বিশ্ব

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ ক্ষমতা সীমিত করে বিল অনুমোদন মার্কিন সিনেটে

মারিয়া রহমান মে ২০, ২০২৬
ছবি : রয়টার্স
ছবি : রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধসংক্রান্ত ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন সিনেট। এতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি কংগ্রেসের সমর্থন না পায়, তাহলে ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটবে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১৯ মে) অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবটি পরবর্তী ধাপে নেওয়ার পক্ষে ভোট পড়ে ৫০টি, বিপক্ষে ৪৭টি। ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির চারজন সিনেটর ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেন। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। 

মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে হামলা শুরু করার ৮০ দিন পর রিপাবলিকান এই নেতার প্রতি এটি একটি বিরল তিরস্কার।


এই প্রস্তাবের মাধ্যমে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের হাতে না রাখার দাবি জানানো হয়েছে। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকা উচিত বলে মত দেন প্রস্তাবটির সমর্থকরা।

সিনেটে পাস হলেও, ট্রাম্পের প্রত্যাশিত ভেটো থেকে বাঁচতে প্রস্তাবটিকে অবশ্যই রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদেও পাস হতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে হবে।


প্রস্তাবটির উত্থাপক ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির আলোচনা কংগ্রেসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার উপযুক্ত সময় তৈরি করেছে। তার অভিযোগ, তেহরানের পক্ষ থেকে শান্তি ও কূটনৈতিক সমাধানের যে প্রস্তাব এসেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা না করেই প্রত্যাখ্যান করছেন।

এর আগে চলতি বছরে সিনেটে এ ধরনের সাতটি প্রস্তাব রিপাবলিকানরা আটকে দেয়। প্রতিনিধি পরিষদেও তিনটি অনুরূপ প্রস্তাব অল্প ব্যবধানে নাকচ হয়।

প্রস্তাবিত ভোটে পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান একমাত্র ডেমোক্র্যাট হিসেবে প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন।


অন্যদিকে রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল, সুসান কলিন্স, লিসা মুরকোসি এবং বিল ক্যাসিডি প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন।
গত ১ মে ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কার্যত শেষ হয়েছে। তবে এরপরও যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জাহাজে হামলা ও বন্দর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে ইরানও হরমুজ প্রণালি অবরোধ এবং মার্কিন জাহাজে হামলা চালাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৭৩ সালের মার্কিন ‘ওয়ার পাওয়ারস আইন’ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সর্বোচ্চ ৬০ দিন সামরিক অভিযান চালাতে পারেন। এরপর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয় অথবা সেনা প্রত্যাহারের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিনের সময় চাইতে হয়।  

ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি কিছু রিপাবলিকানও মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আগে প্রেসিডেন্টের কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া উচিত ছিল। অন্যদিকে হোয়াইট হাউস ও ট্রাম্পপন্থি রিপাবলিকানরা দাবি করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রেসিডেন্ট প্রধান সেনাপতি হিসেবে সীমিত সামরিক অভিযান পরিচালনার সাংবিধানিক অধিকার রাখেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
নাইজেরিয়ায় এক বছরের ১৩ হাজারের বেশি সন্ত্রাসী নিহত: প্রেসিডেন্ট

নাইজেরিয়ার গত এক বছরের সেনাবাহিনী ১৩ হাজারের বেশি সন্ত্রাসী নির্মূল করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবু। দেশটিতে সেনাবাহিনীর এসব অভিযান সত্ত্বেও বিভিন্ন অপরাধী চক্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর দেশজুড়ে হামলা-অপহরণ অব্যাহত রয়েছে।শুক্রবার (১২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।    জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলেন, ২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৮১ শতাংশ কমেছে।   তিনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে ‘অপারেশন সেফ করিডোর’ কর্মসূচির এক লাখ ২৪ হাজার সন্ত্রাসী অস্ত্র সমর্পণ করেছেন। এই কর্মসূচির আওতায় দেশটিতে স্বেচ্ছায় অস্ত্র সমর্পণ এবং সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসন করা হয়।   নাইজেরিয়ার ‘গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন টিনুবু। দেশটিতে ১৯৯৯ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং কয়েক বছরের সামরিক শাসনের অবসানের স্মরণে এ দিবসটি পালন করা হয়।    আল জাজিরা বলছে, আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়া বর্তমানে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে। দেশটিতে আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধী চক্র মুক্তিপণের জন্য সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে চলেছে। স্কুল, গির্জা ও মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও এসব ঝুঁকিতে রয়েছে।    দেশটিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম শুরুতে উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা ঘন বনাঞ্চল ব্যবহার করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও হামলা শুরু করেছে।    সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সেনাবাহিনীর অভিযানের কারণে গোষ্ঠীগুলো পুরোনো জায়গা ছেড়ে নতুন করে ঘাঁটি বানিয়েছে।    সূত্র: আল জাজিরা

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কী আছে ইরান চুক্তিতে, যা সই করতে প্রস্তুত ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

দুবাই বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত স্যুটকেস থেকে ২২৩ জীবন্ত প্রাণী উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্তে ইতোমধ্যে বিএসএফকে ১০০ কিমি জমি দেয়া হয়েছে: শুভেন্দু

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আলোচিত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তার মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি (আইপিও) এই ঐতিহাসিক অর্জনের পথ সুগম করেছে। খবর: বার্তা সংস্থা রয়টার্স   বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অনুষ্ঠিত স্পেসএক্সের আইপিওতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসে। আইপিওর আগে ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৮০ বিলিয়ন ডলার। সে সময় বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী ব্যক্তি ছিলেন গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লেরি পেজ।   ফোর্বস ওয়েলথের ডেপুটি এডিটর ম্যাট ডুরোট জানান, বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির সম্পদ যেখানে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি, সেখানে মাস্কের সম্পদ তার তিন গুণেরও বেশি। তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে কেবল লেরি এলিসনের সম্পদই ৪০০ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছিল।   বর্তমানে মাস্কের সম্পদের সবচেয়ে বড় অংশের উৎস স্পেসএক্স। প্রতিষ্ঠানটিতে তার মালিকানাধীন শেয়ারের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮৬৬ বিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।   বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা এবং মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন ইলন মাস্ক। পরে ২০২২ সালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার—বর্তমানের ‘এক্স’৪৪ বিলিয়ন ডলারে অধিগ্রহণ করেন। এর ফলে তিনি শত শত মিলিয়ন ব্যবহারকারীর কাছে সরাসরি পৌঁছানোর সুযোগ পান এবং রাজনীতি, অভিবাসন, সরকারি ব্যয় ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাবশালী কণ্ঠ হিসেবে আবির্ভূত হন।   সমর্থকদের কাছে মাস্কের খোলামেলা ও ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব তার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ। তবে সমালোচকদের মতে, তিনি ক্রমশ অতিরিক্ত ক্ষমতা ও প্রভাবের অধিকারী হয়ে উঠেছেন। তার রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।   সব বিতর্কের পরও স্পেসএক্সের এই ঐতিহাসিক আইপিও আবারও প্রমাণ করেছে যে, বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ এখনও ইলন মাস্কের ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা ও উদ্যোগের ওপর আস্থা রাখে। এর মধ্য দিয়ে সম্পদের দিক থেকে তিনি বিশ্ব ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১২, ২০২৬
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজার নতুন সময়সূচি ঘোষণা

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব অর্থনীতিকে কোভিড পর্যায়ে ঠেলে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ

ছবি : সংগৃহীত

লেবাননে জাতিসংঘের মালয়েশিয়ান শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলা

সংগৃহীত ছবি
শান্তিচুক্তি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: ইরান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিন মাসের যুদ্ধ শেষে শুক্র বা শনিবারের (১২, ১৩ জুন) মধ্যেই একটি ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি সই হতে পারে। চুক্তিটি হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ নৌচলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে ইরান তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, খসড়ার বড় অংশ চূড়ান্ত হলেও তারা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। যদি এই চুক্তিটি সফল হয়, তবে এটি হবে বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য। কারণ গত মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এইমাত্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি চমৎকার নিষ্পত্তি করেছি।’তিনি জানান, ইউরোপে এই সপ্তাহান্তেই চুক্তিটি সই হতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্বাক্ষর করতে পারেন। ট্রাম্প আরো জানান, এই চুক্তির মূল শর্ত হলো—ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। অন্যদিকে, ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে তাদের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বা জব্দ করে রাখা শত শত কোটি ডলারের সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, বিষয়টি বর্তমানে তাদের নীতিনির্ধারক সংস্থায় পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং ইরান তার অলঙ্ঘনীয় সীমারেখায় কোনো আপস করবে না। সূত্র : রয়টার্স

মারিয়া রহমান জুন ১২, ২০২৬
ছবি- সংগৃহীত

ট্রাম্পের ইরান হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তে কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ছবি- সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমাবে : বিশ্বব্যাংক

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি সই হতে পারে ইউরোপে

0 Comments