ঈদুল ফিতরের আগেই দেশের শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি ও বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প মন্ত্রণালয় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। ঈদের আগে যেন কোনো শ্রমিক বকেয়া না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় কম। ফলে রাজস্ব দিয়ে মূলত পরিচালন ব্যয়ই মেটানো সম্ভব হয়, উন্নয়ন ব্যয়ে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। এ কারণেই ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। পর্যায়ক্রমে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গেও ফ্রি ট্রেড চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রমজানের বাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। দু-একটি পণ্যের দাম সাময়িক বাড়লেও এখন তা স্বাভাবিক হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সভায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। মতবিনিময় সভা শেষে মন্ত্রীরা সুরমা ও চেঙ্গার নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলাদেশের চাষযোগ্য জমির এক ইঞ্চিও নষ্ট করা যাবে না। এ জন্য এখন থেকেই সরকারকে দেশের প্রতিটি জেলায় জোনিং করে জমির শ্রেণি বিন্যাস করে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট বলেন, রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে রুপান্তরের জন্য যেমনি ডিটেইল এরিয়া প্লান (ড্যাপ) তৈরী করা হয়েছে। এমনিভাবে সারাদেশের প্রতিটি জেলায়ও জমির প্রকৃতি নির্ধারণ করে আবাসন, শিল্পায়ন ও কৃষি জমি রক্ষা করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজম্মের কাছে আমাদের জবাবদিহিতার কোন সুযোগ থাকবেনা। তিনি বলেন, কৃষি জমি নষ্ট করা যাবে না, সে ক্ষেত্রে বিকল্প একটাই যে আমাদের ভার্টিকালি যেতে হবে। হাই রাইজ বিল্ডিং করতে হবে । তিনি বলেন, গৃহায়ন মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে আমরা বলেছি হাইট স্টেশন তুলে দিতে হবে। বিশেষ করে এয়ারফেস সহ রাষ্ট্রের রাডার সহ গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলো আছে সেই জায়গা ছাড়া বাকি জায়গাতে হাইট স্টেশন রাখার কোন দরকার নেই। যেটা আমরা অনেক উদাহরণ দিয়ে বলেছি যেমনটা বলেছি ব্যাংককের কথা। কারণ ব্যাংককে সরকার তাদের দেশের জমির এক ইঞ্চিও নষ্ট করেনা। তিনি বলেন, আমরা গৃহায়ন মন্ত্রীকে এটাও বলেছি যে শুধু ঢাকার জন্য একটা প্লান করে বসে থাকলে হবেনা। আমরা বলেছি গোটা বাংলাদেশটাকে জোনিং করতে হবে। যেখানে কৃষি সমৃদ্ব এলাকা সেখানে কৃষিকে প্রাধান্য দিতে হবে। কৃষি জমির এক ইঞ্চিতেও শিল্পায়ন বা আবাসন করা যাবেনা। আবার যেখানে শিল্পায়ন করতে হবে সেখানেও উচু ভবন তৈরীর প্লান থাকতে হবে। রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট বলেন, আগের সরকরের আমলে তৈরী করা ড্যাপ -এ অনেক অসংগতি রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে নতুনভাবে সাজাতে হবে। যেমন ধরেন রাজধানীর মিরপুরের একটি এলাকায় আশপাশে সব ১০ থেকে ১৫ তলা ভবন। সেখানে আজগুবি ভাবে ড্যাপে দেখানো আছে ১৫ ফিট সড়ক। আসলে সেখানে এই ধরনের কোন সড়ক নেই। আর এই আজগুবি সড়কের অযুহাতে রাজউক প্লান দিচ্ছেনা এলাকাবাসীকে। এটা সাধারণ গ্রাহকদের জন্য ভোগান্তির কারন। তিনি বলেন, ড্যাপ সংশোধন বিষয়ে গৃহায়ন মন্ত্রী তাদের কথা মনযোগ সহকারে শুনেছেন। এবং ড্যাপের বিষয়ে কি ধরনের ক্রটি বিচ্যুতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্টভাবে আবেদন করে তা তুলে ধরতে বলেছেন। সে অনুযায়ী এ বিষয়ে তারা সরকারকে তাদের সুপারিশ তুলে ধরবেন। রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট বলেন, একই সাথে আমরা বলার চেষ্টা করেছি রাষ্ট্রকে আবাসন খাতের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দিতে হবে। যাতে যত্রতত্র আবাসনের নামে মুল্যবান জমি নষ্ট না হয়। তিনি বলেন, আমরা চাই দেশের উন্নয়ন, দেশের আবাসন সেক্টরের উন্নয়ন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছোট্ট একটা দেশ। ১৮ কোটি মানুষের দেশ। এই দেশে পপুলেশন বাড়বে ল্যান্ড কিন্তু বাড়বে না। আমরা পরিসংখ্যানে দেখেছি ২১শ সালে পপুলেশন প্রায় ৩৫ কোটি হবে। এই ৩৫ কোটি মানুষের আবাসন দিতে হবে একই সাথে কিন্তু রাষ্ট্র খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে সেজন্য আমরা বলেছি যে, বাংলাদেশের চাষযোগ্য জমির এক ইঞ্চিও নষ্ট করা যাবে না। তাহলে বিকল্প একটাই যে আমাদেরকে ভার্টিকাল এক্সপেশনে যেতে হবে। হাই রাইজ বিল্ডিং করতে হবে। পাশাপাশি ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে হবে। গৃহায়ন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট বরকতুল্লাহ, ডাইরেক্টর এবং ইটিভির এমডি তাসনোভা মাহবুব সালাম, মোস্তাফিজুর রহমান এমপিসহ রিহ্যাবের নব নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। মঙ্গলবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমায় প্রধান সূচকগুলোর পাশাপাশি লেনদেনেও পতন হয়েছে। দিনভর লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৭টির, বিপরীতে কমেছে ২২৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯টির দর। এই দরপতনের প্রভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১ পয়েন্ট হারিয়ে নেমে এসেছে ৫ হাজার ২৬৭ পয়েন্টে। একইভাবে, বড় মূলধনী ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৭ পয়েন্টে। তবে শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। লেনদেনেও দিনের শেষে কিছুটা মন্দাভাব দেখা যায়। মোট লেনদেন হয়েছে ৮৩২ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৮৭৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার তুলনায় ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কম। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমেছে। এখানে লেনদেন হওয়া ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির দর। তবে সামগ্রিক সূচক সিএএসপিআই ২১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৮০৫ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এই বাজারে মোট ১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকার তুলনায় কম।
তুরস্কে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে এপ্রিল মাসে ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মার্চ মাসে ছিল ৩০ দশমিক ৯ শতাংশ। সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। মাসিক ভিত্তিতেও ভোক্তা মূল্য দ্রুত হয়েছে। মার্চের ১ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে এপ্রিলে ভোক্তা মূল্য বেড়েছে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। মূলত বাসস্থান, পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে, এই চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানায় তুর্কি পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট বা টিইউআইকে। এই পরিসংখ্যান নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন অর্থনীতিবিদদের সংগঠন ইনফ্লেশন রিসার্চ গ্রুপ (ইএনএজি)। তাদের হিসাব অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৫৫ দশমিক ৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে। ইএনএজি দীর্ঘদিন ধরেই তুরস্কের সরকারি মূল্যস্ফীতি পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে। তুরস্ক ২০১৯ সাল থেকে দুই অঙ্কের মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে। বিগত চার বছর ধরে এর বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ৩০ শতাংশের ওপরে রয়েছে। গত ২০২৪ সালের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৭৫ শতাংশের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছিল। এরপর তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।