অন্যান্য

ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৮, ২০২৬

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে ইউজিসি অডিটোরিয়ামে এই অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।

 

ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম।

 

অনুষ্ঠানে কমিশনের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের পরিচালক এবং ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ওমর ফারুখ, স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স বিভাগের পরিচালক ড. দুর্গা রানী সরকার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন পারভিন, অডিট বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) নাহিদ সুলতানা, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সদ্য সাবেক পরিচালক ড. শামসুল আরেফিনসহ ইউজিসির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রফেসর ফায়েজ দেশের উচ্চশিক্ষার একমাত্র তদারকি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধিতে ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ সকলকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। মিথ্যা ও অপতথ্য দিয়ে কমিশনের মর্যাদাহানি করা থেকে সংশ্লিষ্টদের তিনি বিরত থাকার আহ্বান জানান।

 

এ সময় তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে ইউজিসি পরিচালনা ও কমিশনের সবার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

 

ইউনিয়নের সদ্য বিদায়ী সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মহিবুল আহসান, কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান, সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন খান বক্তব্য দেন।

 

উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির পঞ্চম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৯ সদস্যের এই কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।

 

কমিটির অন্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- সাধারণ সম্পাদক মো. মোক্তার জামান (স্বাধীন), সহ-সভাপতি মো. নুরে আলম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম মুসা, কোষাধ্যক্ষ মো. রনি আকন, প্রচার সম্পাদক মো. বশির উদ্দিন, দফতর সম্পাদক মো. মামুন খান এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের শোক

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। সোমবার (১ জুন) এ সংক্রান্ত এক শোকবার্তা গণমাধ্যমে পাঠান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি শৌর্য দীপ্ত সূর্য। শোক বার্তায় গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী তোফায়েল আহমেদ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সে সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, ভোলা-১, ভোলা-২ এবং বাকেরগঞ্জ-১ আসন থেকে মোট আটবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়া ১৯৭৫ সালের পর তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর বিভিন্ন কারাগারে প্রায় পাঁচ বছর বন্দি ছিলেন। একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য হিসেবে জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদীয় বিতর্কে তাঁর বক্তব্য সংসদ সদস্য ও সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিল। ১৯৭০ সালে তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালের জুন থেকে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ সাল পর্যন্ত শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি তাঁর একমাত্র কন্যা ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নিকে রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা আহমেদ গত বছরের ২০ নভেম্বর মারা যান। পরিশেষে জি, এম কাদের তোফায়েল আহমেদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও তাঁর অসংখ্য অনুসারীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

মারিয়া রহমান জুন ০২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্র করে নেবে, জামায়াত চুপ মেরে গুপ্ত হয়ে যাবে: মাহফুজ আলম

ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় ৩ বাংলাদেশি

ছবি : সংগৃহীত
মাস শেষে কমবে বিদ্যুৎ বিল, মেনে চলুন ফ্রিজ ব্যবহারের সহজ কিছু নিয়ম

বর্তমান সময়ে গৃহস্থালির বিদ্যুৎ খরচের বড় একটি অংশ আসে ফ্রিজ থেকে। কারণ এটি এমন একটি যন্ত্র, যা দিনে ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকে। ফলে ব্যবহারজনিত ছোটখাটো ভুলও মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রিজ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব।   অনেকেই মনে করেন, পুরোনো ফ্রিজ হওয়ার কারণেই বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। তবে বাস্তবে নতুন বা পুরোনো উভয় ধরনের ফ্রিজের ক্ষেত্রেই কিছু সাধারণ ভুল বিদ্যুৎ অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সচেতন ব্যবহার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সবচেয়ে কার্যকর উপায় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।   বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, ফ্রিজের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখতে শুধু যন্ত্রের মানই নয়, ব্যবহারকারীর অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিল কমবে, অন্যদিকে ফ্রিজের আয়ুও দীর্ঘ হবে।   ফ্রিজ ব্যবহারে যেসব অভ্যাস বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সহায়ক   ফ্রিজের ভেতর পরিকল্পনা করে সাজান প্রয়োজনীয় জিনিস সহজে খুঁজে পাওয়া গেলে দরজা দীর্ঘ সময় খোলা রাখতে হয় না, ফলে ঠান্ডা বাতাস কম বের হয়। ফ্রিজ পুরোপুরি খালি রাখবেন না একেবারে খালি ফ্রিজের তুলনায় মাঝারি পরিমাণ খাবার থাকা ফ্রিজ তাপমাত্রা ধরে রাখতে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ডিফ্রস্ট করুন নন-ফ্রস্ট প্রযুক্তি না থাকলে ফ্রিজারে অতিরিক্ত বরফ জমে বিদ্যুৎ খরচ বাড়াতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর বরফ পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ফ্রিজের ভেন্ট বা বাতাস চলাচলের পথ খোলা রাখুন খাবার দিয়ে ভেন্ট ঢেকে দিলে ঠান্ডা বাতাস সমানভাবে ছড়াতে পারে না, ফলে কুলিং সিস্টেমের ওপর চাপ বাড়ে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় দরজা খোলা থেকে বিরত থাকুন লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ চলে গেলে ফ্রিজের দরজা বন্ধ রাখলে দীর্ঘ সময় ঠান্ডা তাপমাত্রা ধরে রাখা সম্ভব হয়। ফ্রিজের চারপাশে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন দেয়াল বা আসবাবপত্রের সঙ্গে একেবারে লাগিয়ে রাখলে তাপ বের হতে সমস্যা হয়, যা বিদ্যুৎ খরচ বাড়াতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজের আকার নির্বাচন করুন পরিবারের সদস্যসংখ্যার তুলনায় অনেক বড় ফ্রিজ ব্যবহার করলে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য শুধু ফ্রিজ নয়, ঘরের সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রই সচেতনভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। তবে যেহেতু ফ্রিজ সারাক্ষণ চালু থাকে, তাই এটির ক্ষেত্রে সামান্য পরিবর্তনও দীর্ঘমেয়াদে বড় সাশ্রয় এনে দিতে পারে। তাদের পরামর্শ, ফ্রিজের বয়স অনেক বেশি হলে বা ঘন ঘন ত্রুটি দেখা দিলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তির মডেল ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। সঠিক ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল কমানোর পাশাপাশি ফ্রিজের কর্মক্ষমতাও দীর্ঘদিন বজায় রাখা সম্ভব।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ৩১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

২৫ কোটি টাকা ‘খাওয়ার’ অভিযোগে যে ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ-হাসনাত

ছবি : সংগৃহীত

ফসলের সুরক্ষায় প্রথম ওপেন-সোর্স এলএলএম

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের মহিষ: সত্যিই কি বিরল প্রজাতি?

ছবি : সংগৃহীত
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আ.লীগ নেতার জানাজা ও দাফন

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দবিরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) বিকালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা শেষে বড়বাড়ি গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।   এই প্রবীণ রাজনীতিকের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ বালিয়াডাঙ্গীতে সমবেত হন। জানাজার আগে মরহুমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।   বাবার জানাজায় অংশ নিতে দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে উপস্থিত হন তার ছেলে ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজন। দুপুর সাড়ে ১২টায় বালিয়াডাঙ্গীর নিজ বাসভবনে পৌঁছান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দবিরুল ইসলাম ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্ম নেওয়া এই নেতা শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এরপর ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে টানা সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি জাতীয় সংসদের বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।   গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক এই সংসদ সদস্য। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবা দবিরুলের জানাজায় অংশ নিলেন সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন। শনিবার সকালে তিনি কারাগার থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার উদ্দেশে রওনা হন।   জানাজায় অংশ নিয়ে সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, বাবা সাতবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ৩৫ বছর এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। ওনার যদি কোনও ভুলত্রুটি থাকে আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। তিনি সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন।  

মোঃ ইমরান হোসেন মে ৩১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

রাজস্ব তহবিল থেকে আসিফের ১৫, হাসনাতের ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

ছবি : সংগৃহীত

চোখে দেখেন না, ছুঁয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দোয়া করলেন নূরজাহান

ছবি : সংগৃহীত

উপজেলার বাজেটের টাকা আমাকে নয়, দেওয়া হয়েছে উপজেলাকে : হাসনাত আবদুল্লাহ

0 Comments