বিশ্ব

নৌ মহড়ায় ইরানের উপস্থিতির জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার তীব্র নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ১৬, ২০২৬

 ইরানে বিক্ষোভের বিরুদ্ধে শাসকগোষ্ঠীর কঠোর দমন-পীড়ন ব্যবস্থার কারণে, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে নৌ মহড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির উপস্থিতিকে ‘বিশেষভাবে নিন্দনীয়’ বলে সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় অংশ নিতে চীন, ইরান, রাশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাহাজগুলো প্রায় এক সপ্তাহ আগে কেপ টাউনের উপকূলীয় জলসীমায় প্রবেশ করে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার চীন-নেতৃত্বাধীন এই মহড়া থেকে ইরানকে সরে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছিল। 

এই মহড়া এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ইরানে দমন-পীড়ন চলছে, আর এর ফলে মানবাধিকার কর্মীদের মতে, কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।

মহড়াগুলোতে ইরানি জাহাজগুলো ঠিক কতটা জড়িত ছিল, তা স্পষ্ট নয়। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার নৌবাহিনী এই মহড়াগুলোকে ন্যায্যতা দিয়ে বলেছে, এগুলো ‘জাহাজ চলাচলের পথ ও সামুদ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার’ জন্য প্রয়োজনীয়।

সমালোচকরা উল্লেখ করেছেন, এই মহড়ায় এমন দেশগুলো একত্রিত হয়েছে, যাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের কূটনৈতিক মতপার্থক্য রয়েছে। অথচ একই সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকা  ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছে, ‘ইরান একটি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি এবং সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র। যৌথ মহড়ায় যে কোনো সক্ষমতায়ই হোক না কেন, ইরানের অন্তর্ভুক্তি সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এটি বিশেষভাবে নৈতিকতা বিরোধী যে তারা ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীকে স্বাগত জানিয়েছে ঠিক সেই সময়ে, যখন তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া ইরানি নাগরিকদের ওপর গুলি চালাচ্ছে, কারাবন্দি করছে ও নির্যাতন করছে, অথচ অধিকার অর্জনের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকানরা নিজেরাই এত কঠোর সংগ্রাম করেছে। 

গাজা যুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার গণহত্যা মামলাসহ বিভিন্ন নীতিগত মতপার্থক্যের কারণে ওয়াশিংটন ও প্রিটোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছে।

দূতাবাস বলেছে, ‘ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকে ‘ন্যায়বিচার’ নিয়ে উপদেশ দিতে পারে না।’

বিক্ষোভের সময় গ্রেফতারকৃতদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যদিও তিনি তার সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন বলে মনে হচ্ছে।

ট্রাম্প প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আমেরিকা বিরোধী নীতির অভিযোগ এনেছে এবং নভেম্বরে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন বয়কট করেছে। 

এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩০ শতাংশ বাণিজ্য শুল্ক আরোপ করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রতীকী ছবি
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার সম্ভাবনায় তেলের দামে বড় পতন

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তির আশায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে একটি চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।   সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারের তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে যায়। জ্বালানির দাম কমে আসায় স্বস্তি ফিরেছে এশিয়ার ব্যবসা-বাণিজ্যে। এর প্রভাবে জাপানের প্রধান শেয়ার সূচক ‘নিক্কেই ২২৫’ প্রায় আড়াই শতাংশ বেড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর ব্যাপক নির্ভরশীল হওয়ায় চলমান সংঘাতের কারণে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে ছিল। সম্ভাব্য এই চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নৌপথ পুনরায় সচল করা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়েই পরিবহন করা হয়। ফলে মার্চ থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত করতে তিনি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এছাড়া ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও তার ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যেকোনো চুক্তিতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখার কঠোর শর্ত থাকবে। তবে আলোচনার অগ্রগতি হলেও ট্রাম্প তার আলোচক দলকে ধীরস্থিরভাবে এগোনোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে একটি কার্যকর ও টেকসই চুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে কিছু বিষয়ে দূরত্ব কমলেও এখনো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। জ্বালানি ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি চুক্তির খবরে আপাতত তেলের বাজারে স্বস্তি ফিরলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কারণ, যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত তেল স্থাপনা পুনর্গঠন এবং বিশ্ববাজারে কমে যাওয়া জ্বালানি মজুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হবে। সূত্র : বিবিসি।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৫, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নয়, যুক্তরাষ্ট্র ধীরে এগোবে : ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ভেঙে ফেলার পক্ষে ট্রাম্প : নেতানিয়াহু

সংগৃহীত ছবি

খসড়া চুক্তিতে থাকছে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাব

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, বাকি মাত্র ৫ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় একটি বড় ধরনের সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, চুক্তির প্রায় ৯৫ শতাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে এবং এখন শুধু কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।   খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ইউরেনিয়াম মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির বিষয়গুলো নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। তবে যেকোনো সময় চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচকদের তাড়াহুড়া না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনও সময় রয়েছে এবং ধীরে-সুস্থে চুক্তি চূড়ান্ত করা উচিত। অন্যদিকে, আলোচনায় ইরানের ওপর থাকা কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ ছাড় এবং ধাপে ধাপে উত্তেজনা কমানোর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের নেতা মোজতবা খামেনি নীতিগতভাবে এই চুক্তির কাঠামোতে সম্মতি দিয়েছেন। তবে ইরানের অভ্যন্তরীণ অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে এবং আন্তর্জাতিক তেলবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

টানা তিন বছর হজে যেতে পারছেন না গাজার মুসল্লিরা

সংগৃহীত ছবি

ইবোলা আতঙ্কে কঙ্গোয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগুন, উধাও ১৮ রোগী

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চললেও পশ্চিমা দেশগুলো থেকে হজে মুসল্লিদের ঢল

ছবি : সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলার পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নেবেন মাচাদো

 ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। শনিবার পানামা সফরের সময় তিনি এ ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি ভেনেজুয়েলার প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। পানামা সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। মাচাদো বলেন, ‘আমি প্রার্থী হব।’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলা-সংক্রান্ত পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।  তার বিশ্বাস, এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের পথ তৈরি করবে। মাচাদো বলেন, এখানে একটি লক্ষ্যই রয়েছে। আর তা হলোÑ আমাদের দেশকে মুক্ত করা এবং স্বাধীন ও সুষ্ঠু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিশ্চিত করা, যেখানে সব ভেনেজুয়েলাবাসী ভোট দিতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র সরকার, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ওপর বিশ্বাস রাখি, আস্থা রাখি ও অর্জিত অগ্রগতির জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।’ সোমবার এখনও পানামায় অবস্থানকালে মাচাদো দেশটির প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো এবং জাতীয় পরিষদে সফর করবেন। ট্রাম্প এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী মাদুরোকে আটক করার পর নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এখনও কোনো নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বিস্ফোরণের ঝুঁকিতে রাসায়নিক ট্যাংক

ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেনে ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথা নিশ্চিত করেছে রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত

শান্তি চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

0 Comments