জাতীয়

প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে রক্ষা পেলেন গরু ব্যবসায়ী

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড় থেকে গরু কিনে ঢাকায় ফেরার পথে ডাকাতের ধাওয়া, চাঁদাবাজির চেষ্টা ও ভয়াবহ হয়রানির মুখে পড়েছিলেন এক গরুর ব্যবসায়ী। শেষ পর্যন্ত পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পুলিশি নিরাপত্তায় রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী হেলাল আহমেদের বাড়ি ঢাকায়। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে গরু কিনে দুটি পিকআপ ও একটি ট্রাকে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। পথে গভীর রাতে একটি প্রাইভেটকার এবং ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তাদের গাড়ির পিছু নেয়।

ব্যবসায়ী হেলাল আহমেদ জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে তারা গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত পঞ্চগড় সদর থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে থানা-পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।

তবে থানায় নেওয়ার পরও বিপত্তি কাটেনি। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ব্যবসায়ীদের চোর আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে এবং বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টাও করা হয়।

এ অবস্থায় বিষয়টি জানানো হয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদকে। অভিযোগ পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি ও স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরে পুলিশ গরু কেনার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো অসঙ্গতি না পেয়ে গরুগুলো ছেড়ে দেয়। শুধু তাই নয়, নিরাপত্তার স্বার্থে সদর থানা-পুলিশ প্রায় চার কিলোমিটার পর্যন্ত তাদের বহরকে এগিয়ে দেয়।

গরুর বেপারী হেলাল আহমেদ বলেন, তেঁতুলিয়া থেকে গরু কিনে ফেরার পথে একদল লোক আমাদের পিছু নেয়। পরে তারা গাড়ির গতিরোধের চেষ্টা করে। আমরা বিপদ বুঝতে পেরে দ্রুত থানায় চলে যাই। এরপর একটি গোষ্ঠী আমাদের চোর আখ্যা দিয়ে মারধরের ভয়ও দেখায়। পরে পরিচিতজনদের মাধ্যমে মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে কোনো হয়রানি ছাড়াই পুলিশ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে গরুগুলো ছেড়ে দেয়।

তিনি আরও বলেন, এমপির উদারতায় আমাদের কাজটা সহজ হয়ে যায়। মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত থেকেও রেহাই পেয়েছি।

এ বিষয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি ওসিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। কেউ ঝামেলা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকার গরুর ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আন্তরিক। স্থানীয় প্রশাসনকে সে অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের ঘোষিত বাজেটকে ‘গণমানুষের বাজেট’ আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে।যারা দলীয়করণ বলছে, তারা খুবই নিকৃষ্ট লোক।’   শুক্রবার (১২ জুন) সকালে কক্সবাজার পৌঁছে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।   প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’   শনিবার প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে কক্সবাজারের বিভিন্ন কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১২, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

নারী শিক্ষা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় : বিমানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

সীমিত সম্পদের মধ্যেই সবার জন্য বাজেট দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: আতঙ্কের মাঝেও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত

ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে ৬ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনে সেখানে পৌঁছেছেন সরকারের ছয়জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।   শুক্রবার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।   প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কক্সবাজারে আগত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা হলেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।   শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরকালে তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রাজনৈতিক জনসভা এবং সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।   কক্সবাজারে পৌঁছে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যালয়ে বৈঠক করেন। এরপর তারা সফরসূচিতে থাকা বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা, উদ্বোধনী স্থান এবং জনসভাস্থল পরিদর্শনের কথা রয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সফর ঘিরে কক্সবাজারে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার মেলাকায় বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৪৯ প্রবাসী আটক

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুতের ভর্তুকি কমানোর চেষ্টা করে বাজেট দেয়া হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

কাল একদিনের সফরে কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন (ফাইল ছবি)
বাজেটের মূলনীতি ও ‘থ্রি-আর’ কৌশল তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের কিছু মূলনীতির কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার নীতিগতভাবে চারটি বিষয়কে প্রধান বিবেচনায় রেখেছে। অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা সরকার তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে থ্রি-আর (রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন) কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।‌ তিনি জানান, বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে। এছাড়া অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে তিনটি লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে। শুক্রবার সকালে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে মূলনীতিগুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র। ‘প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের কিছু মূলনীতি’ শিরোনামে শুক্রবার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মাহদী আমিন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার নীতিগতভাবে চারটি বিষয়কে প্রধান বিবেচনায় রেখেছে। সেগুলো হলো-   ১. সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার (Value for Money)  ২. জনগণের সম্পদ যে সকল প্রকল্পে বিনিয়োজিত হচ্ছে তার কার্যকর অর্থনৈতিক সুফল মূল্যায়ন (Return on Investment)  ৩. সরকারের বিনিয়োগের সুনির্দিষ্টভাবে কর্মসংস্থান তৈরিতে ভূমিকা (Job Creation)  ৪. প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষার দিকে সজাগ দৃষ্টি (Environmental Consideration)  তিনি জানান, অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা সরকার তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে থ্রি-আর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সেগুলো হলো- ১. অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, যা ১ বছর মেয়াদি (Recovery & Stabilisation) ২. অর্থনীতির উত্তরণ, যা বর্তমান সরকারের ১-৩ বছর মেয়াদের মধ্যে সম্পন্ন হবে (Restoration) ৩. সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিনির্মাণ, যা আগামী ৫ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে (Reconstruction for Acceleration)  যে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে সেগুলো তুলে ধরেছেন তিনি। এগুলো হলো- ১. সবার জন্য উন্নয়ন ২. সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ৩. সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ৪. বিনিয়োগ-নির্ভর, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ৫. বিনিয়ন্ত্রণকরণ (Deregulation) ৬. আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ৭. জ্বালানি নিরাপত্তা ৮. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ ৯. প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ১০. স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা মাহদী আমিন লিখেছেন, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে যে তিনটি লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে সেগুলো হলো- ১। Demographic Dividend ২। Longevity Dividend ৩। Democratic Dividend প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

মারিয়া রহমান জুন ১২, ২০২৬
ফাইল ছবি

সম্পদ-বিবরণী প্রকাশ সাপেক্ষে পে-স্কেলের শর্ত চায় টিআইবি

ছবি: সংগৃহীত

যৌথ সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই শেষ হলো বিএসএফ–বিজিবি সীমান্ত বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় পৌঁছালেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী

0 Comments