জাতীয়

ইউরোপে অবৈধ পথে প্রবেশের শীর্ষে বাংলাদেশ

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

২০২৫ সালে অবৈধ পথে ইউরোপে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের সর্বশেষ অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ইউরোপের বহিঃসীমান্তে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া জাতীয়তার মধ্যে বাংলাদেশিরা শীর্ষে রয়েছেন। আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের পর মিসরীয় ও আফগানদের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের অনিয়মিত সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনা সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা সত্ত্বেও বাংলাদেশিরা ইউরোপমুখী অনিয়মিত অভিবাসনে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছেন।

একই সঙ্গে ইউএনএইচসিআরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ভূমধ্যসাগরীয় বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে ইউরোপে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশিরা সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল জাতীয়তাগুলোর একটি। এই তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে আফ্রিকার দেশ মিসর এবং এশিয়ার দেশ আফগানিস্তান।

ফ্রন্টেক্স জানায়, বাংলাদেশি নাগরিকেরা বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহিঃসীমান্তে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া জাতীয়তার মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছেন। সীমান্ত নজরদারি ও মানবপাচারবিরোধী কার্যক্রম জোরদার হলেও এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

ইউরোপে পৌঁছাতে বাংলাদেশিরা মূলত সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগর রুট ব্যবহার করছেন। বিশেষ করে লিবিয়া হয়ে ইতালির উপকূল এবং গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপে পৌঁছানোর প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়াভিত্তিক মানবপাচার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশিরা এই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে যাত্রা করছেন।
সংস্থাগুলো বলছে, বাংলাদেশিদের ইউরোপমুখী অভিবাসনের পেছনে রয়েছে অর্থনৈতিক চাপ, কর্মসংস্থানের সংকট এবং বিদেশে ভালো আয়ের প্রত্যাশা। মানবপাচার চক্রগুলো এসব দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিপজ্জনক যাত্রায় প্রলুব্ধ করছে।

ফ্রন্টেক্সের মতে, কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা ও আয় বৃদ্ধির সুযোগের অভাব বাংলাদেশ থেকে অনিয়মিত অভিবাসনের একটি বড় চালিকা শক্তি। ইউরোপীয় সংস্থাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশিরা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানো শীর্ষ জাতীয়তাগুলোর মধ্যে রয়েছেন, তবে ২০২৫ সালে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে।

বাংলাদেশিদের পাশাপাশি মিসর ও আফগান নাগরিকরাও ইউরোপে অনিয়মিতভাবে পৌঁছানোদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছেন। সামগ্রিকভাবে ইউরোপীয় সীমান্তে নজরদারি আরও কঠোর হলেও বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব সীমিত বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ সকাল ১০টায় কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। আজ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একই সময়ে দেশের আরো ১৪টি স্থানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

উজবেকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ছবি : সংগৃহীত

গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

ছবি : সংগৃহীত

‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত
ইউএনজিএ সভাপতির পদে আর্জেন্টিনার সমর্থন চাইল ঢাকা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসার সঙ্গে বৈঠকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে আর্জেন্টিনার মূল্যবান সমর্থন কামনা করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনুরোধ জানান তিনি। বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা দায়িত্ব গ্রহণ করায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি আর্জেন্টিনা সরকারের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।  তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গভীরতর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে উভয়পক্ষ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, রপ্তানি-আমদানি বহুমুখীকরণ, কৃষিখাতে কারিগরি সহযোগিতা জোরদার এবং বিদ্যমান ফুটবল সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্রীড়া সহযোগিতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন। এছাড়া জ্বালানি বাণিজ্য, সরবরাহ শৃঙ্খল অংশীদারিত্ব এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। ড. খলিলুর রহমান সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে বহুখাতভিত্তিক সংলাপ শুরু করার প্রস্তাব দেন, যাতে নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া যায়। তিনি ঢাকায় আর্জেন্টিনা দূতাবাস পুনরায় চালু করায় কৃতজ্ঞতা জানান এবং বুয়েনোস আইরেসে বাংলাদেশ দূতাবাস পুনরায় চালুর বিষয়ে আর্জেন্টিনার সম্মতির প্রশংসা করেন। সেখানে দ্রুত আবাসিক মিশন কার্যকর করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন। এর আগে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার জনগণের মধ্যে ফুটবলকেন্দ্রিক গভীর সংযোগের কথা তুলে ধরেন এবং যুব ও নারী ফুটবল উন্নয়নে কাঠামোবদ্ধ সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। তিনি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার ও বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা চেম্বার অব কমার্স প্রতিষ্ঠার গুরুত্বও উল্লেখ করেন। প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের ওষুধ, সিরামিক, পাটজাত পণ্য ও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করতে চাই: ডা. জাহিদ

ছবি : সংগৃহীত

বিআরটিএ চেয়ারম্যান ওএসডি

ছবি : সংগৃহীত

জেলা ও দায়রা জজ এম. এ. সাঈদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টা নিয়োগ

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। ছবি : সংগৃহীত
আলোচনা ইতিবাচক, জানালেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খ‌লিলুর রহমা‌ন ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলামের স‌ঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। তিনি বলেছেন বৈঠক ভালো হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠ‌ক শেষে সাংবা‌দিকদের তিনি এ কথা বলেন। পল কাপুরের কাছে বৈঠকে আলোচনার বিষয়, বি‌শেষ ক‌রে অস্ত্র কেনাকাটাবিষয়ক চুক্তি আকসা (একুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট) এবং অস্ত্রবিষয়ক গোপন তথ্য বিনিময় ও সুরক্ষার চুক্তি জিসোমিয়ার (জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট) নি‌য়ে প্রশ্ন করা হয়। ত‌বে তি‌নি তার জবাব দেন‌নি। শুধু বৈঠক ভা‌লো হ‌য়ে‌ছে জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ত্যাগ ক‌রেন। সফরসূচি অনুযায়ী, পল কাপুর আজ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি সফর উপলক্ষে নৈশভোজে অংশ নেবেন পল কাপুর। এছাড়া সফরের শেষ দিন আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে পল কাপুর প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তার মতবিনিময় করার কথা রয়েছে। সফরের শেষ কর্মসূচি হিসেবে সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত একটি ইফতার পার্টিতে অংশ নেবেন এই মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গত অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই পল কাপুরের প্রথম বাংলাদেশ সফর। মূলত ঢাকা-ওয়াশিংটন কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের আলোচনা করতে পল কাপুর গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় আসেন।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

ট্রেনে ১৪ মার্চের ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হচ্ছে আজ

ছবি: সংগৃহীত

একীভূত পাঁচ ব্যাংকের কার্যক্রম চালু থাকবে: গভর্নর

0 Comments