জাতীয়

পোস্টাল ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৫,৩৩,৬৮২ জন

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ০৬, ২০২৬ 0

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। অনলাইনে শেষ হওয়া নিবন্ধনে দেশে ও দেশের বাইরে মিলিয়ে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন ভোটার পোস্টাল ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। প্রথমবারের মতো চালু হওয়া এই ব্যবস্থাকে নির্বাচন ব্যবস্থায় একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে সরকার।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালটের অনলাইন নিবন্ধন সোমবার শেষ হয়েছে এবং প্রথমবার চালু হওয়া এই ব্যবস্থায় প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাড়া পাওয়া গেছে।

প্রেস সচিব নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে জানান, নিবন্ধনকারীদের মধ্যে দেশের ভেতরে রয়েছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪০ জন। তারা মূলত নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন অথবা ভোটের দিন নিজ নিজ এলাকায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না- এমন ভোটার। আর বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ভোটার রয়েছেন ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪২ জন।

শফিকুল আলম বলেন, এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, প্রবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে গড় অংশগ্রহণের হার প্রায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ। সেখানে বাংলাদেশ প্রথম বছরেই ৫ শতাংশের বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পেরেছে, যা নির্বাচন কমিশন ও সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এই পোস্টাল ব্যালট মডেলটি আন্তর্জাতিক পরিসরেও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউএনডিপি ছাড়াও ইউরোপের একাধিক দেশ এ ব্যবস্থা কীভাবে কার্যকর করা হয়েছে, তা পর্যবেক্ষণ করছে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশের এই মডেলের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। প্রবাসী জনসংখ্যা বেশি— এমন দেশগুলো বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু হবে। প্রেস সচিব বলেন, এবারের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে প্রবাসী ভোট আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন হিসাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের প্রবাসী জনসংখ্যা দেড় কোটির কাছাকাছি। তাঁদের সবাইকে ভোটের আওতায় আনাই সরকারের লক্ষ্য।

শফিকুল আলম আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, সেই প্রবাসী নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অতীতে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। প্রথমবারের মতো সে ঘাটতি পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই প্রধান উপদেষ্টা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

  ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তার অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় বিএনপির এই নেতাকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার কথা ছিল। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দেশেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিন বিকেল ৩টার পর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সন্ধ্যার আগেই প্রথম দফায় তার অপারেশন সম্পন্ন হয়। এরপর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। সন্ধ্যার পর আবারও দ্বিতীয় দফায় তার অস্ত্রোপচার হয়।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরাকে রিফুয়েলিং বিমান ভূপাতিত, নিহত ৪ মার্কিন সেনা

ছবি: সংগৃহীত

২৩ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ

ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সব ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করবে: স্পিকার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সব ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করবে।   শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১০টার কিছু আগে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্পিকার এ কথা বলেন।   সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধী দলগুলোর ওয়ার্কআউট প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, “বিরোধীদল তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি করেছে। প্রথম দিনই ওয়ার্কআউটটি না করলেই ভালো হতো। যাই হোক, এটি তাদের বিষয়।”   স্পিকার আরও জানান, সংসদের সরকার ও বিরোধী দল উভয়ে সহযোগিতার মাধ্যমে ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংসদ তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে বিরোধী দল সরকারকে গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করবে। বিশেষ করে ফ্যাসিস্টদের বাংলাদেশে পুনরায় উত্থান না হয়। সেজন্য সংসদের সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।   তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি এবং সংসদ দেখতে চাই। আশা করি এই ঐক্য স্থাপন করতে সক্ষম হব। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বিধান এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের ভূমিকা পালন করবে।”

আক্তারুজ্জামান মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নববধূ মিতুসহ তিনজনের দাফন সম্পন্ন

ছবি: সংগৃহীত

শৈলকুপায় ভিজিএফ কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

ছবি: সংগৃহীত

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে স্বর্ণের বারসহ যুবক আটক

ছবি: সংগৃহীত
১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, গত ১৭ বছর দেশে নির্বাচিত সরকার ছিল না। এই সময়ের জমে থাকা নানা সমস্যাকে ‘জঞ্জাল’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলো পরিষ্কার করতে হবে।   শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রহমতখালী খাল, ওয়াপদা খাল, জকসিন খাল ও মান্দারী খাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, “আমরা যেহেতু নির্বাচিত সরকার, তাই তারেক রহমানের নেতৃত্বে সকল বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব। যারা বিভিন্ন স্থানে দখল করে আছেন বা সহযোগিতা প্রয়োজন—সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের স্বার্থে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা যে উদ্যোগ নিয়েছি, তার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।”   তিনি আরও জানান, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারুল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে সারাদেশে খাল খনন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।   মন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। তখন এর সুফল হিসেবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছিল, মাছের চাষও বেড়েছিল। সেই কর্মসূচিকে আবারও এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করে তুলতে চাই।”   তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুরের রহমতখালী, ওয়াপদা, জকসিন ও মান্দারী খালে প্রচুর ময়লা-আবর্জনা জমে আছে এবং অনেক জায়গা দখল হয়ে গেছে। এগুলো অপসারণ না করলে খাল খননের সুফল পাওয়া যাবে না। তাই খাল খননের পাশাপাশি দখল ও বর্জ্য অপসারণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।   এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ জামান খান, বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এম বেলাল হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিমসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

আক্তারুজ্জামান মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভোক্তাকে চাহিদামতো পণ্য না দেওয়ায় প্রিন্স বাজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত

আগাম টিকিটে ট্রেনে ভোগান্তিহীন ঈদযাত্রা শুরু

ছবি: সংগৃহীত

উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

0 Comments