বিশ্ব

পশ্চিমবঙ্গে ধর্মভিত্তিক সহায়তা বন্ধ: ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতের ভাতা বাতিল

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ১৯, ২০২৬

ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে যেসব সরকারি সহায়তামূলক প্রকল্প চালু ছিল, সেগুলো ধাপে ধাপে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এর ফলে পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের ঘোষিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং পুরোহিতদের সম্মানী প্রদানও আগামী মাস থেকে বন্ধ হয়ে যাবে।

 

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

 

তিনি জানান, চলতি মাস পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর সুবিধা পাওয়া যাবে, তবে আগামী মাস থেকে এগুলো আর কার্যকর থাকবে না।

 

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের অধীনে ধর্মীয় শ্রেণিবিন্যাসকে ভিত্তি করে যেসব অনুদান বা সহায়তা দেওয়া হতো, সেগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান।

 

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এর ফলে পূর্ববর্তী সময়ে চালু থাকা ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং পুরোহিতদের মাসিক ভাতার মতো বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক অনুদান প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

 

আগে এই ধরনের সুবিধার আওতায় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের এক হাজার ৫০০ টাকা মাসিক ভাতা দেওয়া হতো, যা পরে বাড়িয়ে দুই হাজার টাকা করা হয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তে সেই ধরনের কাঠামোগত সহায়তা ব্যবস্থাই বন্ধ হওয়ার পথে রয়েছে।

 

সরকার গঠনের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে কর্মসংস্থান ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেছিল বিজেপি। সেই প্রেক্ষাপটে সরকার গঠনের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই বড় ঘোষণা এলো।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হরমুজ প্রণালি। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজে শুধু আমরাই মাইন অপসারণ করব: ইরান

ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের কাজ শুধু ইরানই করতে পারবে।  এ কাজে অন্য কোনো দেশকে অংশ নিতে দেওয়া হবে না। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।  ম্যাক্রোঁ জানিয়েছিলেন, সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে তারা তাদের অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে রোববার (২৮ জুন) ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী গারিবাবাদি ওমানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। এদিকে, কাতারের রাজধানী দোহায় চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বৈঠক হওয়ার তথ্য নাকচ করেছে ইরান। তবে কাতারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে নিজেদের অবস্থানেও অনড় থাকার কথা জানিয়েছে দেশটি। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের রাজধানী দোহায় চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো কারিগরি বৈঠক হবে— এমন তথ্য নিশ্চিত করেনি ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেছেন, এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো কারিগরি বৈঠকের সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।

মারিয়া রহমান জুন ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৭১৯, এখনও নিখোঁজ হাজারো মানুষ!

ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৮, আহত ৩৪

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ভেতরে ‘নতুন শক্তি’ তৈরি হয়েছে: সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত
জার্মানিতে বন্দুকধারীর তাণ্ডব, নিহত ৫

উত্তর জার্মানির স্টাড শহরে বন্দুকধারীর গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ।   সোমবার (২৯ জুন) এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, হামলার পেছনের উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। খবর রয়টার্সের।    জার্মানির স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হামলাটি হামবুর্গের পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ৫০ হাজার জনসংখ্যার স্টাড শহরের কেন্দ্রস্থলের একটি যুবকেন্দ্রে ঘটেছে।   কয়েকটি গণমাধ্যমে একাধিক হামলাকারীর সম্পৃক্ততার কথা বলা হলেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি পুলিশ।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ফ্যান জোনে গুলি, নিহত ১

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক কবে? জানালেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

চার মাসে ইসরায়েলে ৪ হাজার ৮০০ সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান

ছবি: সংগৃহীত
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে নিহত ২৯

আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। রোববার (২৮ জুন) রাতে পরিচালিত ওই অভিযানে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগী সংগঠনের ২৯ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পাকিস্তান।   পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এবং দেশটির সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।   সরকারি তথ্যমতে, নিহতরা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং এর সহযোগী সংগঠন জামাতুল আহরার-এর সদস্য। আফগান তালেবানের আদর্শে প্রায় আড়াই দশক আগে গঠিত টিটিপিকে পাকিস্তান সরকার কয়েক বছর আগে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। দেশটির সরকারি ভাষ্যে সংগঠনটিকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ নামে উল্লেখ করা হয়।   এর আগে শনিবার (২৭ জুন) রাতে সিন্ধুর রাজধানী করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় পাকিস্তান রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলায় তিন রেঞ্জার্স সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনার জের ধরেই সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানায় আইএসপিআর।   সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে হামলার সময় পাল্টা অভিযানে তিন হামলাকারী নিহত এবং একজন আহত অবস্থায় আটক হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি জানান, তারা টিটিপির সহযোগী সংগঠন জামাতুল আহরার-এর সদস্য।   তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্ট অনুযায়ী, রোববারের অভিযানে খাইবার পাখতুনখোয়ার বাজাউর সীমান্তের ওপারে টিটিপি ও জামাতুল আহরারের বিভিন্ন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে টিটিপির শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডার খান ফারোশ ওরফে আকা জাবাল নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পাকিস্তানের দাবি, তিনি জামাতুল আহরারের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছিলেন।   টিটিপিকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর ইসলামাবাদ বারবার অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে টিটিপি পাকিস্তানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। তবে কাবুলের তালেবান সরকার এ অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছে।   দুই দেশের মধ্যে এ ইস্যুতে একাধিকবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়া সীমান্তে হামলায় কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং কয়েকজনকে অপহরণের ঘটনার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান।   রোববারের অভিযানে বাজাউর সীমান্তে পরিচালিত সামরিক অভিযানও ওই ‘অপারেশন গজব-লিল হক’-এর অংশ বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার।   সূত্র: ডন

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৯, ২০২৬
ফাইল ছবি

কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবুও ইসরায়েল থেকে যুদ্ধাস্ত্র কিনেছে সৌদি ও কাতার!

উদ্ধার হওয়া শিশু মোইসেস। ছবি: সংগৃহীত

ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি : সংগৃহীত

সেনা প্রত্যাহারের সুস্পষ্ট সময়সূচি ছাড়া চুক্তি টেকসই হবে না: ইরান

0 Comments