সারাদেশ

নওগাঁ রণক্ষেত্র

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬


নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই দলের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ও নেতাকর্মী সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়নে মাখনা কোমলগোটা এলাকার জামায়াত কর্মী শহীদ মোল্লা বাড়িতে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ স ম সায়েমসহ কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছিল।

এ সময় গোপাই গ্রামের বিএনপির কর্মী সমর্থকরা তাদের খাবারের ভিডিও ধারণ করছিলেন। ছবি উঠানো নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ হলে দুপক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন।


হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের ঘরবন্দি করে রাখলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতে আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, গণসংযোগ শেষে বিকেলে প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ.স.ম সায়েম ভাই একটি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। এ সময় বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পাইপ নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা করে। হামলায় আমাদের ৮ জন কর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং জামায়াতের লোকেরা হামলা করে আমাদের দুজনকে আহত করাসহ মোবাইল ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমাদের ছেলেদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জানা গেছে।

তিনি আরও বলেন, এলাকাটি প্রত্যন্ত। কিছুদিন আগে ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলু ওই এলাকায় প্রচারণায় গিয়েছিলেন। সেখানে স্থানীয় বিএনপি নেতা জালাল খাবারের আয়োজন করেছিল। কিন্তু জামায়াতের লোকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করায় ম্যাজিস্ট্রেট আসে। প্রায় ২০০ লোক খেতে না পারায় খাবারগুলো নষ্ট হয়ে যায়। জামায়াতের লোকজন আজ খাবারের আয়োজন করে। সেখানে আমাদের ছেলেরা গিয়ে খাবারের ভিডিও করার সময় জামায়াতের লোকজন মারধর করে এবং মোবাইল ভাঙচুর করে। এতে দুজন আহত হয়েছে।

নওগাঁ সদর থানার ওসি নিয়ামুল হক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। যে যার মতো ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
বরিশালে শনিবার ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ আজ। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহে অনুষ্ঠাতব্য এই সমাবেশে অংশ নেবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।   এছাড়াও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মসজিল, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জগপা) সহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন।   বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটি। সমাবেশ স্থলে মঞ্চ তৈরির পাশাপাশি বরিশালজুড়ে পোস্টার, বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। দফায় দফায় বৈঠক করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতারা।   জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল অঞ্চল পরিচালক ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল জানিয়েছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। সমাবেশে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহে সমাবেশ শুরু হবে।   তিনি জানান, বিভাগীয় সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল।   এছাড়াও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ-বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা’র সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং বিডিপি’র চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁনসহ ঐক্য জোটের কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।   মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা ও আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান শনিবার সকালে সড়ক পথে বরিশাল এসে পৌঁছাবেন। নগরীর প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপার থেকে শুরু করে নথুল্লাবাদ, হাতেম আলী চৌমাথা, আমতলার মোরসহ সার্কিট হাউস পর্যন্ত সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে বরণ এবং সংবর্ধনা জানাবেন।   তিনি বলেন, সমাবেশ বাস্তবায়ন এবং সুশৃঙ্খল করতে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পরিবহন ও নৌযান নোঙরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা ও পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।   সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সমাবেশের নিরাপত্তায় দায়িত্বপালন করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও মিডিয়া কর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজার সৈকতে আচমকা মিনি টর্নেডো

ছবি : সংগৃহীত

শিশুর পা মুচড়ে নির্যাতন, অভিযুক্ত চাচি গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনের মামলায় ঘটনাস্থল ভুল, তদন্তে বিভ্রান্তি

ছবি : সংগৃহীত
চুরির অভিযোগ, বিচিত্র শাস্তি হিসেবে যুবককে আদায় করতে হলো ১০০ রাকাত নামাজ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করিয়ে এবং তওবা করিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।    শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ সোনাপাহাড় ফকির আস্তানা এলাকায় এই ঘটনা ঘট।    অভিযুক্ত ওই যুবকের নাম রেজাউল করিম (৩৫)। তিনি মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছিল, তবে কাউকে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। গতকাল দুপুরে একটি মোবাইল ফোন ও প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরির সময় স্থানীয়রা রেজাউল করিমকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে নিজের ভুল স্বীকার করতে বলা হয়। সেখানে উপস্থিত জনসাধারণের সিদ্ধান্তে শাস্তিস্বরূপ তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো অপরাধে জড়াবেন না, এমন অঙ্গীকার করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।   বিষয়টি নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহাম্মদ খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ ছিলেন এলাকাবাসী। শুক্রবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তাকে মারধর না করে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সে যেন ভবিষ্যতে আর এমন পথ বেছে না নেয়, সেজন্য তাকে তওবা করিয়ে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করানো হয়েছে।’   জানতে চাইলে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত নই, কেউ আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ জানায়নি। তবে চুরির অভিযোগে কাউকে আটক করা হলে আইন অনুযায়ী তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা উচিত ছিল।’

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ, মিলল যুবকের মরদেহ

ছবি: সংগৃহীত

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হবে ৯ হাজার কিউসেক পানি

রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি প্রায় বিপৎসীমার কাছাকাছি। তাই শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হবে ৯ হাজার কিউসেক পানি। এরই মধ্যে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে বলে জানায় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ।   জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্রায় প্রতিনিয়ত রাড়ছে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি। এরই মধ্যে কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে পানির রয়েছে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের রুলকার্ভ অনুযায়ী ১০৪.০১ ফুট বা এমএসএল। যদি ১০৯.০০ ফুট বা এমএসএল হয় তাহলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। তাই কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধের ভারসাম্য রক্ষা করতে হ্রদের পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, শনিবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে খোলা হবে। আর কর্ণফুলী নদীতে পানি ছাড়া হবে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি, খোলা হচ্ছে ১৬টি গেট

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কঙ্কাল চুরির ঘটনার পর কবরস্থানে মানুষের ভিড়। ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরে কবর খুঁড়ে ৯টি কঙ্কাল চুরি

ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের পরদিন মসজিদে মিলল মুয়াজ্জিনের লাশ, শোকে মারা গেলেন মামা

0 Comments