পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে জেলা ও দায়রা আদালত ভবনের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি)।
মঙ্গলবার রাজধানীর জি-১১ এলাকায় ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক বছরের মধ্যে শহরে প্রথমবারের মতো এ ধরনের হামলায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পালাতে শুরু করে।
পাকিস্তানি তালেবান বলেছে, পাকিস্তানে অনইসলামিক আইনের অধীনে রায় কার্যকরকারী বিচারক, আইনজীবী এবং কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে ইসলামি আইন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আরও হামলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি বলেন, হামলাকারী একটি পুলিশের গাড়ির কাছে বিস্ফোরণ ঘটালে ১২ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনজীবী মোহাম্মদ শাহজাদ বাট বলেন, এটা ছিল একটি ‘বিশাল বিস্ফোরণ’। তিনি বলেন, আতঙ্কে সবাই ভেতরে দৌড়াতে শুরু করে। আমি সদর গেটে কমপক্ষে পাঁচটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি।
এক সাংবাদিক আধাসামরিক বাহিনীকে হামলার স্থানটি ঘিরে রাখতে দেখেছেন যেখানে বেশ কয়েকটি সরকারি অফিসও রয়েছে। আরেক আইনজীবী রুস্তম মালিক বলেন, তিনি কমপ্লেক্সে প্রবেশের সময় গেটে একটি বিকট শব্দ শুনতে পান।
তিনি বলেন, সেখানে খুব বিশৃঙ্খলা ছিল। আইনজীবী এবং স্থানীয় লোকজন কমপ্লেক্সের ভেতরে দৌড়াদৌড়ি করছিল। আমি গেটে দুটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন লেগেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এর আগে টিটিপি এবং দেশের বেলুচিস্তান অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দোষারোপ করেছিলেন। এসব সংগঠন বেশিরভাগ সময়ই নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসলামাবাদ মূলত বড় ধরণের জঙ্গি সহিংসতা থেকে মুক্ত ছিল। সেখানে সর্বশেষ আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, এএফপি
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের সংকট এড়াতে ভূমিকা রাখছে চীনের কমে যাওয়া তেলের চাহিদা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ চীন আগের তুলনায় কম অপরিশোধিত তেল আমদানি করায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকটের চাপ কিছুটা কমেছে। ফলে ইরান যুদ্ধ ঘিরে উদ্বেগ থাকলেও তেলের দাম আরও বেশি বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমেছে। এদিকে বুধবারের লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৭ সেন্ট কমে ৯৭ দশমিক ১৪ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম কমে দাঁড়ায় ৯৫ দশমিক ৪০ ডলার। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি কমবে—এমন আশাবাদ থেকেই তেলের দাম কিছুটা নেমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একটি প্রস্তাব পাস করেছে, যার লক্ষ্য ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধসংক্রান্ত ক্ষমতা সীমিত করা। বুধবার (৩ জুন) এই প্রস্তাবটি পাস হয়। ট্রাম্পের ইরান নীতি ও চলমান সংঘাত মোকাবিলার পদ্ধতির বিরুদ্ধে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডেমোক্রাটসরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষেই বারবার ভোটাভুটির উদ্যোগ নিয়েছেন, যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুদ্ধসংক্রান্ত ক্ষমতা সীমিত করা যায়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এ উদ্যোগে ধীরে ধীরে রিপাবলিকান দলেরও আরও বেশি সমর্থন যোগ হয়েছে। প্রস্তাবটির পক্ষে ২১৫ এবং বিপক্ষে ২০৮ ভোট পড়ে। ভোটাভুটিতে রিপাবলিকান দলের চার সদস্য— থমাস ম্যাসি, ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক, টম ব্যারেট এবং ওয়ারেন ডেভিডসন দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন। যুদ্ধের কারণে তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের কষ্ট ও ভোগান্তির বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যারেট বলেন, ‘আমার মনে হয় মানুষ অবশ্যই হতাশ ও বিরক্ত।’ ম্যাসি একজন কেন্টাকির রিপাবলিকান, দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের সমালোচনা করে আসছেন ইরানে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুদ্ধ চালানোর বিষয়ে। তিনি বুধবারের ভোটের পর বলেন, ‘মানুষ এটা নিয়ে ক্লান্ত। তারা প্রতি গ্যালনে ৫ ডলারের গ্যাস এবং ৬ ডলারের ডিজেল নিয়ে ক্লান্ত, আর কেন্টাকির আমাদের জমিতে দেয়ার মতো সারের খরচও আমরা বহন করতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত এই ভোট একটি ভালো বার্তা দেয় যে জনগণের প্রতিনিধি পরিষদ, যা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে, এই যুদ্ধ নিয়ে ক্লান্ত।’ ফিটজপ্যাট্রিক তার ভোটকে আইন অনুসরণ করার অংশ হিসেবে সমর্থন করেন। যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত এই প্রস্তাব পাস হওয়া হলো সাম্প্রতিক আরেকটি উদাহরণ, যেখানে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস ট্রাম্পের এজেন্ডার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সিনেটের রিপাবলিকানরা একটি বিতর্কিত ১.৮ বিলিয়ন ডলারের ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিল নিয়ে বিদ্রোহ করেছেন, যেটি ট্রাম্প সমর্থন করেন। তবে তাদের আশঙ্কা, এটি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে হামলায় পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর আক্রমণকারী ট্রাম্প সমর্থকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। এছাড়া, বুধবার সিনেট রিপাবলিকানরা অভিবাসন সংক্রান্ত একটি প্যাকেজের অংশ হিসেবে ট্রাম্পের বলরুম নিরাপত্তার জন্য বরাদ্দ অর্থও আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দিয়েছেন। যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত এই প্রস্তাব পাসের উদ্যোগে যুক্ত থাকা একজন ডেমোক্র্যাটিক হাউস সহকারী সিএনএনকে জানিয়েছেন, তাদের মতে এই প্রস্তাবটি বাধ্যতামূলক হবে এবং এটি একটি আইনি বিষয় হিসেবে পরে নির্ধারণ করতে হবে।
আলবেনিয়ার পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল আড্রিয়াটিক উপকূলে একটি বিশাল বিলাসবহুল রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেশটির হাজার হাজার মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের মালিকানাধীন একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই প্রকল্পটির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (৫ জুন) রাতে রাজধানী তিরানায় বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ১.৪ বিলিয়ন ইউরোর (১.৬ বিলিয়ন ডলার) এই মেগা প্রকল্পটি কুশনারের আফিনিটি পার্টনার্স নামক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে আলবেনিয়ার একটি দ্বীপ এবং ভজোসা-নার্তা সুরক্ষিত এলাকার কাছে অবস্থিত অবিকৃত উপকূলীয় অঞ্চলে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পরিবেশবাদীদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা স্থানীয় সুরক্ষিত জলাভূমি এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে ফ্লেমিঙ্গো, সিল এবং সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম পাড়ার এই প্রাকৃতিক স্থানটির কয়েক শত হেক্টর আদিম সৈকত এর ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পিপিএনইএ-বার্ডলাইফ আলবেনিয়া নামক সংস্থার একজন পরিবেশবিদ জনি ভরপ্সি তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেখানে প্রায় ১০,০০০ কক্ষের একটি সম্পূর্ণ নতুন শহর তৈরি করা হবে, যা ওই অঞ্চলের বন্য পরিবেশকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে। তিনি অবিলম্বে সুরক্ষিত অঞ্চল থেকে সব ধরনের ভারী যন্ত্রপাতি সরিয়ে নেওয়ার এবং নির্মাণকাজ বন্ধের দাবি জানান। মঙ্গলবারের প্রতিবাদ সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামার কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। এ সময় তাদের হাতে ছিল ইনফ্ল্যাটেবল ফ্লেমিঙ্গো এবং ‘দেশ বিক্রির জন্য নয়’ ও ‘আমি আলবেনিয়াকে দুবাইয়ের মতো দেখতে চাই না’ লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। জানা গেছে, জভেরনেক এলাকার প্রস্তাবিত জমিতে ডেভেলপাররা বিশাল কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দা এবং অলাভজনক সংস্থাগুলোর এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। এর আগে গত শনিবার বিক্ষোভকারীরা ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে সংঘর্ষে জড়ালে বেশ কয়েকজন আহতও হন। তবে তীব্র গণ-অসন্তোষ সত্ত্বেও প্রকল্পটির পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামা। এক বিবৃতিতে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ তিনি ক্ষমতায় আছেন, ততক্ষণ এই বিনিয়োগ বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আলবেনিয়াকে একটি শত্রুতামূলক দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না, বরং সবাইকে স্বাগত জানানোর মানসিকতা বজায় রাখতে হবে। অন্য দিকে, কুশনারের প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হিসেবে কাজ করা সাজান রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট এলএলসি-এর চেয়ারম্যান আশের আবেহসেরা পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি জানান, তাদের মূল লক্ষ্য হলো দায়িত্বশীলতার সাথে পরিবেশের উন্নয়ন, স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক মূল্য নিশ্চিত করা। তবে আফিনিটি পার্টনার্স এবং কুশনারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কুশনার এই রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। এর আগে সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডেও তার একটি প্রকল্প স্থানীয় জনগণের তীব্র প্রতিবাদের মুখে বাতিল করতে হয়েছিল। সূত্র: রয়টার্স।