সর্বশেষ

মিরপুর স্টেডিয়ামে ভাঙচুর

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ১৫, ২০২৬

ঘটনাবহুল একটি দিন পার করেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেওয়ায় মাঠে গড়ায়নি বিপিএলের কোনো ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে চলমান বিপিএল আসর।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই স্টেডিয়ামে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মধ্যকার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কট করায় টস পর্যন্ত হয়নি। এমনকি খেলোয়াড়রা মাঠে উপস্থিতও হননি।
এর ফলে স্টেডিয়ামের ভেতরে অবস্থান করা দর্শক এবং বাইরে অপেক্ষমান দর্শক-জনতার মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায় কিছু মানুষ।
পরে স্টেডিয়ামের সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা হস্তক্ষেপ করেন এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

সর্বশেষ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজার-ঢাকা পথে চলন্ত বাসে আগুন, জানালা ভেঙে বাঁচলেন ৩০ যাত্রী

কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী একটি এসি বাসে আগুন লাগার ঘটনায় অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ৩০ পর্যটক। শুক্রবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে রামুর কলঘর বাজারের পশ্চিম পাশে এন আলম ফিলিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।   আগুন লাগার পর স্থানীয়দের সহায়তায় বাসের জানালার কাচ ভেঙে যাত্রীদের দ্রুত বাইরে বের করে আনা হয়। ফলে এ ঘটনায় কোনো যাত্রী হতাহত হননি।   প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসযাত্রীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কিছুক্ষণ পর বাসের ভেতরে পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। কিছুক্ষণ পর যাত্রীরা বাসের ভেতরে আগুন দেখতে পান। এতে মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।   পরিস্থিতি বুঝতে পেরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা বাসের জানালার কাচ ভেঙে একে একে যাত্রীদের বের করে আনেন। পরে বাসের ভেতরে থাকা যাত্রীদের লাগেজ ও অন্যান্য মালামালও উদ্ধার করে তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়।   খবর পেয়ে রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।   পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন বাসটির যাত্রী সোহেল রানা। তিনি বলেন, স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে জানালার কাচ ভেঙে দেওয়ায় সবাই নিরাপদে বের হতে পেরেছেন। তাদের দ্রুত সহযোগিতার কারণেই বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।   আরেক যাত্রী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘প্রথমে পোড়া গন্ধ পাই। এরপর আগুন দেখতে পাই। তবে শুরুতে চালক বা বাসের সহকারীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়নি। ভাগ্য ভালো ছিল, তাই বেঁচে গেছি।’   রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে বাসের যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   রামু হাইওয়ে ক্রসিং থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ পারভেজ জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। কাছাকাছি অবস্থানে থাকায় দ্রুত সেখানে গিয়ে যাত্রীদের নিরাপদে বাস থেকে নামানো হয়।   এ ঘটনায় বাস কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, পরে যাত্রীদের বিকল্প পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মামলা প্রত্যাহার না করলে মিলবে না প্রণোদনা, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত

আবারও কারা অধিদপ্তরে ফিরছেন মেজর (অব.) শামসুল হায়দার সিদ্দিকী

ছবি: সংগৃহীত

দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ হলে নবীজি (সা.) কী করতেন

ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতির শপথ আজ, বঙ্গভবন ঘিরে বিকেল থেকে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ

বঙ্গভবনে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।   মতিঝিল ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমীর খসরুর সই করা গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   ডিএমপি জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। অতিথিদের যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। তবে আমন্ত্রিত অতিথিদের বহনকারী যানবাহন এ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে।   ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, মতিঝিল শাপলা চত্বরের আলিকো গ্যাপ থেকে দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা (বঙ্গভবন রোড) এবং রাজউক ক্রসিং (ডিআইটি রোড) পর্যন্ত এলাকায় সব ধরনের যানবাহনের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।   এ ছাড়া শাপলা চত্বর ও দৈনিক বাংলা থেকে রাজউক-গুলিস্তানমুখী বাসগুলো দৈনিক বাংলা-ইউবিএল-প্রেস ক্লাব হয়ে চলাচল করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী বাসগুলোকে বিকল্প ও সুবিধাজনক সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দৈনিক বাংলা থেকে রাজউকমুখী কোনো বাণিজ্যিক যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।   হানিফ ফ্লাইওভার থেকে আসা যানবাহনকে জিরো পয়েন্টে ইউটার্ন না করে বামে ফুলবাড়িয়ার দিকে অথবা ডান দিকে ইউবিএল ক্রসিং হয়ে দৈনিক বাংলা ও শাপলা চত্বরের দিকে যেতে বলা হয়েছে।   যে বিকল্প পথে চলাচলের পরামর্শ: ডিএমপির পক্ষ থেকে বিকল্প রুট হিসেবে জিরো পয়েন্ট-ইউবিএল ক্রসিং-নাইটিঙ্গেল ক্রসিং-ফকিরাপুল ক্রসিং-শাপলা চত্বর-ইত্তেফাক সড়ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাময়িক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে সংশ্লিষ্ট সড়ক ও আশপাশের এলাকায় যানবাহন চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। এ জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ডিএমপি নির্দেশনা মেনে চলার এবং সম্ভব হলে এসব এলাকা ও সড়ক এড়িয়ে বিকল্প পথে চলাচলের অনুরোধ জানিয়েছে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মেসে খাবার না পাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, রুমমেটের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজের জানাজা সম্পন্ন, বনানীতে দাফন

ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা

ছবি: সংগৃহীত
যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে সাড়ে ৮ ঘণ্টা পর মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।   বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রকৌশলীদের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ত্রুটি মেরামত করা হলে ইউনিটটি পুনরায় সচল হয়।   মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সাজ্জাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর বাংলাদেশি প্রকৌশলীরা মেরামতের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর সন্ধ্যার দিকে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়। বর্তমানে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে।   প্রায় ১ হাজার ৪০০ একর জায়গাজুড়ে ৫২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।   কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটে প্রতিটিতে ৬০০ মেগাওয়াট করে মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।   সম্প্রতি গত ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুইজনের

ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা জানাল নয়াদিল্লি

0 Comments