বিশ্ব

ইসরাইলকে গাজায় এনজিওর উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ০৩, ২০২৬

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গতকাল শুক্রবার গাজায় সাহায্য সরবরাহকারী মানবিক সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘটনায় ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। 

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে বলেন, গুতেরেস ‘এই পদক্ষেপটি প্রত্যাহারের জন্য ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানান এবং জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থাগুলো জীবনরক্ষাকারী মানবিক কাজের জন্য অপরিহার্য এবং এই স্থগিতাদেশটি যুদ্ধবিরতির সময়ে অর্জিত ভঙ্গুর অগ্রগতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সাম্প্রতিক পদক্ষেপটি ফিলিস্তিনিদের মানবিক সংকট আরও বাড়াবে।

সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে তাদের ফিলিস্তিনি কর্মীদের তালিকা ভাগাভাগি করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর বৃহস্পতিবার ৩৭টি বিদেশী মানবিক সংস্থাকে গাজা উপত্যকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরাইল।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ), যার ফিলিস্তিনি অঞ্চলে ১ হাজার ২শ’ কর্মী রয়েছে। এদের অধিকাংশই গাজায় অবস্থান করছে।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা এনজিওগুলোকে ১ মার্চের মধ্যে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিছু এনজিও বলেছে, এই শর্তাবলী আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ।

ইসরাইল বলেছে, নতুন এই নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য হল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করার অভিযোগে অভিযুক্ত সংস্থাগুলোকে তাদের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা।

গত বৃহস্পতিবার, ১৮টি ইসরাইল-ভিত্তিক বামপন্থী এনজিও তাদের আন্তর্জাতিক সহযোগীদের নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘নতুন নিবন্ধন কাঠামো স্বাধীন এবং নিরপেক্ষতার মূল মানবিক নীতি লঙ্ঘন করছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামাসের আক্রমণের জবাবে ইসরাইল কর্তৃক পরিচালিত এক মারাত্মক যুদ্ধের পর গত অক্টোবর মাস থেকে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।

গাজার কর্তৃপক্ষ নভেম্বরে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৮০ শতাংশ ভবন যুদ্ধের কারণে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গাজার ফিলিস্তিনি এনজিও নেটওয়ার্কের পরিচালক আমজাদ আল-শাওয়া বলেছেন, গাজার ২০ লাখ বাসিন্দার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

মমতা ব্যানার্জী ও সাবেক কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। ছবি : সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গের নতুন দল এনসিপিআই বাংলাদেশে তৈরি, দাবি কংগ্রেস নেতার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। এবার নতুন দলটিকে বাংলাদেশে তৈরি বললেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। মূলত, ত্রিপুরা কেন্দ্রিক এই রাজনৈতিক দলটির অস্তিত্বের কথা এতদিন মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন মানুষই জানত। কিন্তু রোববার তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এই দলে যোগ দেওয়ায় রীতিমত উত্তাল হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি।   এনসিপিআই-এর ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে দাবি করা হয়, এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে তাদের ২০টি আসন রয়েছে। বিজেপির ১২টি, তৃণমূল কংগ্রেসের আটটি, কংগ্রেসের একটি আসন রয়েছে। অর্থাৎ, পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে তারাই সর্ববৃহৎ সংসদীয় রাজনৈতিক দল। মাত্র কয়েক বছর আগেই এই রাজনৈতিক দলটির যাত্রা শুরু হয়েছিল।   এরপরই রাজনৈতিক দলটির উৎপত্তিস্থল নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিলেন বহরমপুরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। সোমবার (১৫ জুন) বহরমপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস নেতা দাবি করে বসেন, এনসিপিআই দলটির জন্ম আসলে বাংলাদেশে।   অধীর বলেন, বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে এসে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারে বারে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হয়েছেন। তবে এখন দেখছি বাংলাদেশ থেকে শুধু মানুষ আসেনি, দলও অনুপ্রবেশ করে চলে এসেছে।   তিনি বলেন, এই দলের জন্ম বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময়। এখন সেই দলই দিল্লি পৌঁছে গেল। অমিত শাহের সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, শুধু মানুষ নয় রাজনৈতিক দলও অনুপ্রবেশ করে এই দেশে ঢুকে পড়ছে। তবে ওই রাজনৈতিক দলকে আমি ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বলতে রাজি নই। সিটিজেন্সের পরিবর্তে চিটিজেন্স ব্যবহার করা উচিত। তারা মানুষকে চিট করেছে। এরপরই অধীর মুর্শিদাবাদ জেলার তিন তৃণমূল সাংসদের দল পরিবর্তন নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, ইউসুফ পাঠান এখানে টাকার বিনিময়ে ভোট নামক ইভেন্টে খেলতে এসেছিল। তার চুক্তি শেষ। ও কেন এখন রিস্ক নেবে? তৃণমূল দলের সঙ্গে ওর চুক্তি ছিল, টাকা নাও আর আমাদের হয়ে ভোট করো। টাকা নিয়ে খেলার মত রাজনীতিও খেলা, বিজেপিতে চলে যাওয়াটাও এক ধরনের খেলা। তিনি আরও বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে যারা ওই রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন তারা জানেন না আগামী তিন বছর পর তৃণমূল থাকবে কিনা। বা থাকলেও সেখানে তারা টিকিট পাবেন কিনা। তাই আগামী ৩ বছর আরামে থাকা খাওয়ার জন্যই তারা ওই দলে যোগ দিয়েছেন। ৩ বছর পর যদি বিজেপির দয়া হয় তাহলে আবার তারা টিকিট পাবেন। তাই এখন থেকে বিজেপির পায়ে তেল মালিশ করা শুরু করেছেন। টাকা, প্রলোভন, ভয় এবং সরকারি দলের ক্ষমতা ভোগ করার জন্য কিছু লোক দল বদল করে বাংলার নাম খারাপ করছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৫, ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি : সংগৃহীত

শান্তিচুক্তিতে লেবাননের সার্বভৌমত্বের নিশ্চয়তা চায় ইরান

ভারতের ভিসা ফরম।

ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য আইভ্যাকের নতুন নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ফিলিপাইন

ছবি: সংগৃহীত
ক্রোয়েশিয়ায় নৌযান সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

ক্রোয়েশিয়ায় শতাধিক আরোহী বহনকারী একটি যাত্রীবাহী ক্যাটামারান (বহু-হালবিশিষ্ট জলযান) ও একটি পালতোলা নৌকার সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চার জনে দাঁড়িয়েছে।   সোমবার (১৫ জুন) এক বন্দর কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।   ক্রোয়েশিয়ার ব্রাচ ও শোলতা দ্বীপের মধ্যবর্তী মধ্য অ্যাড্রিয়াটিক সাগরে রোববারের ওই দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ থাকা চেক নাগরিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান স্প্লিট বন্দরের প্রধান ঝেলকো কুস্তেরা।   ওই নিখোঁজ ব্যক্তি দুর্ঘটনার সময় ফরাসি পতাকাবাহী পালতোলা নৌকাটিতে থাকা আট চেক নাগরিকের একজন ছিলেন। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। অপর চারজনকে সমুদ্র থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।   কুস্তেরা বলেন, রোববার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডুবুরি দল ৫০ মিটারেরও বেশি গভীরে ডুবে যাওয়া পালতোলা নৌকাটি শনাক্ত করে। আমরা যাকে খুঁজছিলাম। তিনি নৌকার কেবিনে ছিলেন।   তিনি জানান, নৌকাটি ও লাশ উদ্ধারের অভিযান কবে শুরু হবে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। কারণ, জাহাজটি যে গভীরতায় ডুবে গেছে, সেখানে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত জটিল।   স্প্লিট হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, তিন চেক নাগরিক সামান্য আহত হয়েছেন। আরেকজন মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত নিয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।   বেসরকারি একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত ক্যাটামারানটিতে ১১৮ জন যাত্রী এবং সাতজন ক্রু ছিলেন। ক্যাটামারানটির কোনো আরোহী আহত হননি।   ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় বিমান, নৌ ও রেল দুর্ঘটনা তদন্ত দপ্তর জানিয়েছে, তারা এ দুর্ঘটনার বিষয়ে ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছে। তবে সোমবার পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি।   ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ ও চেক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বাবিশ রোববার মৃতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৫, ২০২৬
এনসিপিআই-এ যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী এমপি

এনসিপিআইতে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী এমপি

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকলে ২ ঘণ্টাও টিকত না ইসরায়েল: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।ফাইল ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

সংগৃহীত ছবি
আরব আমিরাতে প্রদর্শনীতে বিশ্বের সবচেয়ে দামি সোনার পোশাক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহতে প্রদর্শিত হচ্ছে ৫০ লাখ দিরহাম মূল্যের একটি সোনার পোশাক। বিশ্বের সবচেয়ে দামি সোনার পোশাক হিসাবে এটি ইতোমধ্যেই গিনেস ওয়াল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে।   ‘শারজাহ ওয়াচ অ্যান্ড জুয়েলারি মিডল ইস্ট শো ২০২৬’ শীর্ষক এই প্রদর্শনীতে যাওয়া মানুষদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এই পোশাক। ‘গালফ নিউজ’ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পোশাকটি তৈরি করেছে ‘আল রোমাইজান গোল্ড অ্যান্ড জুয়েলারি’। শারজাহ এক্সপো সেন্টারে প্রথমবারের মতো সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এই পোশাক প্রদর্শণ করা হচ্ছে।   ১০ কেজির বেশি ২১ ক্যারেট নিখাদ সোনা দিয়ে পোশাকটি তৈরি করা হয়েছে। বিলাসবহুল কারুশিল্পে তৈরি রেকর্ড মূল্যের এই পোশাক আরব আমিরাতের আঞ্চলিক অলংকার শিল্পের ব্যাপক প্রসার ও বড় অর্জনকেই সামনে এনেছে।   রোববার প্রদর্শনী শেষ হচ্ছে। এতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শীর্ষস্থানীয় জুয়েলারি ব্র্যান্ড অংশ নিয়েছে। তারা সংগ্রাহক এবং শৌখিন ক্রেতাদের জন্য দুর্লভ গয়না ও নতুন নকশার পণ্য প্রদর্শন করছে। সালেম শুয়েবি জুয়েলারি আমিরাতি ডিজাইনার শাম্মা আল হাল্লামির সঙ্গে যৌথভাবে ‘আউরা মুসা’ এবং ‘শিখা হিন্দ’ সিরিজের ৫০০টির বেশি নতুন হীরার ডিজাইন প্রদর্শন করেছে। ওদিকে, আল-আরাবিয়া জুয়েলারি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃত বিভিন্ন শিল্পকর্ম উপস্থাপন করছে। এর অন্যতম হচ্ছে ‘ইউনিয়ন ফ্রেম’। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৭ টি প্রতীক এক নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এতে।   এছাড়া, জাওহারা জুয়েলারি ১৮ ক্যারেট সোনা, হীরা, রুবি, পান্না ও নীলকান্তমণি সমৃদ্ধ ‘পাম’ কালেকশনসহ মুক্তা ও কাস্টম ব্রাইডাল সেটের বিভিন্ন জিনিস প্রদর্শন করেছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলে দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, সব আরোহী নিহত

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা ৪ ইউরোপীয় দেশের

ইরানি ক্যাফেগুলো যেভাবে হলো মুম্বাইয়ের প্রাণ

0 Comments