খেলাধুলা

ফুটবল বিশ্বকাপসহ টিভিতে আজ যা দেখবেন

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কাল ভোরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ মরক্কো। এছাড়াও ইংল্যান্ডে চলছে নারী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ।

 

বিশ্বকাপ ফুটবল

যুক্তরাষ্ট্র-প্যারাগুয়ে
সকাল ৭টা, বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময়

কাতার-সুইজারল্যান্ড
রাত ১টা, বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময়

ব্রাজিল-মরক্কো
পরের দিন ভোর ৪টা, বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময়

হাইতি-স্কটল্যান্ড
পরের দিন সকাল ৭টা, বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময়

১ম ওয়ানডে

ভারত-আফগানিস্তান
বেলা ২টা, স্টার স্পোর্টস ২

নারী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ

আয়ারল্যান্ড-স্কটল্যান্ড
বেলা ৩-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ১

অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা
সন্ধ্যা ৭-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ১

নিউজিল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ
রাত ১১-৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ১

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম তিন ম্যাচে ভারতের অধিনায়ক শুবমান গিল

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে বড় ধাক্কা খেল ভারত। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় আসন্ন সিরিজে খেলতে পারবেন না ভারতের তারকা পেসার প্রসিধ কৃষ্ণ।     আগামী দিনের সূচির কথা মাথায় রেখে প্রসিধকে তৈরি করছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁর না থাকা ভারতীয় বোলিং আক্রমণের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে। এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিটনেস নিয়ে শেষ পর্যন্ত সবুজ সঙ্কেত মেলেনি এই পেসারের। তাই আগামী ৪ নভেম্বর থেকে ভারত-নিউজিল্যান্ড পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে।       এদিকে সামনের ব্যস্ত সূচির কথা মাথায় রেখে কিইউদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে নেতৃত্বেও ভাগ করে দিয়েছে টিম ম্যানেজম্যান্ট। প্রথম তিনটি একদিনের ম্যাচে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন শুবমান গিল। শেষ দু’টি ম্যাচে অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাবেন শ্রেয়স আইয়ার।     একদিনের সিরিজের সব ক’টি ম্যাচেই খেলবেন বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা।       দু’জনেই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন।     বাংলার পেসার আকাশ দীপ টেস্ট দলে ফিরেছেন। অন্য দিকে, শেষ দু’টি একদিনের ম্যাচের দলে প্রথমবার সুযোগ পেয়েছেন উইকেটকিপার-ব্যাটার কুমার কুশাগ্র। ওয়ানডে সিরিজে খেলবেন না জশপ্রীত বুমরা। তবে দু’টি টেস্ট ম্যাচের জন্য তাঁকে দলে রাখা হয়েছে।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পেশির তীব্র ব্যামোয় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়লেন তাওহীদ হৃদয়

ছবি: সংগৃহীত

হ্যারি কেইন ও জো রুট: নিখাদ নম্রতার দুই ইংলিশ মহানায়ক

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়া কাপ আরচ্যারিতে কাজাখস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়

ছবি: সংগৃহীত
১ রানের আক্ষেপে সাদমান, আলোকস্বল্পতায় থামল বাংলাদেশের দাপুটে ব্যাটিং

মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের উদ্বোধনী দিনে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেও সেঞ্চুরির দেখা পেলেন না সাদমান ইসলাম। ক্যারিয়ারের আরেকটি শতক থেকে মাত্র এক রান দূরে থাকতেই আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়ে যায় খেলা। শেষ পর্যন্ত আর মাঠে বল না গড়ানোয় ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ।   বুধবার (২৮ অক্টোবর) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসের পর ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান ওপেনার সাদমান ইসলাম। দিন শেষে ৯৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। অন্য প্রান্তে ১০ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন কুমার দাস।   দিনের শুরুতে ক্যারিবীয় পেসারদের গতি ও সুইংয়ে বেশ সতর্ক থাকতে হয় বাংলাদেশের ব্যাটারদের। বিশেষ করে নতুন বলে জেইডেন সিলসের বোলিংয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। দলীয় মাত্র ৯ রানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে জাস্টিন গ্রিভসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৭ রান করেন তানজিদ।   শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে সাদমানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক। দুজন মিলে ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে দলের ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের ব্যাট থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৫৯ রান।   তবে ভালো শুরুর পর ইনিংস বড় করতে পারেননি মুমিনুল। স্পিনারের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৫১ বল মোকাবিলায় ২৮ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।   এরপর সাদমানের সঙ্গী হন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম সেশনে ২ উইকেটে ৯৬ রান তুলে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।   বিরতির পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন সাদমান। ৯৫ বলে তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম অর্ধশতক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এটি তার চতুর্থ ফিফটি। পুরো ইনিংসজুড়ে ধৈর্য, মনোযোগ ও শট নির্বাচনে পরিণত ব্যাটিংয়ের পরিচয় দেন এই ওপেনার।   অন্যদিকে অধিনায়ক শান্ত বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। জোমেল ওয়ারিকানের বলে সুইপ করতে গিয়ে প্যাডে আঘাত পান তিনি। শুরুতে মাঠের আম্পায়ার আউট না দিলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ রিভিউ নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বল স্টাম্পে আঘাত করত বলে নিশ্চিত হওয়ায় এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন শান্ত। ৪২ বলে ১৬ রান করেন তিনি। তার বিদায়ে ১১০ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।   তৃতীয় উইকেট পতনের পর সাদমানের সঙ্গে দলের হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয়। মুশফিকুর রহিমের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া এই ব্যাটার শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। চতুর্থ উইকেটে দুজনের জুটিতে বাংলাদেশের রান দ্রুত দুইশর কাছাকাছি পৌঁছে যায়।   তবে অর্ধশতকের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে মাঠ ছাড়তে হয় হৃদয়কে। ব্যক্তিগত ৪২ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।   হৃদয় মাঠ ছাড়ার পর সাদমানের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন লিটন কুমার দাস। দুই ব্যাটার মিলে দিনের বাকি সময় নির্বিঘ্নে পার করার চেষ্টা করেন।   কিন্তু ম্যাচে বাধা হয়ে দাঁড়ায় আলোকস্বল্পতা। প্রথম দফায় প্রায় ৫০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর আবারও মাঠে নামেন ক্রিকেটাররা। মাত্র চার ওভার খেলা হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়ে যায় ম্যাচ। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় প্রথম দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।   ফলে ৯৯ রানেই আটকে থাকতে হয় সাদমানকে। মাত্র এক রান করলেই টেস্ট ক্যারিয়ারে আরও একটি সেঞ্চুরি যোগ হবে তার নামের পাশে।   প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২১৩ রান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দ্বিতীয় দিনের খেলায় সাদমান ও লিটন আবারও ব্যাটিংয়ে নামবেন। সাদমানের সেঞ্চুরি পূরণের পাশাপাশি বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে রাখা।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যে কারণে বাদ মুশফিক

ছবি: সংগৃহীত

চতুর্থ স্তরের দলের কাছে হেরে লিগ কাপ থেকে বিদায় আর্সেনালের

সংগৃহীত ছবি

ইতিহাসের হাতছানি, মাইলফলকের সামনে মুশফিক

ছবি: সংগৃহীত
. ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এআইইউবি-এর দাপুটে জয়

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬-এর গ্রুপ 'বি'-এর দ্বিতীয় ম্যাচে এক দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিপক্ষে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পায় এআইইউবি।   মঙ্গলবার বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে এআইইউবি। খেলার ৯ মিনিটেই রাশাদুলের গোলে লিড নেয় দলটি।   এরপর ২৮ মিনিটে এআইইউবি আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে  ব্র্যাকের খেলোয়াড় নিজেদের জালে জড়িয়ে দেয়। এতে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় এআইইউবির।   প্রথমার্ধে ব্রাকের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় এআইইউবি।   দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আক্রমনের ধার আরো বাড়ায় এআইইউবি। এতে ব্রাকের রক্ষণভাগ একেবারে কোণঠাসা হয়ে পড়ে। গোল ঠেকাতে ব্যস্ত থাকে ব্রাক। এতে ম্যাচের ৪০ মিনিটে দারুণ ১ গোলে লিড আরো বাড়িয়ে দেন মঈন।     খেলার শেষ মিনিটে ব্রাকের জালে আরেকবার বল পাঠিয়ে শেষ পেরেক ঠুকে দেন আক্কাস। এতে ৪-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন তারা।     পুরো ম্যাচ জুড়েই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে কোনো গোল না হজম করেই মাঠ ছাড়ে এআইইউবি। ব্রাক ইউনিভার্সিটি বড় ব্যবধানে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ।   ম্যাচে চমৎকার পারফরম্যান্সের জন্য এআইইউবি-এর ফয়েজ ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন। এই দুর্দান্ত জয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিল এআইইউবি। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করছে দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস।     দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৫ অক্টোবর শুরু হয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ-২০২৬’।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মিরাজ-লিটন-তাসকিনকে নিয়ে ওয়ালটনের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানকে উড়িয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা, বিদায় ইংল্যান্ডের

ছবি: সংগৃহীত

মিরপুরের উইকেটে মানিয়ে নেওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ, সতীর্থদের বার্তা উইন্ডিজ অধিনায়কের

0 Comments