প্রবাসী

পোস্ট অফিসে ব্যালট জমা দিচ্ছেন কুয়েত প্রবাসীরা

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ২৯, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রথমবার স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সালমিয়া, হাওয়াল্লি, কাইফান পোস্ট অফিসে হলুদ খামে ব্যালট জমা দিতে আসেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

 

এদিকে, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়, শুধু আল মিসাইল পোস্ট অফিসে হলুদ খামে ব্যালট জমা দিলে কোনো ফি ছাড়াই জমা দিতে পারবে। আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে হলুদ খামে ব্যালট জমা দিতে প্রবাসীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। যারা নিবন্ধন করেছেন কিন্তু ব্যালট পাননি, তাদের ব্যালট সংগ্রহ করে দ্রুত জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

 

কুয়েতে ৩৫ হাজার ৩৮৬ প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে নারী ৫২৪ জন।

 

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যারা আগে অ্যাপে কিউআর কোড স্ক্যান করে ফেস ভেরিফাই সম্পন্ন করেছেন তারা হলুদ খামে ব্যালট পেপার জমা দিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছেন।

 

জামাল মিয়া নামের এক প্রবাসী বলেন, প্রবাসে আমার ২৫ বছর শেষ, বিদেশে থাকার কারণে কখনো ভোট দেওয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। এবার ভোট দিতে পেরে আমি অনেক খুশি। যে সরকারই আসে, তারা যাতে প্রবাসী ও তাদের পরিবারের জন্য কাজ করে।

 

নতুন পদ্ধতিতে প্রথমবার পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান সম্পর্কে ধারণা না থাকায় অনেক প্রবাসী ব্যালট নিয়ে এসেছেন অন্য প্রবাসীর সহযোগিতা নিতে। তারা অন্যের সহযোগিতায় অ্যাপের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পরে তারা যার যার নির্বাচনী এলাকা অনুযায়ী পছন্দের প্রার্থীর মার্কায় ও গণভোট হলুদ খাম পোস্ট অফিসে জমা দিচ্ছেন।

 

প্রত্যেক এলাকায় পোস্ট অফিস থাকলেও প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের কারণে অনেক পোস্ট অফিসের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যে কারণে একাধিক এলাকা নিয়ে একটি পোস্ট অফিসের কার্যক্রম সচল রেখেছে কুয়েত।

 

ব্যালট জমা দিতে আসা ওয়াসিম জানান, আমার এক বন্ধু নিবন্ধন করতে সহযোগিতা করেছে। কিউআর কোড স্ক্যানিং করে গোপন পিন নম্বর দিয়ে অ্যাপ চালু হলে আমার ফেস ভেরিফাই এবং সেলফি তুলে অ্যাপের কার্যক্রম শেষ করি। নিয়ম মেনে সংসদ নির্বাচনের ভোট ও গণভোট দিয়ে জমা দিতে এসেছি। এ পদ্ধতিতে একজন অন্যজনকে সহযোগিতা করতে পারবে। কিন্তু একজনের ভোট অন্যজন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

 

আবার অনেক প্রবাসী চাকরি ও দূরত্বের কারণে পোস্ট অফিসে যেতে পারছেন না। তারা বন্ধুবান্ধবদের সহায়তায় ব্যালট জমা দিচ্ছেন।

 

নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছে, যারা ব্যালট সংগ্রহ করেছেন তারা যেন দ্রুত হলুদ খামে ব্যালট পোস্ট অফিসে জমা দেন। ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে পৌঁছালেই কেবল ওই ব্যালট গণনা হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বাংলায় সতর্কবার্তা: ভিজিট ভিসায় হজ নয়, কঠোর অবস্থানে সৌদি

আসন্ন পবিত্র হজকে সামনে রেখে ভিজিট ভিসায় হজ পালনের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির জননিরাপত্তা অধিদপ্তর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলায় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রবাসীদের সাবধান করেছে।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের ভিজিট ভিসা ব্যবহার করে হজ পালন করা যাবে না। পর্যটন, পারিবারিক, ব্যক্তিগত কিংবা ট্রানজিট—সব ধরনের ভিজিট ভিসাধারীদের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য। হজ পালনের জন্য অবশ্যই নির্ধারিত হজ ভিসা অথবা বৈধ হজ পারমিট থাকতে হবে।   সৌদি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বেআইনিভাবে হজ করানোর প্রলোভন দেখালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   এ ছাড়া প্রতারক চক্র সম্পর্কে তথ্য দিতে দেশটির নাগরিক ও প্রবাসীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। মক্কা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের জন্য ৯১১ এবং অন্যান্য অঞ্চলের জন্য ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও নিশ্চিত করেছে পুলিশ।   হজ মৌসুমকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সৌদি আরব এবার আগের তুলনায় আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আক্তারুজ্জামান মে ২২, ২০২৬
সুরুজ কাজী। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে গিয়ে মাদারীপুরের যুবক নিহত

ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ায় চাকরির আশায় গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে গোপালগঞ্জের তিন যুবক

ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত

ছবি: সংগৃহীত
কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালানো নারীকে দেশে ফেরাচ্ছে সরকার

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর উদ্যোগে কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা এক নারী কর্মী দেশে ফিরছেন। পাশাপাশি মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ইরাকে থাকা ৭ বাংলাদেশি কর্মী তাদের পাসপোর্ট ফিরে পেয়েছেন।   বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।   এতে জানানো হয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর তৎপরতায় কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা ৩৪ বছর বয়সি বাংলাদেশি নারীর দেশে ফেরার ব্যবস্থা হয়েছে। ব্যাংকক দূতাবাসের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে উদ্ধার হওয়া নারী দেশে ফেরত আসবেন।   ২০২৫ সালের আগস্টে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওই নারী কম্বোডিয়া গমন করেন। কম্পিউটারের কাজ ও উচ্চ বেতন দেওয়ার কথা বলে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কম্বোডিয়া গমনের পর পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে তাকে একটি স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি করা হয়। সেখানে তাকে দিয়ে নানা ধরনের আর্থিক জালিয়াতি, মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মতো কাজ করানো হয়। সেখান থেকে একাধিকবার চেষ্টা করেও তিনি পালাতে ব্যর্থ হন।   অবশেষে ২০২৬ সালের ২০ মে দালালদের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসেন। অজানা জায়গায় আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কলে যোগাযোগ করে দেশে ফিরতে তার সহযোগিতা চান।   কল পেয়ে মন্ত্রী বাংলাদেশের ব্যাংকক দূতাবাসে নিয়োজিত শ্রম কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই নারীকে সহযোগিতার নির্দেশ দেন। দূতাবাস থেকে তরুণীর সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ করে তার অবস্থান নিশ্চিত হন কর্মকর্তারা। পরবর্তী সময়ে কম্বোডিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির সহায়তায় নমপেন শহর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে কম্বোডিয়া সরকারের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাস ইস্যুর মাধ্যমে ওই নারীকে বাংলাদেশ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে ব্যাংকক দূতাবাস থেকে জানা যায়।   অন্যদিকে, বুধবার (২০ মে) ইরাক প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরিফুল হক চৌধুরী ইরাকে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তদন্তে গিয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা কোম্পানির নিকট সাত প্রবাসী বাংলাদেশির পাসপোর্ট জব্দ থাকার প্রমাণ পান।   দূতাবাসের কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টায় আজ (বৃহস্পতিবার) সাতজন প্রবাসী তাদের পাসপোর্ট ফিরে পান। পাসপোর্ট পেয়ে প্রবাসীরা জানান, তারা ইরাকে কাজ করতে চান এবং তাদের কাজের ব্যবস্থা তারা নিজেরা করেছেন।   শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ করে অন্য দুই বাংলাদেশি ইরাক প্রবাসীর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ইরাক দূতাবাসকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন মন্ত্রী।   অভিযোগে বলা হয়, রিজু মিয়া ও আইলান মিয়া নামক দুই বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ইরাকে গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়েন। দালালরা তাদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করছে এবং তাদের ঠিক মতো খাবার সরবরাহ করছে না।   অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা বাগদাদের আরাসাত নামক আবাসিক এলাকায় ভাড়া নেওয়া বিল্ডিংয়ে দুই বাংলাদেশিকে খুঁজে পান। তবে তাদেরকে শারীরিক নির্যাতন করা বা অভুক্ত রাখার কোনো প্রমাণ কর্মকর্তারা পাননি। দুজনকে দূতাবাসের সহায়তায় রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ৭ মে ইরাক থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ফেরত পাঠানো হয়।

আক্তারুজ্জামান মে ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ওমানে অনুমতি ছাড়া কারও ছবি বা তথ্য ফেসবুক-টিকটকে দিলে সর্বোচ্চ ১ বছরের জেল

ছবি: সংগৃহীত

রুশ সেনাবাহিনীর কাছে ৩০ বাংলাদেশি বিক্রি, দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ

নিখোঁজ বিল্লাল শেখ (ইনসেটে) ও তার পরিবার।

মালয়েশিয়ায় ৯ দিন ধরে নিখোঁজ বাংলাদেশি যুবক

ছবি : সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় রাষ্ট্র সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা সভা

রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রবাসীদের ভূমিকা ও ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭ মে) কুয়ালালামপুরের রাধুনী বিলাস রেস্টুরেন্টে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।   সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্স মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও ডায়াস্পোরা সেল সম্পাদক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।   বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা, গণভোটের রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।   তারা বলেন, জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় দেশ-বিদেশে থাকা নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা জরুরি।   প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেন, প্রবাসীরা শুধু দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তিই নন, রাষ্ট্র গঠন ও গণতান্ত্রিক চেতনা বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। তিনি রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রমে প্রবাসীদের মতামত ও অংশগ্রহণকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।   সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং কার্যকর রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি। তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।   সভায় মালয়েশিয়া এনসিপির সদস্য সচিব আলম রওশন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সরকার সিআইপিসহ প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।  

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইংলিশ চ্যানেলে মানবপাচারের মূল হোতা কুর্দিস্তানে গ্রেফতার

ছবি : সংগৃহীত

ভালো চাকরির প্রলোভনে মালদ্বীপে প্রতারণার শিকার প্রবাসীরা

গবেষক ড. মো. আবু জায়েদ। ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি ও পরিবেশ গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি গবেষক

0 Comments