আন্তর্জাতিক

মার্কিন কংগ্রেসে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন সৌদি যুবরাজ

আক্তারুজ্জামান নভেম্বর ২০, ২০২৫

মার্কিন কংগ্রেসের উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

 

যুক্তরাষ্ট্র সফরের দ্বিতীয় দিনে বুধবার (১৯ নভেম্বর) ক্যাপিটল হিলে সৌদি যুবরাজকে স্বাগত জানায় হাউজ স্পিকার মাইক জনসন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস ও সিনেটের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। জাকজমকপূর্ণ এই আয়োজনে অংশ নেন ডেমোক্রেট দলেরও কিছু সদস্য।

 

সৌদি যুবরাজের সাথে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ ভবিষ্যতের পাশাপাশি ইসরায়েল-গাজা ইস্যু নিয়েও বৈঠক করে কর্মকর্তারা।

 

মোহাম্মদ বিন সালমানের এই সফরের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পর্ক আগের চেয়ে শক্তিশালী করে তোলা বলে বিশ্লেষকদের মত। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ১৬

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত এবং ১৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার লেবাননের চিকিৎসা ও স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।   টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও হতাহতদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্র।   এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় দুই নারীসহ চারজন নিহত হন। হামলায় ভবনটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।   নাবাতিয়েহ জেলার হারুফ শহরে পৌর ভবনের কাছে ড্রোন হামলায় একজন নিহত হন। অন্যদিকে বিনত জবেইল জেলার ফ্রুন শহরে মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন।   এদিন ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান কফাররিমান, কাফরা, কফারদৌনিন, আল-শাহাবিয়া, আল-রাইহান, জাওতার আল-শারকিয়া, আল-কুসাইবা, দেইব্বিন, মারাকা, আল-বাজুরিয়া, আল-মাজাদেল, আল-হাউশ-টাইর এলাকা, দেইর কানুন আল-নাহর এবং নাবাতিয়েহ শহরেও হামলা চালায়।   অন্যদিকে ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে ধারাবাহিক হামলার দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা দোভিভ বসতিতে অবস্থান নেওয়া ইসরায়েলি সেনাদের ওপর আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মিসগাভ আম এলাকায় একটি সামরিক যানও ড্রোন দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।   ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মিসগাভ আমের কাছে একটি গাড়িতে হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।   হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, তারা তাইবেহ শহরের একটি ইসরায়েলি সামরিক যোগাযোগযান লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং রেশাফ এলাকায় সেনা ও সামরিক যানবাহিনীর সমাবেশে রকেট নিক্ষেপ করেছে।   সংগঠনটি উত্তর ইসরায়েলের আরব আল-আরামশে গ্রামের পশ্চিমে এবং রাস আল-নাকৌরা নৌঘাঁটিতেও আত্মঘাতী ড্রোনের ঝাঁক ব্যবহার করে হামলার কথা জানিয়েছে। এছাড়া জাল আল-আলাম এলাকায় একটি আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ধ্বংসেরও দাবি করেছে তারা।   লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৪২ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৩০১ জন।   অন্যদিকে ইসরায়েলি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লেবানন সীমান্তে সংঘর্ষ পুনরায় শুরুর পর থেকে ১ হাজার ৪৩ জন ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তা ও সদস্য আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৯ জনের অবস্থা গুরুতর এবং ১২২ জন মাঝারি ধরনের আহত।   সূত্র : শাফাক নিউজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিকতার আড়ালে গুপ্তচরবৃত্তি, ইরানের পুলিশের হাতে আটক ২

ছবি : সংগৃহীত

বারাকাহ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার নিন্দা কুয়েতের

ছবি : সংগৃহীত

আবার যুদ্ধ শুরু হলে থাকবে বড় চমক : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৫০টির বেশি ব্যাংকিং ও জাহাজ নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ইরান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের সঙ্গে যুক্ত ১২ ব্যক্তি, ২৯টি প্রতিষ্ঠান এবং ১৯টি জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।   ওয়াশিংটনের দাবি, এসব নেটওয়ার্ক ইরানকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশে সহায়তা করছিল।   নিষেধাজ্ঞার অন্যতম লক্ষ্য ইরানের মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান আমিন এক্সচেঞ্জ, যা ইব্রাহিমি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস পার্টনারশিপ কোম্পানি নামেও পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে ভুয়া কোম্পানির নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে ইরানি ব্যাংকের হয়ে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করেছে।   মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে, ইরানের এক্সচেঞ্জ কোম্পানিগুলো প্রতিবছর বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করে থাকে, যার মাধ্যমে তেহরান নিষেধাজ্ঞা পাশ কাটিয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ পায়।   মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট অভিযোগ করেন, ইরানের ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট অবৈধ অর্থ স্থানান্তরে ভূমিকা রাখছে। তিনি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।   এছাড়া ইরানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনের অভিযোগে কয়েকটি জাহাজকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বার্বাডোজের পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাংকার গ্রেট সেইল, পালাউয়ের পতাকাবাহী ট্যাংকার ওশান ওয়েভ এবং পানামার পতাকাবাহী কেমিক্যাল ও অয়েল ট্যাংকার সুইফট ফ্যালকন।   নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সম্পদ জব্দ করা হবে। একই সঙ্গে মার্কিন নাগরিক ও কোম্পানিগুলোর জন্য তাদের সঙ্গে লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   এর আগে স্কট বেসেন্ট জানান, জি-৭ বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের বিরুদ্ধে আর্থিক চাপ আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি সংকট ও ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্ক নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।   সূত্র : শাফাক নিউজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২০, ২০২৬
১৪ দফার নতুন শান্তি পরিকল্পনা জমা দিয়েছে ইরান। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ রোধে ইরানের নতুন ১৪ দফা পরিকল্পনা

ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের হামলা, যা ভবিষ্যৎ যুদ্ধের চিত্রই বদলে দিল

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতে কারও প্রাণ দিতে হয়নি: ওবামা

ছবি : সংগৃহীত
ইরানে যুদ্ধের প্রস্তুতিতে শতাধিক যুগলের গণবিয়ে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে রাষ্ট্রীয় একটি কর্মসূচিতে নাম তালিকাভুক্ত করা কয়েক শত তরুণ-তরুণীর জন্য তেহরানে প্রকাশ্য গণবিয়ের আয়োজন করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।   ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৮ মে) গভীর রাতে রাজধানী তেহরানের বেশ কয়েকটি চত্বরে এই গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সেন্ট্রাল তেহরানের বিশাল ইমাম হোসেন স্কয়ারেই একজোট হয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ১১০টিরও বেশি যুগল।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিচ্ছেন, ঠিক তখনই যুদ্ধকালীন মনোবল বাড়াতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এই বিয়ের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ বর্তমানে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে থমকে রয়েছে।   ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিয়েতে অংশ নেওয়া এই যুগলরা প্রত্যেকেই সরকারের তথাকথিত ‘আত্মোৎসর্গ’ কর্মসূচিতে নাম লিখিয়েছেন। এই কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীরা যুদ্ধের প্রয়োজনে নিজেদের জীবন বাজি রাখার অঙ্গীকার করেছেন। যেমন, প্রয়োজনে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বাইরে মানবঢাল তৈরি করবেন তারা।   ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মতো শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বসহ লাখ লাখ মানুষ ইতোমধ্যে এই তালিকায় নিজেদের নাম লিখিয়েছেন।   ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রকাশ করা ছবিতে দেখা গেছে, নবদম্পতিরা সামরিক জিপে চড়ে ইমাম হোসেন স্কয়ারে এসে পৌঁছান, যে জিপগুলোতে মেশিনগান বসানো ছিল। চত্বরে তৈরি একটি বড় মঞ্চে একজন ধর্মীয় নেতার উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।   পুরো মঞ্চটি বেলুন এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির একটি বিশাল ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, যুদ্ধের প্রথম দিনেই তার বাবা ও পূর্বসূরি আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতার স্থলাভিষিক্ত হন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি।   মেহর নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সাদা রঙের ইসলামি বিয়ের পোশাক পরা এক তরুণী তার বরের পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘অবশ্যই দেশ এখন যুদ্ধাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তরুণ-তরুণীদের তো বিয়ে করারও অধিকার রয়েছে।’   সূত্র: আল-মনিটর

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ সংকটে তুরস্কের জন্য ভাগ্য বদলের সুযোগ

ছবি : সংগৃহীত

১০০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আদানি কি মামলা থেকে খালাস পেলেন?

অভিষেক ব্যানার্জী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি : সংগৃহীত

মমতার ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জীর বাড়ি ভাঙার আদেশ

0 Comments