ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেললাইন উপড়ে ফেলেছে বিএনপির কর্মীরা। ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোররাত ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও স্টেশনে ঢোকার আগে জন্মেজয় এলাকায় দুর্বৃত্তরা প্রায় ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় এ ঘটনা ঘটে।
গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হানিফ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আমি এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারিনি। তবে রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী জানিয়েছে, ওই এলাকায় ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুইটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ময়মনসিংহের পরিদর্শক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুইটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
উল্লেখ্য, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের কর্মীরা আন্দোলন শুরু করেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অনলাইন হয়রানি থেকে নারীদের সুরক্ষায় ‘সাইবার সাপোর্ট ডেস্ক’ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। এক আলাপে তিনি চট্টগ্রাম শহরের অপরাধ, যানজট নিরসনসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। দুই যুগ আগে চট্টগ্রাম শহরে পুলিশের চাকরি শুরু করা হাসান মো. শওকত আলীর কাছে প্রশ্ন ছিল আগেকার অপরাধ ও এখনকার অপরাধের ধরণে কোনো পার্থক্য তিনি দেখেন কি না। উত্তরে তিনি বলেন, অপরাধের ধরনটা পাল্টে গেছে। এখন অনেক কিছু অনলাইনে হচ্ছে। কম কষ্টে বেশি তারা সংগঠিত করছে। এক্ষেত্রে তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করছে। পুলিশ কমিশনার বলেন, নীরবে কিছু অপরাধ হচ্ছে অনলাইনে। এর অন্যতম ভুক্তভোগী নারীরা। অনলাইনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে, যা নারীরা কাউকে বলতে পারে না। নারীরা যাতে নিঃসংকোচে তাদের কথা বলতে পারেন, সেজন্য আমরা ‘সাইবার সাপোর্ট ডেস্ক’ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, বলেন তিনি। হাসান মো. শওকত আলী বলেন, এ ডেস্কে দায়িত্বে থাকবেন নারী অফিসাররা, যাতে ভুক্তভোগী নারীরা গিয়ে নির্বিঘ্নে, নির্ধিধায় ও নিঃসংকোচে কথা বলতে পারেন আরেকজন নারীর কাছে। ভুক্তভোগীদের কথা শুনে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করা হবে। তিনি মনে করেন, বর্তমানে চট্টগ্রামের অন্যতম বড় সমস্যা ‘কিশোর গ্যাং’। পুলিশ বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। অষ্টাদশ বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা শওকত আলী গত ১ এপ্রিল চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ৩৪তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন। দীর্ঘদিন চট্টগ্রামে কাজ করা শওকত আলীর কাছে প্রশ্ন ছিল, বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন কী? উত্তরে তিনি বলেন মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির কথা। কিশোরদের মনে একটা ‘ফ্যান্টাসি’ ও ‘হিরোইজম’ কাজ করে। এর থেকে তারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। এটি একটি সামাজিক অপরাধ। এটা দমনের জন্য প্রয়োজন পারিবারিক সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ। তিনি বলেন, “আমরা এ অপরাধটি প্রতিরোধের কাজ করছি। সম্প্রতি চকবাজার এলাকায় যে কলেজ ছাত্র মারা গেছে, সে ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটা পুরোপুরি দমনের জন্য পুলিশের তৎপরতার পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ।” পুলিশ কমিশনার শওকত আলীর দাবি, মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। এর বিরুদ্ধে কিছু ‘মব’ সংগঠিত করার চেষ্টা হয়েছে। পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের হয়ে বায়েজিদ, পাঁচলাইশ, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদা দাবি ও গুলি ছোড়ার কয়েকটি ঘটনা চট্টগ্রামে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে। শওকত আলী বলেন, আমার মূল টার্গেট চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ। সন্ত্রাসীরা কীভাবে কোন পথে এগোচ্ছে সেটা আগে আমাদের ধরতে হবে। সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। বায়েজিদ এলাকায় সাজ্জাদ বাহিনীর বিষয়টি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে সেটা নিয়ে আমি পুরোপুরি খুশি না। আমি আরও বেশি কিছু চাই। তিনি বলেন, “চট্টগ্রামের চাঁদাবাজির মত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা বেশ কিছু কৌশল নিয়েছি। সব কৌশল বলা যাবে না। তবে অচিরেই আপনারা একটা ফলাফল দেখবেন।” নগরজুড়ে সিসি ক্যামেরায় নজরদারি বাড়ানোর ওপরও জোর দিচ্ছেন চট্টগ্রাম নগরের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, অপরাধ ও ছিনতাইপ্রবণ এলাকাগুলোতে আগে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। সিটি করপোরেশন ও সিএমপি যৌথভাবে এ কাজ করবে। চট্টগ্রামের যানজটের সমস্যা নিয়ে তার ভাষ্য, নগরীতে কিছু সড়ক শনাক্ত করা হয়েছে। সেগুলো থেকে হকারসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। সড়ক নিয়ে এরকম কিছু কাজের পরিকল্পনা আছে। পাশাপাশি ট্রাফিক সিস্টেমকে সিগন্যাল লাইটের আওতায় আনারও পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১১) ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আখতারুজ্জামান আসামির সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন। তবে বুধবার আদালতে পাঠাতে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় রিমান্ড আবেদনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হয়নি। আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন। এর আগে বুধবার ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪-এর একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে। দুপুরে ময়মনসিংহে র্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারের পর র্যাব তাকে মদন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় ‘হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার’ পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন। ১১ বছরের ওই মাদ্রাসাছাত্রীর মা গত ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় শিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করছি।
বরাবরের মতো এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে টিকিট কেনা যাবে। ৫ জোড়া ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলবে। রেলওয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১৩ মে থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবারের জন্য ৪টি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে ঈদ উপলক্ষে কেনা টিকিট ফেরত (রিফান্ড) নেয়া হবে না। কোরবানির পশু পরিবহনের লক্ষ্যে ২২ ও ২৩ মে ঢাকা-জামালপুর পরিচালিত হবে দুইটি ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিশেষ কিছু নিয়ম কার্যকর থাকবে: অনলাইনে কেনাকাটা: অগ্রিম ও ফেরত যাত্রার সব টিকিট কেবল অনলাইনে রেলওয়ের পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। টিকিট সীমা: একজন যাত্রী একবারই টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন এবং সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট নিতে পারবেন। স্ট্যান্ডিং টিকিট: যাত্রার দিন স্ট্যান্ডিং বা আসনবিহীন টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এটি মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দেওয়া হবে। রিফান্ড: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কেনা টিকিট ফেরত বা টাকা রিফান্ড করা যাবে না। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে এবং কালোবাজারি রুখতে এনআইডি যাচাইয়ের মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করা হচ্ছে। যাত্রীদের সঠিক তথ্য দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদযাত্রা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।