আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অনুনয়? মেলোনি বললেন ‘গল্প ফেঁদেছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৯, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি তুলতে ‘অনুনয়’ করেছিলেন বলে যে দাবি উঠেছে, তা সরাসরি নাকচ করে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেছেন, তিনি বা ইতালি কারো কাছে হাত পাতেন না বা ভিক্ষা করেন না।

 

ছবি তোলার ‘অনুনয়’ বিষয়ক ট্রাম্পের দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘বানোয়াট’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মেলোনি।

 

শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় উল্টো ট্রাম্পের নীতি ও আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী।

 

ছবি তোলা বিষয়ক ট্রাম্পের মন্তব্যে ‘হতবাক’ মেলোনি বলেন, “আমি জানি না মার্কিন প্রেসিডেন্ট বন্ধুদের সঙ্গে কেমন আচরণ করেন। শুধু এটাই বলতে পারি, অত্যন্ত দুঃখজনক যে তিনি পশ্চিমা দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদের বিরুদ্ধে একই ধরনের কঠোরতা দেখান না। ওসব দেশগুলোর নেতাদের প্রতি বরং তিনি অনেক বেশি নমনীয় বা আপসকামী।”

 

চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সের পূর্বাঞ্চলীয় একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প ও মেলোনিকে বেশ ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা করতে দেখা যায়। পরে ইতালির প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক অপরিবর্তিত রয়েছে এবং তাদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি কোনো ক্ষোভ বা অভিযোগ নেই।

 

এর পরেই ট্রাম্প ফোনে ইতালির একটি টেলিভিশনকে দেওয়া বক্তব্যে দাবি করেন, সম্মেলন চলাকালে মেলোনি তার সঙ্গে একটি ছবি তোলার জন্য ‘আক্ষরিক অর্থেই’ মিনতি করেছিলেন। মেলোনির জন্য সে সময় তার ‘মায়া’ লাগছিল।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে ইতালিজুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। ট্রাম্পের মন্তব্যে চরম বিস্ময় প্রকাশ করে মেলোনি ইনস্টাগ্রামে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

 

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই নেতার মধ্যে প্রকাশ্যে এই বাদানুবাদ প্রমাণ করে যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণায় ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর থেকে গত কয়েক মাসে ইতালি ও মেলোনির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্কে বড় ধরনের ‘ফাটল’ ধরেছে।

 

বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির মধ্যে কূটনৈতিক দ্বন্দ্বও শুরু হয়েছে। মেলোনিকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যের পর ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি যুক্তরাষ্ট্রে তার পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করেছেন।

 

বিবিসি লিখেছে, সার্বিক বিষয়ে মন্তব্যের জন্য তারা হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এখনো তারা কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

 

মেলোনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের তীব্র বিরোধিতা করে আসছেন। এর জেরে গত এপ্রিলে ইতালির একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেলোনিকে কটাক্ষ করে ট্রাম্প বলেন, “আমি ভেবেছিলাম সে সাহসী। কিন্তু আমি ভুল ভেবেছিলাম।”

 

ট্রাম্প যখন পরে পোপ চতুর্দশ লিওকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য করেন, তখন মেলোনি সেই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন।

 

এদিকে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মেলোনিকে ফোন করে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেলা।

 

দেশটির বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির সেনেটর ফিলিপ্পো সেনসিও বলেছেন, “ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এমন অহংকারী সুরে কথা বলার অধিকার কারও নেই।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
৬২ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা বহাল রাখল জার্মানি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ

২০২৬ সালেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও শেনজেন অঞ্চলের বাইরের ৬২টি দেশের নাগরিকদের জন্য স্বল্পমেয়াদি ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা বহাল রেখেছে জার্মানি। তবে এ তালিকায় স্থান পায়নি বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগের মতোই জার্মানিতে ভ্রমণের জন্য ভিসা নিতে হবে।   জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত ভিসা ছাড়াই জার্মানিতে অবস্থান করতে পারবেন। এই সুবিধা পর্যটন, ব্যবসায়িক সফর, পারিবারিক সাক্ষাৎ কিংবা অন্যান্য স্বল্পমেয়াদি ব্যক্তিগত ভ্রমণের জন্য প্রযোজ্য।   তবে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে, ভিসামুক্ত প্রবেশের এই সুযোগ কোনো ধরনের চাকরি, কর্মসংস্থান বা দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের অনুমতি হিসেবে গণ্য হবে না। এসব উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট ধরনের ভিসা বা আবাসিক অনুমতি নিতে হবে।   ভিসামুক্ত সুবিধাপ্রাপ্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদার—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইসরায়েল, ব্রাজিল, মেক্সিকো, ইউক্রেন, সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, অস্ট্রেলিয়াসহ মোট ৬২টি দেশ ও অঞ্চল।   অন্যদিকে, বাংলাদেশ এ তালিকার বাইরে থাকায় জার্মানিতে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণ, ব্যবসায়িক সফর কিংবা পারিবারিক প্রয়োজনে যেতে আগের নিয়ম অনুযায়ী শেনজেন ভিসা গ্রহণ করতে হবে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে হামলায় ভারতীয় নিহত, ইরানি কূটনীতিককে তলব করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজের সংঘর্ষ, ২৩ নাবিককে উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে ইউএইর তেলবাহী জাহাজে ইরানের হামলা, নিহত ভারতীয় নাবিক

ছবি: সংগৃহীত
আমরা হরমুজ প্রণালির নাম দেব ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল অব দ্য স্ট্রেট’: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য প্রণালিটি ব্যবহার করা প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।   ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এই প্রণালিটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখব এবং সম্ভবত আমরাই এটি পরিচালনা করব। আমরা হব এই প্রণালির অভিভাবক। সম্ভবত আমরা এর নাম দেব গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল অব দ্য স্ট্রেট (প্রণালির রক্ষাকর্তা অগ্রদূত)।’   তিনি বলেন, ‘আমরা এটি পাহারা দেব এবং এর বিনিময়ে অর্থ নেব। কারণ এই প্রণালি ব্যবহারকারী অনেক দেশই অত্যন্ত ধনী। তারা আমাদের বন্ধু হতে পারে, কিন্তু বিনা মূল্যে এই সেবা পাবে না।’   পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ‘হরমুজ প্রণালির অভিভাবক’ হিসেবে কাজ করবে এবং নিরাপত্তা ব্যয়ের জন্য এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি পণ্যবাহী জাহাজের কাছ থেকে ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায়ের পরিকল্পনা করছে। এ সংক্রান্ত কাঠামো শিগগিরই তৈরি করা হবে।   তবে এই পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বা উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বিস্তারিত কিছু জানায়নি।   এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। ইরান ইতোমধ্যে প্রণালিটি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে, আর দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলাও অব্যাহত রয়েছে।   বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে শুরু হওয়া বিতর্ক আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বন্দর অবরোধে নামছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানি জাহাজই হবে লক্ষ্য

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় মার্কিন হামলা

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখনো সম্ভব: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার বলেছেন, ইরানে নতুন করে হামলা এবং দেশটির বন্দরগুলোতে আবারও নৌ-অবরোধ আরোপ করা সত্ত্বেও যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি এখনো সম্ভব।   হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি মনে করি একটি চুক্তি সম্ভব। অবশ্যই আমি তা মনে করি।   ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “‘দুই দিন আগেই তাদের সঙ্গে আমাদের একটি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু পরে তারা বলল, ‘ওহ, আমরা এই চুক্তিটি করতে পারছি না। আমাদের এটি নিয়ে আরও আলোচনা করতে হবে।’   এর আগে গতকাল উভয় দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে ট্রাম্প ইরানের ওপর আবারও অবরোধ কার্যকরের ঘোষণা দেন। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপদে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থও নেওয়া হবে।   ফক্স নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে আজ ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করব। সম্ভবত এটা পরিচালনাও করব। আমরা প্রণালির অভিভাবক হব। এর জন্য আমাদের অর্থ দেওয়া উচিত।’   ট্রাম্প বলেন, এ দায়িত্ব পালনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অনেক অর্থ’ দেওয়া উচিত। কারণ, এ নৌপথ ব্যবহারকারী দেশগুলো ধনী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিনা মূল্যে এ সেবা আশা করা উচিত নয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্টকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন, প্রশ্নের মুখে নানা দাবি

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদকে গৃহবন্দির দাবি, মোসাদ-যোগ তদন্তে আইআরজিসি

ছবি: সংগৃহীত

রাইডশেয়ার চালকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নেপালে নতুন করে তরুণদের বিক্ষোভ

0 Comments