও জানানো হয়েছে। দূতালয়প্রধান বলেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অবৈধ প্রবাসীদের শনাক্ত করতে তল্লাশি জোরদার করলেও বর্তমানে তাঁদের বৈধ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

যেসব বাংলাদেশি কাজের জন্য কফিল বা নিয়োগকর্তা পেয়েছেন, কিন্তু পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বৈধ হতে পারছেন না, তাঁদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে দূতাবাস। এমনকি কারও কাছে শুধু পাসপোর্টের ফটোকপি থাকলেও নতুন পাসপোর্ট পেতে দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক প্রবাসী এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৈধ হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদেশে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি দেশের প্রতিনিধি। তাই নিজেদের মধ্যে বিরোধ এড়িয়ে যেকোনো সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। বিশেষ করে গভীর রাতে উচ্চস্বরে কথা বলা, চিৎকার-চেঁচামেচি ও ঝগড়াঝাঁটি থেকে বিরত থাকার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আরব আমিরাতে লটারির টিকিট কিনে লাখ দিরহাম জিতলেন দুই বাংলাদেশি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনপ্রিয় ‘বিগ টিকিট’ লটারির ২৮৯তম সিরিজে এক লাখ দিরহাম করে জিতেছেন দুই বাংলাদেশি প্রবাসী। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিজনের পুরস্কারের মূল্য প্রায় ৩৩ লাখ টাকার বেশি।   এ ছাড়া ২ কোটি দিরহামের মেগা জ্যাকপট জয়ী ১০ জনের একটি দলের মধ্যেও রয়েছেন এক বাংলাদেশি নাগরিক। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   এক লাখ দিরহাম জয়ীদের একজন ৩৮ বছর বয়সী আরিফুজ্জামান শুভ। তিনি গত ১৭ বছর ধরে আজমানে বসবাস করছেন এবং একটি প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গত দুই বছর ধরে নিয়মিত ‘বিগ টিকিটে’ অংশ নিচ্ছিলেন তিনি।   শুভ জানান, প্রতি মাসে ১০ বন্ধুর একটি দলের সঙ্গে মিলে টিকিট কিনতেন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর কাঙ্ক্ষিত পুরস্কার জিতে তিনি উচ্ছ্বসিত। বিগ টিকিট কর্তৃপক্ষের ফোন পাওয়ার পর কিছু সময় তিনি বিষয়টি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। পুরস্কারের অর্থ ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।   আরও এক বাংলাদেশির ভাগ্যে লাখ দিরহাম: একই ড্রতে এক লাখ দিরহাম সান্ত্বনা পুরস্কার পেয়েছেন আরেক বাংলাদেশি প্রবাসী সবুজ মো. দেলোয়ার মুন্সী। এই সিরিজে মোট পাঁচজন সান্ত্বনা পুরস্কার পেয়েছেন। দুই বাংলাদেশির পাশাপাশি ভারতের কেরালার তিন নাগরিক নিখিল চন্দ্রন, সাইদালাভি ও সারথ শশীধরণও এক লাখ দিরহাম করে পেয়েছেন। অন্যদিকে এবারের মেগা ড্রতে ২ কোটি দিরহামের জ্যাকপট জিতেছেন দুবাইপ্রবাসী ফিলিপিনো নাগরিক রেনাল্ডো হারবসো। তবে তিনি এককভাবে এই অর্থ পাচ্ছেন না। ১০ জনের একটি দল মিলে টিকিটটি কিনেছিল, যার মধ্যে একজন বাংলাদেশিও রয়েছেন। ফলে জ্যাকপটের অর্থের একটি অংশ ওই বাংলাদেশি প্রবাসীরও পাওয়ার কথা রয়েছে।   সামনে আরও বড় পুরস্কার: ‘বিগ টিকিট’ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগস্ট মাসজুড়ে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কারের সুযোগ থাকছে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের ড্রতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে থাকছে দেড় কোটি দিরহাম। একই দিনে আরও পাঁচজন এক লাখ দিরহাম করে জেতার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহের ই-ড্রতে চারজন বিজয়ী ২৫ হাজার দিরহাম করে পুরস্কার পাবেন। আগস্টে টিকিট কেনা অংশগ্রহণকারীরা আগামী ৩ অক্টোবরের ‘দ্য বিগ স্পিন’ প্রতিযোগিতায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত হবেন, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ লাখ দিরহাম জেতার সুযোগ রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বৈরুতে জুয়া নিয়ে বিরোধ, ১০ বাংলাদেশি আটক; আইন মানার আহ্বান দূতাবাসের

দুই বছর চেষ্টার পর বাংলাদেশি প্রবাসী লটারিতে জিতলেন ১ লাখ দিরহাম

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে বাংলাদেশি চালকের মৃত্যু, ভারতীয় চালক আটক

ছবি: সংগৃহীত
খালেদা জিয়ার জন্মদিনে মালয়েশিয়ায় বিএনপির আলোচনা ও দোয়া

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করেছে বিএনপি মালয়েশিয়া শাখা এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।   শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।   আলোচনা সভায় বক্তারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার ভূমিকা তুলে ধরেন। তারা বলেন, সাহস, সততা, দেশপ্রেম ও দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে খালেদা জিয়া দেশের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন।   বক্তারা আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের রাজনৈতিক সংগ্রামে খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা, কারাবরণ ও নির্যাতনের মধ্যেও তিনি দেশের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলে উল্লেখ করেন তারা।   আলোচনা সভা শেষে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।   দোয়া পরিচালনা করেন কুয়ালালামপুরের বুকিট বিন্তাং বাংলা মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আবু তাহের।   অনুষ্ঠানে বিএনপি মালয়েশিয়া এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কেমব্রিজে গোয়াইনঘাট ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের সামার ট্রিপ

ছবি: সংগৃহীত

প্যারিসের ‘জুলাই ডায়লগে’ ঐক্য ও সংস্কারের আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

মদিনায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গেল বাংলাদেশি প্রবাসীর

ছবি: সংগৃহীত
ওমানের ভিসার নামে প্রতারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিজ্ঞাপনে সতর্ক থাকার আহ্বান

‘ওমানের শ্রমবাজার খুলে গেছে’ কিংবা ‘ফ্রি ভিসা দেওয়া হচ্ছে’—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন নানা বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে পড়েছে। এসব প্রচারণায় বিভ্রান্ত হয়ে প্রতারকদের হাতে অর্থ তুলে দেওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে মাস্কাটে বাংলাদেশ দূতাবাস।   সম্প্রতি ওমানি এগ্রিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের একটি সাধারণ বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমানে নতুন করে শ্রমিক নিয়োগ ও ভিসা চালুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, ওই বিজ্ঞপ্তিকে সাধারণ কর্মী নিয়োগ বা ওমানের শ্রমবাজার পুরোপুরি খুলে যাওয়ার সরকারি ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।   দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, বিজ্ঞপ্তিটি মূলত ওমানের আল ধাহিরাহ অঞ্চলে কৃষিকাজের জন্য সীমিত পরিসরে শ্রমিক চাহিদা সংক্রান্ত একটি প্রাথমিক প্রক্রিয়ার অংশ। এর সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ব্যাপকভাবে কর্মী নিয়োগ বা ‘ফ্রি ভিসা’ দেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।   ওমান বর্তমানে ‘ওমানাইজেশন’ নীতির আওতায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো বিজ্ঞাপন বা দালালের কথায় বিশ্বাস করে ভিসা কিংবা চাকরির জন্য অর্থ লেনদেন না করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।   বিশেষ করে ‘ফ্রি ভিসা’, ‘সরাসরি ভিসা’, ‘শ্রমবাজার সম্পূর্ণ খুলে গেছে’ বা দ্রুত বিদেশ যাওয়ার সুযোগ—এ ধরনের আকর্ষণীয় প্রচারণার বিষয়ে প্রবাসী ও বিদেশগামী কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্মসংস্থান বা ভিসা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওমান সরকারের অনুমোদিত সরকারি সূত্রকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যাচাইহীন তথ্যের ওপর নির্ভর করে অর্থ লেনদেন করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার পাশাপাশি বিদেশে যাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটিও জটিল হয়ে পড়তে পারে।   তাই ওমানে চাকরি বা ভিসার সুযোগের নামে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় পাসপোর্ট জালিয়াতি চক্রের সন্ধান, দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের নতুন সংগঠন, সভাপতি সুহেল ও সম্পাদক আশিক

ছবি: সংগৃহীত

আমিরাতে রবিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, ঈদে মিলাদুন্নবী ২৫ আগস্ট

0 Comments