বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতাদের ই-রিটার্ন দাখিল সহজ করতে বিশেষ রেজিস্ট্রেশন সুবিধা চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এতে বলা হয়, এ সুবিধার আওতায় মোবাইল ফোনের পরিবর্তে করদাতার নিজস্ব ই-মেইলে ওটিপি পাঠানোর মাধ্যমে পাসওয়ার্ড রিসেট ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।
এনবিআর জানায়, যেসব করদাতা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশনকৃত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছেন কিন্তু বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করায় মোবাইল ওটিপি ব্যবহার করতে পারছেন না, তাদের জন্য সম্প্রতি ই-মেইল ভেরিফিকেশন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
আবেদন যেভাবে
বিদেশে অবস্থানরত করদাতাকে তার নিজ ই-মেইল থেকে ereturn@etaxnbr.gov.bd ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে-
পাসপোর্টের কপি
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
ভিসা পেজের কপি
বিদেশের বর্তমান ঠিকানা
বিদেশে ব্যবহৃত মোবাইল/ফোন নম্বর
সর্বশেষ বাংলাদেশ ত্যাগের তারিখ
এনবিআর আবেদন যাচাই-বাছাই করে ই-মেইল ভেরিফাই করলে করদাতা ভেরিফাইড ই-মেইলে প্রাপ্ত ওটিপি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড রিসেট, রেজিস্ট্রেশন এবং ই-রিটার্ন দাখিলসহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল পদ্ধতি সহজ হওয়ায় ২০২৫-২৬ করবর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৯ লাখ আয়কর রিটার্ন অনলাইনে জমা পড়েছে। সব ব্যক্তি করদাতাকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের মধ্যে ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিলের আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ওমানে ঋণ ও আর্থিক দায়বদ্ধতার কারণে কারাবন্দী ব্যক্তি এবং প্রবাসীদের মুক্ত করতে বিশেষ আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন দেশটির সুলতান হাইথাম বিন তারিকের স্ত্রী সাঈয়িদা আহাদ। ‘ফাক কুরবা’ নামের একটি সুপরিচিত মানবিক উদ্যোগের তহবিলে তিনি এই অনুদান প্রদান করেন। রাজপরিবারের এই বদান্যতার ফলে আর্থিক সংকটে পড়ে আইনি জটিলতায় থাকা বহু পরিবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। ওমানি লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় ২০১২ সাল থেকে ‘ফাক কুরবা’ কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়ে আসছে। দেওয়ানি, বাণিজ্যিক বা শ্রম আইনের অধীনে হওয়া আর্থিক মামলায় যাঁরা ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে কারাগারে বন্দী আছেন, তাঁদের মুক্ত করাই এই ক্যাম্পেইনের প্রধান লক্ষ্য। যদিও আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এই সহায়তা কোনো অপরাধমূলক বা ফৌজদারি মামলার আসামিদের জন্য নয়; বরং পরিস্থিতির শিকার হয়ে যাঁরা ঋণগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের আইনি ও আর্থিক দায় মেটানোর জন্য এই তহবিল ব্যবহার করা হয়। এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে ওমানের স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক প্রবাসীও সরাসরি উপকৃত হন। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে কর্মরত অনেক প্রবাসী শ্রমিক নানা কারণে আর্থিক দৈন্যদশার শিকার হয়ে জেলে যেতে বাধ্য হন। সুলতানের স্ত্রীর এই অনুদান সেই সব অসহায় প্রবাসী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পুনরায় একত্রিত হওয়ার পথ সুগম করবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত এই কর্মসূচির মাধ্যমে আট হাজারেরও বেশি কারাবন্দী ঋণখেলাপিকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং এবার এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
বাংলাদেশি ইয়ুথ কমিউনিটি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে কুয়ালালামপুরের কিংস্টোন হোটেলে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল এবং কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের কোরআন বিজয়ী হাফেজরা। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ ইব্রাহিম শেখ। অনুষ্ঠানটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে এক ধর্মীয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার নাগরিক দাতো ডা. হাসনিজাল হাসান (ডেপুটি প্রেসিডেন্ট টিংকু জারিল সুলাইমান এবং মেম্বার অফ রয়েল ফ্যামিলি)। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুরের মিনিস্টার (লেবার) মো. সিদ্দিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন (সিআইপি), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নাদিম ইফা গ্লোবাল (এম) এসডিএন বিএইচডি; দাতো রওশন দাস, চেয়ারম্যান এক্সট্রিম ফাইভ; প্রকৌশলী সুমন আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিএম প্লাটিনাম গ্রুপ অব কোম্পানিজ; আবু বক্কর সিদ্দিক (নাছিম), ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনালী জুয়েলার্স; মোহাম্মদ শারিফুল ইসলাম শরিফ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শারিফ কন্সট্রাকশন এসডিন এন্ড বিএইচডি; মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইজান গ্লোবাল ট্রেডিং এসডিন এন্ড বিএইচডি; এবং মোহাম্মদ আজিজুল হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাওয়ারি হলিডে। বাংলাদেশ ইয়ুথ কমিউনিটি মালয়েশিয়ার সভাপতি মোহাম্মদ রাজু, ফাউন্ডার সেক্রেটারি মোহাম্মদ রমজান, সহসভাপতি মোহাম্মদ আক্তার হোসেন, সহসভাপতি মোহাম্মদ রিজওয়ান, সহসভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, সহসভাপতি খান তারিকুল, সহসভাপতি মোহাম্মদ রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সোহাগসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম মোল্লা, ক্বারী আবু রায়হান, হাফেজ জুবায়ের আহমেদ তাসরিফ এবং হাফেজ মাওলানা ইকরামুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. জুবায়ের হোসেন। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিচারকদেরও তাদের মূল্যবান অবদান ও বিচারিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ এবং সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম মোল্লা।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘোষিত অতিরিক্ত ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের ছুটির বিষয়ে নমনীয় হওয়ার জন্য নিয়োগকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ঈদুল ফিতরের মতো উৎসব কর্মীদের জন্য পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর একটি অত্যন্ত অর্থবহ মুহূর্ত। তাই নিয়োগকর্তারা যদি ছুটির ক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয়তা দেখান, তাহলে কর্মীরা পারিবারিক বন্ধন, সম্প্রীতি ও আনন্দের পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন। বিবৃতিতে বলা হয়, কর্মীদের কল্যাণের কথা বিবেচনায় রেখে একটি সহানুভূতিশীল ও অগ্রগতিমূলক কর্মসংস্কৃতির অংশ হিসেবে নিয়োগকর্তাদের ছুটির বিষয়ে নমনীয়তা প্রদর্শনের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর আগে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা দেন, যদি ঈদুল ফিতর শুক্রবার (২০ মার্চ) হয়, তবে সরকার সোমবার (২৩ মার্চ) অতিরিক্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করবে। আর যদি ঈদ শনিবারে হয়, তাহলে শুক্রবার (২০ মার্চ) অতিরিক্ত ছুটি দেওয়া হবে। সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো মালয়েশিয়ার জনগণকে নিজ নিজ গ্রাম বা শহরে ফিরে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপনের সুযোগ করে দেওয়া। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণার বিষয়টি হলিডে অ্যাক্ট ১৯৫১ (অ্যাক্ট ৩৬৯) অনুযায়ী সরকারের ক্ষমতার আওতায় পড়ে, যেখানে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ছুটি ঘোষণা করতে পারে। এছাড়া ঘোষিত এই ছুটি বেসরকারি খাতের কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যা এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৫ (অ্যাক্ট ২৬৫)-এর ধারা ৬০ডি অনুযায়ী কার্যকর হবে। তবে আইন অনুযায়ী নিয়োগকর্তারা চাইলে ঘোষিত সরকারি ছুটির পরিবর্তে অন্য কোনো দিনকে বিকল্প বেতনসহ ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ছুটির ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কর্মীদের আগে থেকেই অবহিত করতে হবে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, যদি কোনো কর্মীকে ঘোষিত সরকারি ছুটির দিনেও কাজ করতে হয়, তাহলে তিনি এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৫ অনুযায়ী সরকারি ছুটির দিনে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকারী হবেন।