আন্তর্জাতিক

সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাস্তায় দেখেই স্কুটি থামিয়েছিলেন যুবক। স্ত্রীর দিকে তেড়েও গেলেন তিনি। প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ফল হল উলটো। স্ত্রীকে মারতে গিয়ে নিজেই জনগণের কাছে পিটুনি খেয়ে গেলেন তিনি। ইরান

 

চাঞ্চল্যকর তেমনই একটি ঘটনার ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি রীতিমত ভাইরাল। ঘটনাটি ভারতের বেঙ্গালুরু শহরে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও স্বাধীনভাবে সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।

ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক স্কুটিতে করে এসে রাস্তায় হেঁটে যাওয়া এক তরুণীর কাছে থেমে যান। এরপর দৌড়ে তরুণীকে ধরে ফেলেন তিনি। তার ওপর হামলা শুরু করেন।

কিন্তু তিনি যখন তরুণীর ওপর হামলা শুরু করেন, তখন সেখানে আমজনতার ভিড় জমে যায়। সবাই পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। তার পরেই যুবককে থামানোর চেষ্টা করেন তারা। কয়েকজন এসে যুবককেই পেটাতে শুরু করেন। আর সেই ঘটনার ভিডিওই প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর এবং ওই যুবক এবং তরুণী সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী বলে জানা গেছে।

ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে ‘মিহির ঝা’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতোমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিও। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিওটি দেখার পর নেটিজেনদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। যুবকের শাস্তির দাবিতেও সরব হয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ।

অনেকে আবার উপস্থিত জনতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। ভিডিওটি দেখার পর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘মহিলাকে মার খেতে দেখে ভিডিও না বানিয়ে কয়েকজন সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন দেখে ভাল লাগল।’ 

অন্য একজন লিখেছেন, ‘যুবককে দেখে মনে হচ্ছিল তরুণীকে মেরেই ফেলবেন। কড়া শাস্তি দেওয়া হোক।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল

রাস্তায় দেখেই স্কুটি থামিয়েছিলেন যুবক। স্ত্রীর দিকে তেড়েও গেলেন তিনি। প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ফল হল উলটো। স্ত্রীকে মারতে গিয়ে নিজেই জনগণের কাছে পিটুনি খেয়ে গেলেন তিনি। ইরান   চাঞ্চল্যকর তেমনই একটি ঘটনার ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি রীতিমত ভাইরাল। ঘটনাটি ভারতের বেঙ্গালুরু শহরে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও স্বাধীনভাবে সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার। ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক স্কুটিতে করে এসে রাস্তায় হেঁটে যাওয়া এক তরুণীর কাছে থেমে যান। এরপর দৌড়ে তরুণীকে ধরে ফেলেন তিনি। তার ওপর হামলা শুরু করেন। কিন্তু তিনি যখন তরুণীর ওপর হামলা শুরু করেন, তখন সেখানে আমজনতার ভিড় জমে যায়। সবাই পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। তার পরেই যুবককে থামানোর চেষ্টা করেন তারা। কয়েকজন এসে যুবককেই পেটাতে শুরু করেন। আর সেই ঘটনার ভিডিওই প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর এবং ওই যুবক এবং তরুণী সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী বলে জানা গেছে। ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে ‘মিহির ঝা’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতোমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিও। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিওটি দেখার পর নেটিজেনদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। যুবকের শাস্তির দাবিতেও সরব হয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। অনেকে আবার উপস্থিত জনতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। ভিডিওটি দেখার পর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘মহিলাকে মার খেতে দেখে ভিডিও না বানিয়ে কয়েকজন সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন দেখে ভাল লাগল।’  অন্য একজন লিখেছেন, ‘যুবককে দেখে মনে হচ্ছিল তরুণীকে মেরেই ফেলবেন। কড়া শাস্তি দেওয়া হোক।’

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালী চিরতরে বন্ধের হুঁশিয়ারি, বাহরাইনকে কঠোর বার্তা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

সব জটিলতার অবসান, তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন বিজয়

ছবি: সংগৃহীত

শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বের প্রশংসা শেখ হাসিনার

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চীনের কাছে তেল বিক্রিতে তৎপর ইরান

আন্তর্জাতিক জলসীমায় আটকে থাকা জ্বালানি তেল চীনের কাছে বিক্রির চেষ্টা জোরদার করছে ইরান। তেহরানভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘ডিপ্লোহাউস’এর পরিচালক হামিদ রেজা গোলামজাদেহ সম্প্রতি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।   তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের এক সপ্তাহ আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি চীন সফর করেন। ওই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল বেইজিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা।    গোলামজাদেহের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং সমুদ্রপথে নানা বাধার কারণে ইরানের তেল রপ্তানি বর্তমানে চাপে রয়েছে। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা তেলের মজুদ বিক্রির বিষয়ে চীনের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াচ্ছে তেহরান।   তিনি আরও জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনায় ইরানের অবস্থান পরিষ্কার থাকে।   তেলের বাণিজ্যের পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুও সফরে গুরুত্ব পায়। গোলামজাদেহ জানান, চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ওই অঞ্চলের নৌচলাচল নিরাপদ রাখা এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়নে ইরানের আগের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়।   সূত্র: আল জাজিরা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক মাধ্যমের ‘বায়ো’তে পরাজয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান রাজা সুব্রামানি: কে এই সামরিক নেতা?

ছবি: সংগৃহীত

চীনা প্রযুক্তির ফাতাহ-৩ সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করল পাকিস্তানের

ছবি: সংগৃহীত
‘তুরস্ক ছাড়া ইউরোপের ভবিষ্যৎ পূর্ণতা পাবে না’: এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ভবিষ্যৎ কাঠামো তুরস্ককে ছাড়া সম্পূর্ণ হতে পারে না। ইউরোপ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি আঙ্কারার সঙ্গে পূর্ণ সদস্যপদের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।   শনিবার (৯ মে) প্রকাশিত ওই বার্তায় এরদোগান বলেন, ইউরোপ দিবস শুধু ইইউর প্রতীক নয়; এটি শান্তি, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে একটি যৌথ ইউরোপ গঠনের প্রতিশ্রুতিরও প্রতিফলন।   বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতা তুলে ধরে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিত্তি যে আদর্শ ও নীতির ওপর গড়ে উঠেছিল, সেগুলো এখন যুদ্ধ, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।   এই পরিস্থিতিতে ইইউকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, প্রার্থী রাষ্ট্র হিসেবে তুরস্ক ইউরোপীয় কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ।   তিনি দাবি করেন, ইউরোপীয় রাজনীতিতে তুরস্কের যথাযথ স্থান নিশ্চিত না হলে ইউরোপের কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়বে এবং নানা সংকট মোকাবিলায় ইইউ কার্যকর অবস্থান নিতে ব্যর্থ হতে পারে।   এরদোগানের ভাষায়, “তুরস্ক যতটা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে প্রয়োজন, তার চেয়েও বেশি ইইউর প্রয়োজন তুরস্ককে।” ভবিষ্যতে এই পারস্পরিক প্রয়োজন আরও বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   বার্তার শেষাংশে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট জানান, পূর্ণ সদস্যপদ অর্জন, পারস্পরিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং ‘উইন-উইন’ কৌশলের ভিত্তিতে ইইউর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আঙ্কারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই ধরনের আন্তরিকতা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও প্রত্যাশা করেন তিনি।   ইউরোপ দিবস উপলক্ষে তিনি তুরস্কের জনগণসহ ইউরোপের সব নাগরিককে শুভেচ্ছা জানান এবং মহাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সংহতি জোরদার হওয়ার আশা প্রকাশ করেন।   সূত্র: হুরিয়েত ডেইলি নিউজ।

আক্তারুজ্জামান মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে শাইখুল হাদিস মাওলানা ইদরিস হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ, গ্রেফতার দাবিতে বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলি হামলা, নিহত অন্তত ১৮

ছবি: সংগৃহীত

মোদির আমিরাত যাত্রাবিরতি: কূটনীতির বাইরে নতুন কৌশলগত সমীকরণ

0 Comments