অন্যান্য

ঈদে বাড়ি ফেরার পথে করণীয় আমল ও দোয়া

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

কর্মস্থল ত্যাগপ্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করেন। ঈদে গ্রামে ফিরতে হলে অবশ্যই বাসা কিংবা অফিস থেকে বের হওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা খুবই জরুরি। যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন। দোয়াটি পাঠ করলে সব বিপদ থেকে নিরাপদ ও শয়তানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। দোয়াটি হলো- ‘বিসমিল্লাহ, তাওাক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থাৎ তখন তাকে বলা হয় : তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত হলে।’ (আবু দাউদ শরিফ)

সাধারণত বাস, ট্রেন, লঞ্চের মাধ্যমে আমরা গ্রামে যাই। আমরা যানবাহনে উঠতে খুব তাড়াহুড়া করি। বৃদ্ধ কিংবা মহিলাদের খেয়াল না করেই ধাক্কাধাক্কি করে প্রথমে ওঠার চেষ্টা করি। অনেক সময়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলার সময়ে লাফ দিয়ে উঠে পড়ি। যার ফলে তাড়াহুড়ার কারণে নিজে বা পাশে থাকা ব্যক্তি পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। এজন্য থেমে থাকাবস্থায় যানবাহনে উঠাতে হবে। যানবাহনে ওঠার সময়ে প্রথমে বিসমিল্লাহ পড়ে পা রেখে বসার পর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা উত্তম। অতঃপর আরোহণের দোয়া পাঠ করে তিনবার আলহামদুলিল্লাহ ও তিনবার আল্লাহু আকবর বলে সর্বশেষ নিচের দেওয়া দোয়াটি পড়া যেতে পারে। ‘সুবহানাকা ইন্নি জলামতু নাফসি জুলমান কাছিরান ফাগফিরলি ইন্নাহু লাইয়াগফিরনিজ্জুনুবা ইল্লা আনত।’ (তিরমিজি)

রসুল (সা.) যখন বাহনে (উট, ঘোড়া ইত্যাদি) চড়তেন, তখন নিম্নলিখিত দোয়া পাঠ করতেন- যানবাহনে ওঠার সময়ে যে দোয়াটি পাঠ করতে হয় যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারিতে বসার পর পাঠ করতেন। ‘সুবহানাল্লাহু সাখখারালানা হা জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্করিনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্কালিবুন। অর্থ : মহান পবিত্র তিনি যিনি আমাদের জন্য এটাকে অধীন নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন নতুবা আমরা তো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদের প্রভুর কাছে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। (সুরা যুখরুফ-১৩-১৪)

তবে মুসলিম শরিফের বর্ণনায় পাওয়া যায় নিচের দোয়াটিও যানবাহনে ওঠার পর পাঠ করা যেতে পারে। দেয়াটি হলো-  ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফি সাফরিনা হা-জাল বিররা ওয়াত তাকওয়া, ওয়া মিনাল আমালি মা তার দা আল্লাহুম্মা হাউয়িন আলাইনা সাফারনা হাযা, ওয়াতওই আন্না বুদাহু, আল্লাহুম্মা আনতাস্-সাহিবু ফিস্-সাফার, ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি ওয়াল মাল। আল্লাহুম্মা ইন্না নাউজুবিকা মিন ওয়া-ছা-ইস সাফারি ওয়া-কাআবাতিল মানজারি, ওয়া সুইল মুনকালাবি ফিল আহলি ওয়াল মাল। তবে নদীপথে যাওয়ার সময়ে নিচের  দোয়াটি পাঠ করা উত্তম। যা হজরত নূহ (আ.)-কে নির্দেশ করা হলো যে বেইমানদের বাদ দিয়ে ইমানদার নিয়ে নৌকার তুলে নিন। হজরত নূহ (আ.) উক্ত দোয়া পাঠ করেন, ‘বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়ামুসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম অর্থ : আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি আমার পানলনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন মেহেরবান। (সুরা হুদ-৪) ঈদে বাড়ি যেতে প্রায় সময়ে মাঝ রাস্তায় বিরতি দিয়ে থাকে। আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক অর্থ : আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি। (মুসলিম : ২৭০৮)

ঈদে বাড়ি যাওয়ার সফরটা আমরা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতে পারি। যানবাহনে অপ্রয়োজনীয় কথা ও হাসিতামাশা থেকে বিরত থেকে কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ, জিকির, অতিরিক্ত দরুদ শরিফ পাঠ করে বাড়ি যাওয়ার যাত্রার সময়কে আমলে অতিবাহিত করি। পার্শ্ববর্তী যাত্রীদের সাহায্য ও ভালো আচরণ করি। যাত্রাপথে বিপদে পড়লে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করি। তিনজন একসঙ্গে বের হলো একজনকে নেতা নিযুক্ত করি। সফরে মুসাফির থাকাবস্থায় দোয়া করলেও কিন্তু কবুল হয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি শরিফ)

ঈদে বাড়ি পৌঁছানোমাত্রই সর্বপ্রথম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করাসহ রসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহ বিপদমুক্ত করে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের জন্য বাড়িতে আসার তাওফিক দিয়েছেন। শুকরিয়া হিসেবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করাটা খুব উত্তম একটি কাজ। হজরত কা’ব ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)

লেখক : প্রধান গবেষক : আল ফুরকান রিসার্চ সেন্টার, ঢাকা

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
সিলেটে মতবিনিময় সভায় কথা বলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘প্রায় ১৭ বছর পর একটা অর্থবহ নির্বাচন হবে, জাতি আশা করেছিল। আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, নির্বাচন খুব সুন্দর হয়েছিল, কিন্তু ফলাফলটা সুন্দর হয়নি। ফলাফলের ক্ষেত্রে অনেক কিছু করা হয়েছে, এটা অনেকে এখন স্বীকার করছেন। তারপরও আপনাদের প্রশ্ন থাকতেই পারে, আমরা কেন ফলাফল মেনে নিয়েছি। আমরা মেনে নিয়েছি দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে সামনে রেখে।’ রবিবার (১৪ জুন) রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় জামায়াত আমির এ কথা বলেন। জামায়াতের আমির বলেন, ‌‘দুনিয়ার যে সমস্ত জায়গায় একবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেই জায়গা থেকে তারা আর বের হতে পারছে না। আমরা যদি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করতাম, আমাদের আশঙ্কা ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো। এটা এই জাতিকে কোথায় নিয়ে যেতো, তা আল্লাহ জানেন। এটা আমাদের আশঙ্কা, এটা না-ও হতে পারতো।’

মারিয়া রহমান জুন ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত সেক্রেটারি

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সমর্থক মির্জা ফখরুল

বিশ্বজুড়ে সোনার দাম কমার প্রবণতার কারণ কী

ছবি: সংগৃহীত
এমপিদের উন্নয়ন দেখাতে কেন্দ্র, অথচ নেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী: প্রতিমন্ত্রী নুর

এলাকার সংসদ সদস্যরা (এমপি) নিজেদের উন্নয়ন জাহির করার জন্য বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার (প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) তৈরি করলেও সেগুলোতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। এর ফলে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির তহবিল বা ফান্ড কোনো কাজে আসছে না এবং কার্যকারিতা হারাচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।   শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বিষয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-জাপান ডায়ালগ’-এ অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভ্যন্তরীণ সেবা খাতের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে এমন চারটি ট্রেনিং সেন্টার আছে, যেখানে কোনো শিক্ষকও নেই, ছাত্রও নেই। এগুলো স্রেফ এলাকার এমপিরা তাদের উন্নয়ন দেখাতে তৈরি করেছিলেন। এসব অকার্যকর কর্মসূচির কারণে সরকারি ফান্ডের অপচয় হচ্ছে।’   বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর ওপর জোর দিয়ে নুরুল হক বলেন, বাংলাদেশ এখন জাপানসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের জব মার্কেটে (শ্রমবাজার) বড় পরিসরে কাজ করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে দেশের পলিসি বা নীতিগত জায়গায় বড় পরিবর্তন দরকার।   প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর বেহাল দশা কাটাতে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় পর্যায়ের ট্রেনিং সেন্টারগুলোকে ‘মডেল’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে অন্যান্য কেন্দ্রের দুরবস্থা কাটানোর চেষ্টা করা হবে। এ সময় দেশের নিজস্ব আইডিয়া বা ভাবনাগুলোকে প্রমোট (প্রচার) না করার মানসিকতা থেকেও সবাইকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সরকারি দফতরের সেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে নুরুল হক নুর বলেন, ‘সেবাগ্রহীতা হিসেবে সাধারণ নাগরিকরা কোনো সরকারি দফতরে গেলে এখনও সম্মানের সঙ্গে সেবা পায় না। এই সংস্কৃতির বদল দরকার।’ তবে দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর একটি চমৎকার ভিশন (লক্ষ্য) রয়েছে উল্লেখ করে সেটি বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

জামায়াতের তিন নেতার পদ স্থগিত

শায়খ আহমাদুল্লাহ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

টাকা ধার দেওয়া-নেওয়া সম্পর্কে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে ১১ দলীয় সমাবেশে সরকারের সমালোচনা শফিকুর রহমানের

ছবি : সংগৃহীত
চবি ছাত্রদল নেতা নোমানকে ডেকে খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার সফরকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমানকে দূর থেকে দেখে কাছে ডেকে নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত শেষে ফেরার সময় নোমানকে ডেকে নেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদও উপস্থিত ছিলেন। শহীদ ওয়াসিম আকরাম ছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমানের কর্মী। জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত ওয়াসিম নোমানের সঙ্গে আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন। সাক্ষাৎ শেষে আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করে ফেরার সময় দূর থেকে আমাকে দেখে কাছে ডেকে নেন। এ সময় আমার স্বাস্থ্যের খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি চবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিষয়ে জানতে চান। নোমান আরও বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা সংক্ষেপে তুলে ধরেছি। শিক্ষার্থীদের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান বাহন শাটল ট্রেনের নানা সংকট, অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও আবাসন সমস্যা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি গুরুত্ব সহকারে কথাগুলো শুনেছেন, একান্ত সচিবকে দিয়ে নোটিং করিয়েছেন এবং সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

মারিয়া রহমান জুন ১৪, ২০২৬
দ্বিতীয় রানার আপ হওয়ার সুবাদে দলটি পেয়েছে ২ হাজার মার্কিন ডলার।ছবি: এইচএসবিসি বাংলাদেশের সৌজন্যে

বিশ্বমঞ্চে পুরস্কার জিতল বিইউপির ‘টিম সিক্স সেভেন’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত

গুম-নির্যাতন মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য আজ

ছবি : সংগৃহীত

জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে মাঠে ছাত্রদল, বিক্ষোভ মিছিল

0 Comments