জাতীয়

প্রবাসীদের প্রশিক্ষণের অভাব রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা: তৌহিদ হোসেন

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভাষা শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবে বিদেশে বাংলাদেশিদের বেতন অন্য দেশের শ্রমিকদের তুলনায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কম। অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের ৫-৭ গুণ বেশি টাকা খরচ করে বিদেশে যেতে হয়। এটিকে তিনি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিদ্যালয়টির সাবেক কৃতী শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

তিনি বলেন, ‘গত ৬০ বছরে বাংলাদেশের শিক্ষায় অসাধারণ পরিবর্তন ঘটেছে, বিশেষ করে নারী শিক্ষার ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এখন গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অর্ধেকের বেশি নারী।’

 

তবে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন। শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না, বরং সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।’

 

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘অতীতে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা কম ছিল, বর্তমানে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর আরও জোর দিতে হবে। এক সময় লেখাপড়া ছাড়াই অনেক ক্ষেত্রে পাস করিয়ে দেওয়ার প্রবণতা ছিল। বর্তমানে সে অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘মানবসম্পদই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই জনসম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে জিডিপির কমপক্ষে ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা জরুরি।’

 

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাইয়িরুজ্জামান, পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম (পিপিএম), ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার তনিমা জামান তন্বী, মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু প্রমুখ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব ও যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম এবং সাবেক যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে শিগগিরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।   মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।   প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত একাধিক মামলার তদন্ত শেষ করেছে তদন্ত সংস্থা। ইতোমধ্যে কয়েকটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, যার মধ্যে জাহাংগীর আলম ও ধনঞ্জয় কুমার দাসের মামলাও রয়েছে।   প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনগুলো বিস্তারিতভাবে যাচাই-বাছাই শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।   আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত সংস্থা থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০টি মামলার প্রতিবেদন তাদের হাতে এসেছে। এসব প্রতিবেদন যথাযথভাবে পর্যালোচনা শেষে পর্যায়ক্রমে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হবে।   তিনি আরও জানান, তদন্তাধীন এসব মামলার আসামিদের মধ্যে অধিকাংশই সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

৯ দিন পর কক্সবাজারে বন্যার উন্নতি, ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মানুষ

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলার পর চট্টগ্রামে মিলল লরি চালকের মরদেহ

ঢাকার জলাবদ্ধতার জন্য রাজউককে দায়ী করলেন দুদকের সাবেক মহাপরিচালক

শাহজালালে ভিজছে আমদানি পণ্য, ক্ষতির শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

টানা বৃষ্টিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে খোলা আকাশের নিচে রাখা কোটি কোটি টাকার আমদানি পণ্য ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, কার্গো ভিলেজে পর্যাপ্ত গুদাম না থাকা এবং গত বছরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থায়ী কার্গো টার্মিনাল এখনো পুরোপুরি চালু না হওয়ায় বাধ্য হয়ে অনেক পণ্য খোলা জায়গায় রাখতে হচ্ছে। তবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বলছে, বৃষ্টিপাত প্রাকৃতিক বিষয়। এ ছাড়া সময়মতো পণ্য খালাস না হওয়ায়ও কার্গো এলাকায় চাপ তৈরি হচ্ছে।   ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে অব্যবস্থাপনা, গুদামসংকট এবং পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি শিল্পকারখানার কাঁচামাল সরবরাহ, উৎপাদন এবং সামগ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।   তাদের ভাষ্য, কয়েক মাস আগে কার্গো টার্মিনালের একটি শেড আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নয় মাসেও সেটি পুরোপুরি সংস্কার করে চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে গুদামসংকট দেখা দেওয়ায় অনেক আমদানি পণ্য খোলা জায়গায় রাখতে হচ্ছে। টানা বৃষ্টিতে এসব পণ্যের একটি অংশ ভিজে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।   ঢাকা কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি খায়রল কবির ভুঁইয়া মিঠু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের আমদানি করা কোটি কোটি টাকার পণ্য যদি এভাবে নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে এর দায় কে নেবে? খোলা আকাশের নিচে মাটিতে পণ্য পড়ে থাকলে নিচ থেকে পানি উঠবে, ওপর থেকে বৃষ্টির পানি পড়বে—এটাই স্বাভাবিক। নয় মাস পেরিয়ে গেলেও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত শেড সংস্কার করে চালু করা যায়নি, এটি বড় ধরনের ব্যর্থতা।’   তিনি বলেন, পরিস্থিতি দেখতে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ ঘটনাস্থলে আসেননি। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কার করে বিকল্প সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে এমন পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হতো।   ব্যবসায়ীদের মতে, বিমানপথে সাধারণত উচ্চমূল্যের, জরুরি ও সংবেদনশীল পণ্য আমদানি করা হয়। এসব পণ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা না গেলে শিল্পকারখানার কাঁচামাল সরবরাহ ও উৎপাদনেও প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে দেশের বাণিজ্য পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   তাই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো শেড দ্রুত সংস্কার, আমদানি পণ্যের নিরাপদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, দ্রুত পণ্য খালাস, কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।   তিনি বলেন, ‘অনেক আমদানিকারক সময়মতো মালামাল খালাস করেন না। ফলে কার্গো এলাকায় পণ্যের চাপ বেড়ে যায় এবং কিছু পণ্য খোলা জায়গায় রাখতে হয়। বৃষ্টি হলে সেগুলো ভিজে যায়।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৪, ২০২৬

বৃষ্টি-জলাবদ্ধতায় নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকা সংকটে

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা ইসির

ছবি: সংগৃহীত

গার্ল গাইডসে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক, তদন্ত ও সংস্কারের দাবি

ছবি: সংগৃহীত
মাদারীপুরে প্রধানমন্ত্রীর বহরের নিরাপত্তা গাড়ির সামনে ইটের টুকরা, তদন্তে পুলিশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল সফরের সময় মাদারীপুরে তার নিরাপত্তা বহরের একটি গাড়ির সামনে ইটের টুকরা পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের সাধুরব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাসের সামনে ও পেছনে নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিক গাড়ি চলছিল। সড়কের দুই পাশে উপস্থিত লোকজনকে উদ্দেশ করে বাসের ভেতর থেকে প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিলেন। এ সময় বাসটির পেছনে থাকা একটি নিরাপত্তা গাড়ির সামনে একটি ইটের টুকরা এসে পড়ে।   ঘটনাটি পরিকল্পিত নাশকতা নাকি চলন্ত কোনো যানবাহনের চাকা থেকে ছিটকে আসা ইটের টুকরা—তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।   মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, বহরের একটি গাড়ির সামনে ইটের টুকরা পড়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি কীভাবে সেখানে এসেছে, তা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।   উল্লেখ্য, সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় তিনি একই পথে ঢাকার উদ্দেশে ফিরে যান।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হওয়ায় ছাত্রশিবির ছাড়লেন সাদিক কায়েম

ছবি: সংগৃহীত

টিভি টকশো থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা গোলাম মাওলা রনির

ছবি: সংগৃহীত

বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা পেছানোর আহ্বান ছাত্রদলের

0 Comments