বিশ্ব

যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে আসছেন না নরেন্দ্র মোদি

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

বাংলাদেশের নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে আসছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি আসতে না পারলেও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ এক মন্ত্রী অবশ্য শপথ অনুষ্ঠানে আসছেন। ঢাকার নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এদিকে শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথের আনুষ্ঠানিকতায় যুক্ত হতে ইতিমধ্যে সার্কভুক্ত দেশসহ কয়েকটি দেশের সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে ভারতের এআই ইম্প্যাক্ট সামিটের জন্য শপথে আসছেন না নরেন্দ্র মোদি।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও সার্কভুক্ত দেশগুলো। গত শুক্রবার বিএনপির বিজয়ের পর তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দেন মোদি।

নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, দিল্লিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন এবং কয়েকটি দেশের সরকার প্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যস্ততার কারণে ঢাকায় আসছেন না মোদি।

তবে সূত্র জানিয়েছে, প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আসতে পারেন। এর আগে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাযায় ভারতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঢাকায় আসেন।

২৪ প্রেক্ষাপটে ড. ইউনুস সরকার দায়িত্ব নিলে ভারতের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখা দেয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন নিজে কয়েকবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। সর্বশেষ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিদায়ী ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এ সরকার অনেকবার চেষ্টা করেও ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক করতে পারেনি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন থমকে রয়েছে। নতুন সরকার এলে সম্পর্ক ‘মসৃণ হবে।

 

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ায় দেশটির সঙ্গে অন্তরবর্তী সরকারের সুসম্পর্ক হয়নি। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন দূরত্ব কিছুটা কমিয়েছিল। সে প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের উচ্চপদস্থ কোনো মন্ত্রীর আগমন দু'দেশের থমকে যাওয়া সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
ইরান চুক্তিতে নিজের শর্তে অনড় ট্রাম্প

 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সব শর্ত পূরণ করা হলে, তবেই তিনি ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করবেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।     ফলে চলমান যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   এর আগে, হোয়াইট হাউস ইঙ্গিত দিয়েছিল যে সম্ভাব্য একটি চুক্তি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছেন।    তবে তেহরান বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত অবসানের বিষয়ে এখনও কোনো ‘চূড়ান্ত সমঝোতা’ হয়নি।   চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।  দেশটির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘সত্য ও অসত্যের মিশ্রণ’ বলে উল্লেখ করেছে।   মার্কিন সূত্রগুলো এএফপিকে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সৃষ্ট অস্থিরতা নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ধীরগতির আলোচনার পর একটি চুক্তির খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। এখন সেটি ট্রাম্পের চূড়ান্ত সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে।    ইরান ইস্যুতে শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে বৈঠক শেষে কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি।   হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধু এমন একটি চুক্তিই করবেন, যা আমেরিকার জন্য মঙ্গলজনক হবে ও তার নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করবে।’   তিনি আরও বলেন, ‘ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।’   ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ট্রাম্পের বক্তব্যের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ৪৭ বছর আগেই ‘অবশ্যই করতে হবে’Ñ এ ধরনের নির্দেশমূলক ভাষাকে বিদায় জানিয়েছে।   তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত থাকলেও এখনও কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।   ট্রাম্প দাবি করেন, চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ করবে এবং কোনো ধরনের টোল ছাড়াই নৌ চলাচল নিশ্চিত করবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেবে।   তিনি আরও বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ ও ধ্বংসের কাজেও দুই দেশ সমন্বয় করবে।    তবে ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সের সূত্রগুলো বলছে, পরবর্তী ধাপে আলোচনায় যাওয়ার আগে তেহরান ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের জব্দকৃত ইরানি সম্পদ অবিলম্বে ছাড়ের দাবি জানিয়েছে।   এছাড়া হরমুজ প্রণালি টোলমুক্তভাবে খোলার বিষয়টি চুক্তির খসড়ায় নেই বলেও তারা দাবি করেছে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক উপকরণ ধ্বংসের বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছে ইরান।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

রোমানিয়ার আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলা নিয়ে রাশিয়া-ন্যাটো উত্তেজনা

ছবি : সংগৃহীত

কানাডার সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হয়েছে : চীনের শীর্ষ কূটনীতিক

ছবি : সংগৃহীত

আফগানিস্তানে ট্রাক উল্টে ১০ শিশুসহ ১৮ জনের প্রাণহানি

ছবি : সংগৃহীত
ইসরাইল ও লেবাননের সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ বৈঠক হয়েছে

ইসরাইল ও লেবাননের সামরিক কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা করেছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা।    এই বৈঠক ভবিষ্যতের কূটনৈতিক আলোচনার পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি জানান।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   পেন্টাগনের দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা এলব্রিজ কলবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছে, আজ পেন্টাগনে  আমি ইসরাইল ও লেবাননের সামরিক প্রতিনিধি দলকে নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনার জন্য আয়োজন করেছি, যা দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদী।   তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ফলপ্রসূ সামরিক-পর্যায়ের আলোচনা করেছি, যা আগামী সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক আলোচনায় সহায়ক হবে।’   এই বৈঠকটি কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইসরাইল ও লেবাননের সামরিক কর্মকর্তাদের সরাসরি বৈঠক বলে জানা গেছে।   কলবি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই আবারও এই নিরাপত্তা সংলাপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।   তবে তিনি ইসরাইল ও লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধবিরতির যে চুক্তিটি গত ১৭ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু যা কখনোই মানা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কোনো কোনো মন্তব্য করেননি।    এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুক্রবার বলেছেন, ইসরাইলি বাহিনী লেবাননের ভেতরে আরও গভীরে অগ্রসর হয়েছে এবং দক্ষিণাঞ্চলে বিমান ও স্থল হামলা অব্যাহত রেখেছে।   লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরের তিনটি এলাকায় ইসরাইলি হামলায় এক উদ্ধারকর্মীসহ ১১ জন নিহত ও আট জন আহত হয়েছেন।   অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ দাবি করেছে যে, তারা ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে সেনা, সেনা ছাউনি ও একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে।   লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতির জন্য প্রথম ও অপরিহার্য ধাপ হিসেবে যুদ্ধবিরতি অর্জনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

নিষেধাজ্ঞা দিয়ে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না : ইরান

ইসরায়েলি সেনারা লিতানি নদী অতিক্রম করে নতুন অবস্থানে পৌঁছেছে। ছবি : সংগৃহীত

লেবাননে স্থল হামলা চালিয়ে নতুন অভিযান ইসরায়েলের

আয়াতুল্লাহ খামেনির জন্য রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ছবি : সংগৃহীত

খামেনির জন্য ‘বিশাল’ রাষ্ট্রীয় জানাজার প্রস্তুতি ইরানের

ছবি : সংগৃহীত
কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম যুক্ত করতে পারবেন না ট্রাম্প : আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক কেনেডি সেন্টারের নামের সঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম যুক্ত করা আইনসঙ্গত নয় বলে রায় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ করার পরিকল্পনাও স্থগিত করেছেন আদালত।   শুক্রবার (২৯ মে) দেওয়া রায়ে মার্কিন বিচারক কেসি কুপার বলেন, কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠার আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নামে নামকরণ করা হয়েছে এবং পরিচালনা পর্ষদ অন্য কোনো ব্যক্তির নাম যুক্ত করতে পারে না। এ রায়ে বিচারক লেখেন, ‘মার্কিন কংগ্রেস কেনেডি সেন্টারের নাম নির্ধারণ করেছে এবং কেবল কংগ্রেসই সেই নাম পরিবর্তন করতে পারে।’ রায়ের পর ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, তিনি কেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণ ও পুনর্গঠন নিয়ে চলমান উদ্যোগ থেকে সরে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, কেন্দ্রটির পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কংগ্রেসের কাছে হস্তান্তরের জন্য তিনি বাণিজ্য বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নামসহ সব সাইনবোর্ড অপসারণ করতে হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রটির ওয়েবসাইট থেকেও ‘ট্রাম্প কেনেডি সেন্টার’ বা ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প অ্যান্ড জন এফ. কেনেডি মেমোরিয়াল সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস’ নাম মুছে ফেলতে হবে। বিচারক আরও নির্দেশ দেন, ভবিষ্যতে কেন্দ্রটির নাম প্রেসিডেন্ট কেনেডি ছাড়া অন্য কারও নামে করা যাবে না। তবে কেনেডি সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে। কেন্দ্রটির জনসংযোগবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট রোমা ডারাভি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে আপিল আদালত জাতীয় সাংস্কৃতিক এ প্রতিষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখবে।’ রায়ে বিচারক বলেন, কেন্দ্রটির পুরোনো ভবনে সংস্কারকাজ চালানো যেতে পারে। তবে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পরিচালনা পর্ষদ তাদের আইনগত দায়িত্বের সব দিক যথাযথভাবে বিবেচনা করেছে এমন কোনো প্রমাণ আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। উল্লেখ্য, ট্রাম্প গত বছর কেন্দ্রটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে বড় ধরনের প্রশাসনিক ও কর্মসূচিগত পরিবর্তন আনা হয়। এর ফলে টিকিট বিক্রি কমে যায় এবং বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা শিল্পী নির্ধারিত অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেন।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ৩০, ২০২৬
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেনে বড় হামলার ছক কষছে রাশিয়া : জেলেনস্কি

ছবি : সংগৃহীত

পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়তে অস্বীকৃতি উত্তর কোরিয়ার

ছবি : সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র ফেরাতে আলোচনায় আগ্রহী মাচাদো

0 Comments