শিক্ষা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব পেলেন ড. এম এম শরীফুল করীম

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নতুন ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়টির কোনো শিক্ষক ভিসি হলেন। তিনি বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি।

 

ড. শরীফুল করীম কুমিল্লা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। 

২০০৭ সালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে ইংরেজি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বিভাগীয় প্রধানসহ কুবির বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম ভিসি। নিয়োগপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সবাইকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে গড়ে তুলব।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

শিক্ষা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
প্রশ্ন ফাঁসের অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনো ধরনের অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে, যা ভবিষ্যতে অন্যদের জন্যও সতর্কবার্তা হয়ে থাকবে।   বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ বৈষম্য দূর করতে এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এক বোর্ডের প্রশ্ন সহজ আর অন্য বোর্ডের প্রশ্ন কঠিন—এ ধরনের বৈষম্য দূর করতেই একক প্রশ্নপত্র চালু করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস রোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হবে।’   বিগত সরকারের শিক্ষা নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মান পুনরুদ্ধার ও শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর।   এ সময় তিনি কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরীক্ষার শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো পরীক্ষার্থীকে অন্যায় সুবিধা না দেওয়ার নির্দেশ দেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

৩৯৪ শিক্ষার্থী পেল বিশেষ কোটায় মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তির সুযোগ

ছবি : সংগৃহীত

হস্তান্তরের আগেই রাবির নতুন হলে ফাটল, শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক

ছবি: সংগৃহীত

সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের ৫০ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে।   গতকাল সোমবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উদ্যাপন এবং ‘ডিনস ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুম প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের অনগ্রসর শিক্ষাব্যবস্থাকে অধিক গুরুত্ব সহকারে এগিয়ে নিয়েছিল। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, তাদের সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের মতো একজন  প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং দেশের ভবিষ্যত্ উন্নয়নে শিক্ষাকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন। একটি শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে  প্রধানমন্ত্রী নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই না শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো বৈষম্য থাকুক। সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষার যেসব বিষয় অভিন্ন-যেমন বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান রয়েছে, সেসব বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন ও কর্মমুখী করতে ষষ্ঠ  শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে ধাপে ধাপে যুগোপযোগী করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সারা দেশের স্কুলগামী শিশুদের জুতা, মোজা, পোশাক, ব্যাগ, বই ও মধ্যাহ্নভোজ  প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধ, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী  বেগম খালেদা জিয়া এ স্থানে একটি বীজ বপন করেছিলেন। সেই বীজ আজ এ অঞ্চলের শিক্ষাকে আলোকিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় সব ধরনের সহযোগিতায় করার আশ্বাস দেন তিনি।     বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৫১ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শনিবারের এইচএসসির পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত

উচ্চশিক্ষা শেষে ফেরেননি জাবির ২৪ শিক্ষক, পাওনা ৩ কোটি টাকার বেশি

এআই ব্যবহার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন নিষিদ্ধ করছে নরওয়ে

পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগে বড় পরিবর্তন আনছে নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড এখন অনেকের কাছে পড়াশোনার অন্যতম গন্তব্য। যাঁদের পছন্দের তালিকায় আছে দেশটি, তাঁদের জন্য সুখবর। পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা–ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভিসা ক্যাটাগরি যুক্ত করা হয়েছে এবং কিছু বিদ্যমান সুবিধার যোগ্যতা বাড়ানো হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে নতুন নিয়ম।   ১৬ নভেম্বর ২০২৬ থেকে যেসব শিক্ষার্থী নিউজিল্যান্ডে লেভেল ৭ গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন এবং নিউজিল্যান্ড বা বিদেশ থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী, তাঁরাও পোস্ট–স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার জন্য যোগ্য হবেন। আবেদনকারীকে পূর্ণকালীনভাবে পুরো গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি স্নাতক সনদ ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট জমা দিতে হবে।     ‘শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা’ ছয় মাসের জন্য প্রযোজ্য। লেভেল ৭ গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমাধারীরা এক বছরের ওয়ার্ক ভিসা পেতে পারেন, তবে শর্ত হলো স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে বা কোর্সটি গ্রিন লিস্টের পেশার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে। নতুন ‘শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা’—   সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি হলো ‘শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা’ বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চালু করেছে নিউজিল্যান্ড। যেসব শিক্ষার্থী দীর্ঘমেয়াদি পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার যোগ্যতা পূরণ করতে পারেন না, তাঁদের জন্য এই ভিসা। এই ভিসার মাধ্যমে যোগ্য গ্র্যাজুয়েট ব্যক্তিরা নিউজিল্যান্ডে সর্বোচ্চ ছয় মাস অবস্থান করে প্রায় যেকোনো নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করতে পারবেন।   যোগ্যতার শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—   ১. নিউজিল্যান্ডে লেভেল ৫ থেকে ৭ পূর্ণকালীন কোর্স সম্পন্ন করতে হবে   ২. কোর্সের মেয়াদ কমপক্ষে ২৪ সপ্তাহ হতে হবে   ৩. ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কমপক্ষে ৫,০০০ নিউজিল্যান্ড ডলার (৩,২৫,০০০ থেকে ৩,৭৫,০০০ টাকা) থাকতে হবে   ৪. স্টুডেন্ট ভিসা শেষ হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে।   তবে এই ভিসায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গ্র্যাজুয়েট ব্যক্তিরা এই ভিসার মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না, পরিবারকে স্পনসর করতে পারবেন না এবং এটি একবারই পাওয়া যাবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২১, ২০২৬

শিক্ষাকে শুধু ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষাকে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতার সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফাইল ছবি

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

0 Comments