খেলাধুলা

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক স্মিথের মৃত্যু

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরলোকে পাড়ি জমালেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক স্মিথ। ৯২ বছর বয়সে স্মিথের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব। ১৯৩৩ সালে লেস্টারশায়ারে জন্ম নেন স্মিথ।

ইংল্যান্ডের হয়ে ১৯৫৮ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ৫০ টেস্ট খেলেছেন স্মিথ। এরমধ্যে ২৫টি টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। স্মিথের অধীনে ৫টিতে জয়, তিনটিতে হার ও ১৭টিতে ড্র করেছে ইংল্যান্ড।

দেশের হয়ে ব্যাট হাতে ৩ সেঞ্চুরি ও ১১টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩১.৬৩ গড়ে ২,২৭৮ রান করেছেন স্মিথ।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত রেকর্ড আছে টপ অর্ডার ব্যাটার স্মিথের। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৯৫১ সালে অভিষেক হয় তার। এরপর ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে খেলেছেন তিনি। এরমধ্যে ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সালে ওয়ারউইকশায়ারের অধিনায়কত্ব করেন স্মিথ।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬৯টি শতক ও ২৪১টি অর্ধশতকে ৩৯,৮৩২ রান করেছেন স্মিথ। ১৯৫৯ সালের কাউন্টিতে ২,৪১৭ রান করেন স্মিথ। যা ওয়ারউইকশায়ারের কোন ব্যাটারের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। পরের বছর উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জেতেন তিনি।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায় ১৮তম স্থানে আছেন স্মিথ।

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৪০ ম্যাচে ১৫টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩,১০৬ রান করেছেন তিনি।

২৪ বছরের বণার্ঢ্য ক্যারিয়ার শেষে ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যান হন স্মিথ। এরপর আইসিসির ম্যাচ রেফারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪টি টেস্ট ও ১৭টি ওয়ানডে পরিচালনা করেন স্মিথ।

এছাড়া ইংল্যান্ডের ম্যানেজার ছিলেন স্মিথ। এরমধ্যে ১৯৯৪-৯৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজও রয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা, বিশ্বকাপ থেকে বাদ সোমালি রেফারি

প্রথম সোমালি হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বের রেফারি হওয়ার কথা ছিল ওমর আব্দুলকাদির আরতানের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে ফিফার কর্মকর্তাদের তালিকা থেকে। ২০২৫ সালে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিএএফ) বর্ষসেরা রেফারি নির্বাচিত হওয়া ওমরকে মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি তুরস্কে অবস্থান করছেন। মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ জানায়নি। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা দেশগুলোর একটি হলো সোমালিয়া। ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “ম্যাচ অফিসিয়াল ওমর আব্দুলকাদির ওমরকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন না।” ফিফা আরও জানায়, তারা আয়োজক দেশের অভিবাসন প্রক্রিয়ায় জড়িত নয়। ভিসা অনুমোদন ও প্রবেশের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে আয়োজক দেশের সরকারের হাতে। সোমালিয়ার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এক উপদেষ্টা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন যে, ওমর বৈধ কাগজপত্র নিয়ে ভ্রমণ করছিলেন। নাইরোবিতে সোমালি দূতাবাস জানিয়েছে, আগের ভিসা সমস্যার কারণে তার জন্য বিশেষভাবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছিল। ওমর রয়টার্সকে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, “আমি ফিফা ও সিএএফ-এর প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি আমার রেফারিং মান ধরে রাখব এবং ভবিষ্যতের দিকে মনোযোগ দেব। সহকর্মীদের সফলতা কামনা করছি এবং ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় আবার তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় আছি।” সোমালি ফুটবল ফেডারেশন (এসএফএফ) জরুরি ব্যাখ্যা চেয়ে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।  হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বিবিসিকে বলেন, “আমি বিস্তারিত বলতে পারছি না, তবে কাস্টমস ও বর্ডার প্যাট্রোলের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল এবং আমি সেটিকে সমর্থন করি।” ওমর ছিলেন ফিফার ঘোষিত ৫২ জন রেফারির একজন, যারা কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ম্যাচ পরিচালনা করার কথা ছিল।২০১৮ সালে ফিফা রেফারি হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ওমর। তিনি আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (আফকন) টুর্নামেন্টেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

মারিয়া রহমান জুন ০৯, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

দীর্ঘ ১৫ বছর পর দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। ছবি : সংগৃহীত

আজ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া লড়াই

ছবি: সংগৃহীত

বার্সেলোনার শিরোপা বাতিল করতে উয়েফার কাছে আইনি নথি জমা দিয়েছে রিয়াল

ওয়েসলির বদলি হিসেবে ব্রাজিল দলে ডাক পেয়েছেন এদেরসন সিলভা। ছবি: সংগৃহীত
ছিলেন বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানে, সেখান থেকেই ডাক পেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে

মাংসপেশির চোটে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল থেকে ছিটকে গেছেন ওয়েসলি, এটা পুরোনো খবর। এএস রোমাতে খেলা ২২ বছর বয়সী ডিফেন্ডারের বদলি হিসেবে এরই মধ্যে মিডফিল্ডার এদেরসন সিলভার নাম চূড়ান্ত করেছেন কার্লো আনচেলত্তি।    এদেরসনের বিশ্বকাপ দলে ঢুকে যাওয়া অনেকের কাছেই বিস্ময়কর ছিল। এমনকি আগামৗ মৌসুমে ম্যান ইউনাইটেডে যোগ দিতে যাওয়া ২৬ বছর বয়সী এ মিডফিল্ডার নিজেও হয়তো এটা আশা করেননি! বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানে থাকতেই অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ার খবর পান তিনি!   ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গে-র প্রতিবেদন অনুসারে, শুরুতে আনচেলত্তির ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে সুযোগ না পেয়ে জন্মস্থান ব্রাজিলের মাতো গ্রোসো দো সুল অঙ্গরাজ্যের কাম্পো গ্রান্দেতে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন এদেরসন। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে তিনি এক বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় নিজের পাসপোর্টও সঙ্গে নিয়ে যাননি এদেরসন। হয়তো বিশ্বকাপ দলে খেলার সুযোগ পাওয়ার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন!   কিন্তু গতকাল রোববার সকালে হঠাৎ ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন থেকে তাঁর কাছে ফোন আসে। এদেরসনকে জানানো হয়, তিনি বিশ্বকাপ দলে যুক্ত হয়েছেন। খবরটি এদেরসনের জন্য এদিকে যেমন আনন্দের ছিল, তেমনি কিছুটা বিপাকেও পড়েন তিনি। কারণ তাঁর পাসপোর্ট যে রিও ডি জেনেইরোতে!     পরে এক বন্ধুকে অনুরোধ করেন, তাঁর পাসপোর্টটি সাও পাওলোতে পৌঁছে দিতে। সেখান থেকেই নিউ জার্সির বিমানে উঠে ব্রাজিল দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা এদেরসনের। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ব্রাজিলের দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে বিকেলে অনুশীলনে অংশ নেবেন তিনি।    উল্লেখ্য, আগামী রোববার ভোরে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। 

মারিয়া রহমান জুন ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারে ফ্রান্স: রয়টার্স জরিপ

ছবি: সংগৃহীত

বিসিবি নির্বাচনের পরদিনই পদত্যাগ করলেন পরিচালক মীর শাকরুল আলম

ছবি: সংগৃহীত

লেওয়ানিদাস-রোনালদোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার হাতছানি এমবাপের সামনে

ছবি: সংগৃহীত
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ক্যাম্পের কাছে গোলাগুলি, আহত ৯

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর তিন দিন বাকি। এই সময় যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে গেছে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনা। টুর্নামেন্টের ভেন্যু শহরগুলোর একটি ক্যানসাস সিটিতে গোলাগুলিতে আহত হয়েছেন ৯জন।   ক্যানসাস সিটির মিজৌরিতে, সুয়াপ সকার ভিলেজে বিশ্বকাপের ক্যাম্প করার কথা ইংল্যান্ডের। স্থানীয় সময় শনিবার সেখান থেকে মাত্র চার মাইল দূরে গোলাগুলির ঘটনাটি ঘটে।   ইংল্যান্ড দল অবশ্য এখনও ক্যানসাস সিটিতে পৌঁছায়নি। আগামী বুধবার ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে কোস্টারিকার বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে হ্যারি কেইনদের।   ক্যানসাস সিটি পুলিশ জানিয়েছে, ওই বন্দুক হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আহতদের মধ্যে অন্তত তিনজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে এমন সহিংসতার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। ‘গান ভায়োলেন্স আর্কাইভ’এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশটিতে ৪০০-এরও বেশি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৮, ২০২৬
আবদেসসামাদ এজ্জালজৌলি হাঁটুতে চোট পেয়েছেন। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের আগে মরক্কো উদ্বিগ্ন, চোট পেয়েছেন এজ্জালজৌলি

ছবি: সংগৃহীত

কোরআন শরিফ চুমু দিয়ে বিশ্বকাপে ইরানের ফুটবলাররা

শিরোপা ধরে রাখার পথে এবার আর্জেন্টিনার বাধা ইনজুরি। ছবি : সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা যেন মিনি হাসপাতাল!

0 Comments