বিনোদন

ফিট থাকার রহস্য জানালেন মালাইকা

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের মডেল-অভিনেত্রী মালাইকা অরোরার ফিটনেস নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বেশ আলোচনার ঝড় ওঠে। যতই দিন যাচ্ছে, ততই যেন মোহময়ী হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী। এমন চেহারা ধরে রাখতে যে ধরনের ব্যায়াম করা জরুরি তা নিজেই শিখিয়ে দিলেন তিনি।

 

আপনি ব্যায়াম করেও পেটের মেদ কমাতে পারছে না। ভুঁড়ি দিন দিন বেড়েই চলেছে। পূজার আগে রোগা হওয়ার চেষ্টা চালাতে অনেকেই কঠোর ডায়েট শুরু করে দিয়েছেন। একবেলা উপোস করে ওজন কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তবে খাওয়া-দাওয়া যদি পছন্দমতো করেও ওজন কমাতে হয়, তাহলে ব্যায়াম করতে হবে। 

 

সামাজিক মাধ্যমে নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রায়ই নানা ধরনের ব্যায়ামের পদ্ধতি শেখান মালাইকা অরোরা। অভিনেত্রীর ফিটনেস নিয়ে আলোচনা সর্বত্রই। পেট-কোমর ও নিতম্বের মেদ কমাতে কেমন ব্যায়াম করা উচিত তা শিখিয়ে দিয়েছেন তিনি। তার মতো নির্মেদ চেহারা পাওয়া অসম্ভব নয়। যোগাসনের কিছু পদ্ধতিতেই তা সম্ভব করে গড়ে তুলবে।

 

অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ৪০ পেরিয়ে অনেকের পক্ষেই জিমে গিয়ে ভারি যন্ত্রপাতি নিয়ে ব্যায়াম করা সম্ভব হয় না। তাই যোগাসনই ভালো বিকল্প হতে পারে। সঠিক নিয়ম মেনে অভ্যাস করলে পুরো শরীরের মেদ ঝরবে। এর পাশাপাশি পিঠ ও কোমরের পেশির জড়তাও দূর হবে।

চলুন পূজার আগেই ছিপছিপে হবে চেহারা, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে—

 

কপোতাসন

প্রথমে ম্যাটের ওপর হামাগুঁড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে বসুন। এবার ডান হাঁটু ভাঁজ করে বাঁ হাতের পাশ দিয়ে প্রসারিত করুন। বাঁ পা ঠেলে দিন পেছনের দিকে। এবার দুই হাতের তালু মাটিতে রাখুন। ঘাড়, পিঠ ও কোমর থাকবে টান টান। এ অবস্থান ধরে রাখুন ১০ সেকেন্ড। এবার বাঁ হাঁটু উল্টো দিকে ভাঁজ করে কোমরের কাছাকাছি টেনে আনতে চেষ্টা করুন। দুই হাত মাটি থেকে তুলে নিয়ে যেতে হবে মাথার পেছন দিকে। বাঁ পায়ের পাতা আর ডান হাতের কনুই একে অপরকে স্পর্শ করে থাকবে।

 

শলভাসন

উপুড় হয়ে ম্যাটের ওপর শুয়ে পা দুটি একসঙ্গে টান টান করে রাখুন। দুই হাত রাখুন দুই ঊরুর নিচে। ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে এবার বাঁ পা ওপরের দিকে তুলুন। হাঁটু যেন ভাঁজ না হয়। ডান পা একেবারে টান টান থাকবে। এ অবস্থানে থাকুন ৫ সেকেন্ড। এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে নিচে নামান। একই পদ্ধতিতে শ্বাস নিতে নিতে দুই পা ওপরের দিকে তুলুন। ৫ সেকেন্ড এ অবস্থানে থেকে শুরুর ভঙ্গিতে ফিরে আসুন। এভাবে তিন সেট অভ্যাস করতে হবে।

 

সিটেড হিপ রোটেশন

ম্যাটে পা ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসুন। এবার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। হাঁটু সামান্য ভাঁজ করুন। এরপর নিতম্বের ওপর ভর দিয়ে পা ও কোমর বৃত্তাকারে ঘোরাতে হবে ধীরে ধীরে। এটি করার সময়ে মেরুদণ্ড যথাসম্ভব সোজা রাখার চেষ্টা করুন। এ ব্যায়ামে নিতম্বের মেদ কমবে, কাফ মাসলের ব্যায়ামও হবে। শরীরের নিম্নাংশের পেশির জোর বাড়বে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মেয়ের জন্মদিনে আসন্ন সন্তান নিয়ে বার্তা দীপিকা-রণবীরের

বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং বর্তমানে ‘প্রলয়’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তবে দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হওয়ার পর তিনি নাকি সংসারে মন দেবেন বলে জানিয়েছেন।   রণবীর সিং আগস্ট মাস থেকে তার নতুন সিনেমা ‘প্রলয়’-এর কাজ শুরু করেছিলেন। দীপাবলি পর্যন্ত শুটিং করবেন এ অভিনেতা। এরপর তিনি পিতৃত্বকালীন ছুটিতে যাবেন। আগামী ২০২৭ সালে ফের সিনেমার দ্বিতীয় দফার শুটিং শুরু হওয়ার কথা।   অন্যদিকে মা হওয়ার পর অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন শর্ত দিয়েছিলেন— আট ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না। কন্যা দুয়ার সঙ্গে সময় কাটাবেন। তবে রণবীর ব্যস্ত ছিলেন সেই সময়ে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার শুটিং নিয়ে। কিন্তু দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর সংসারে সময় দিতে চাইছেন রণবীর।   দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় দিন গুনছেন দীপিকা পাড়ুোকন ও রণবীর সিং। এর মধ্যেই দেখতে দেখতে দুয়া পাড়ুকোন সিংয়ের বয়স দুই বছর হয়ে গেল। বাবা-মায়ের মধ্যমণি সে। কন্যার জন্মদিনের একগুচ্ছ ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিলেন এ তারকা দম্পতি।   সেই সঙ্গে অভিনেত্রীর মাতৃত্বের দুই বছর পূর্ণ হলো মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর)। এই দিনে দীপিকার স্ফীতোদরও প্রকাশ্যে এলো। আসন্ন সন্তানও তাদের ভাগ করা ছবিতে জায়গা করে নিল।    সাদা রঙের লেসের তৈরি প্যান্ট ও ক্রপ টপ, মুখ প্রসাধনহীন। এমন বেশে দেখা গেছে দীপিকা  পাড়ুকোনকে। রণবীরের পরনেও ছিল সাদা রঙের প্যান্ট ও লিনেন শার্ট। আর ছোট্ট দুয়ার পরনেও সাদা রঙের ফ্রিল দেওয়া টপ ও প্যান্ট। মাথায় ফিতে দিয়ে বাঁধা ঝুঁটি। বাবা-মায়ের সঙ্গে হাসির ফোয়ারা তার মুখেও।   একটি ছবিতে দেখা গেছে, দীপিকা ও রণবীরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছোট্ট দুয়া। সে মুখ ঢেকে আহ্লাদিত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আবার কোথাও দেখা যাচ্ছে দীপিকার স্ফীতোদর ছুঁয়ে দেখছে দুয়া ও রণবীর। আরেক ছবিতে দেখা গেছে, দুয়াকে কোলে নিয়ে খেলছেন রণবীর সিং।   সামাজিক মাধ্যমে ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশনে দীপিকা ও রণবীর লিখেছেন— বেবি দুয়া এবং আমাদের মন— দুটোই বড় হচ্ছে। আপনাদের আশীর্বাদের জন্য ধন্যবাদ।    দুয়াকে ভক্ত-অনুরাগীরা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আর আসন্ন সন্তানের জন্য তারকা দম্পতিকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ফিট থাকার রহস্য জানালেন মালাইকা

ছবি: সংগৃহীত

বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ, প্রতিবাদে ১২২ দৃশ্যশিল্পী

ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িত ৫ জন শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট

বাঁধনসহ আরও অনেকে। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে কী বলেছিলেন বাঁধন

২০২৪ সালে ১ আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ‘দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজ’-এর ব্যানারে রাজপথে নামেন চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, থিয়েটারসহ শোবিজের বিভিন্ন অঙ্গনের কর্মীরা। বৃষ্টিতে ভিজে সেদিন ফার্মগেট এলাকায় ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দিতে এসে দাঁড়ান তারা।   এদিন শোবিজের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধনও উপস্থিত ছিলেন। সংস্কারের পক্ষে সরব দেখা যায় তাকে।   রাজপথে সেদিন বাঁধন বলেন, ‘যে রাষ্ট্র প্রকাশ্যে নিরীহ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়, যে রাষ্ট্র নির্বিচারে গণগ্রেফতার করে, সেই রাষ্ট্র কখনও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। এই রাষ্ট্র আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারে নাই, এর দায় রাষ্ট্রের নিতে হবে। মারা যাওয়া বাচ্চাগুলোর জায়গায় আমার মেয়ে থাকতে পারতো, ওই মানুষগুলোর জায়গায় আমি থাকতে পারতাম। এই দায় রাষ্ট্রের নিতে হবে। আমাদের নিরাপত্তা দিতে হবে।’     তিনি আরও বলেন, ‘আমি যখন আমার অধিকারের জন্য রাস্তায় দাঁড়াবো তখন কোনও অত্যাচার করতে পারবে না। এই রাজনীতি থেকে বের হতে হবে। আমার অন্য কোনও দেশের পাসপোর্ট নাই। আমি এই দেশেই থাকবো, আমার অধিকার, স্বাধীনতা নিয়ে থাকবো। এইভাবে নিপীড়িত হয়ে থাকবো না। আমার সন্তান এই পরিবেশে বেড়ে উঠবে না। সংস্কার আমরাই করবো।’   বাঁধন ছাড়াও সেদিন আরও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা মামুনুর রশীদ, মোশাররফ করিম, ইরেশ যাকের, সিয়াম আহমেদ, মোস্তফা মনওয়ার, সাবিলা নূর, মিথিলা, নাজিয়া হক অর্ষা, শ্যামল মওলা, নির্মাতা নুরুল আলম আতিক, আকরাম খান, অমিতাভ রেজা চৌধুরী, মাতিয়া বানু শুকু, রেদওয়ান রনি, আশফাক নিপুণ, আদনান আল রাজিব, পিপলু আর খান, সৈয়দ আহমেদ শওকি প্রমুখ।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মিথিলার সঙ্গে আলাদা থাকছেন সৃজিত, বিচ্ছেদের জল্পনা

ছবি: সংগৃহীত

‘আক্রমণের লক্ষ্য সব সময় নারীরাই’, তৃষাকে সমর্থন জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ কঙ্গনার

ছবি: সংগৃহীত

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ মৌসুমী হামিদের

ফাইল ছবি
আমাকে ভেঙে ফেলা এত সহজ নয়: বাঁধন

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ইতালির ভেনিসে তার ওপর হামলা ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেছেন, আমি কেস ফাইল না করে ভেনিস থেকে বাংলাদেশে আসছি না। এটার শেষ আমি দেখে ছাড়ব।   মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাঁধন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, আমি আমার মাথা কখনো নত করিনি। আর সেটা করতে ভুলেও গেছি। আমাকে ভেঙে ফেলা এত সহজ না।   তিনি বলেন, আমাকে এখানকার পুলিশ অনেক হেল্প করেছে। গতকাল রাতে আমাকে একটা নিরাপদ জায়গায় তারা পৌঁছে দিয়েছে। আজকে আমাদের অ্যাম্বাসেডর (ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত) ফোন করেছেন। তার অফিস থেকে লোক আসছে। তাদের সঙ্গে আমি থানায় যাচ্ছি কেস ফাইল করতে।   তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমাদের কাছে সমস্ত এভিডেন্স আছে। আমরা অলরেডি অনেকজনকে আইডেন্টিফাই করেছি।    বাঁধন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রত্যেকটা মানুষই গতকাল থেকে যেভাবে আমাকে সাপোর্ট করেছেন, আমি ভীষণভাবে কৃতজ্ঞ। আমি মনে করি, আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি।   ওই ঘটনার পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানও জানিয়েছেন, অভিনেত্রী বাঁধনকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।   বর্তমানে ভেনিসেই আছেন বাঁধন। এর আগে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতালির ভেনিসে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বাঁধনকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। ছবি: সংগৃহীত

রহস্যময় ‘লালপরী’ হয়ে আসছেন স্পর্শিয়া

ছবি: সংগৃহীত

এক দশক পর পর্দায় ফিরছে ‘দ্য ইনবিটুইনার্স’, থাকছেন পুরোনো চার বন্ধু

ছবি: সংগৃহীত

ইতালিতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ

0 Comments