সারাদেশ

ঈদযাত্রার চাপে ভোগড়া-মির্জাপুর মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢলে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উত্তরবঙ্গগামী লাখো যাত্রী।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকেই মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড়, সফিপুর, কালিয়াকৈর, গোড়াই ও মির্জাপুর অংশে যানবাহনের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করে। কোথাও কোথাও এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার পথও অতিক্রম করতে পারেনি যানবাহন।

 

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় ছুটি শুরু হওয়ায় একযোগে বাড়ির পথে রওনা দেন শ্রমিক ও চাকরিজীবীরা। একই সময়ে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ধীরগতির যান চলাচল শুরু হয়। পরে সেই চাপ দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।

 

যাত্রীদের অভিযোগ, যানজটের পাশাপাশি থেমে থেমে বৃষ্টি এবং অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে ঈদযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেক পরিবারকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বসে থাকতে হয়েছে। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটেও পড়েন অনেকে। কয়েকটি পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

 

চন্দ্রা এলাকায় আটকে থাকা এক বাসচালক বলেন, সন্ধ্যার পর থেকেই গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। এখন এক ঘণ্টায় সামান্য পথও যাওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

 

কয়েকজন যাত্রী জানান, স্বাভাবিক সময়ে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল যেতে যেখানে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে মঙ্গলবার রাতে একই পথে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের বেলায় মির্জাপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত যান চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক থাকলেও রাত ৯টার পর কালিয়াকৈর-মির্জাপুর অংশে চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা পর্যন্তও থেমে থেমে যান চলাচল করতে দেখা গেছে।

 

গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তে মানুষ ও যানবাহনের চাপ হঠাৎ বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মাঠে কাজ করছেন।

 

হাইওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা জানান, মহাসড়কে কোথাও যানবাহন বিকল হওয়া, অতিরিক্ত চাপ এবং বিভিন্ন পয়েন্টে ধীরগতির কারণে এই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যরা রাতভর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
যমুনা সেতু দিয়ে ৪৮ ঘণ্টায় পার হলো প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার যানবাহন

পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তে ঘরে ফিরছেন লাখো মানুষ। ঈদযাত্রাকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। এর প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতেও। প্রতিদিনই বাড়ছে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা, ভাঙছে আগের দিনের রেকর্ড। ঈদ সামনে রেখে গত ৪৮ ঘণ্টায় সেতুটি ব্যবহার করেছে ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫টি যানবাহন।   যমুনা সেতু সাইট অফিস ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের দৈনিক টোল আদায়ের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩৬ হাজার ৪২৬টি এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ১৯ হাজার ৮১৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন সেতু ব্যবহার করে। এ সময় টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা।   অন্যদিকে সোমবার ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩২ হাজার ১৮৬টি এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ২১ হাজার ৬০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। দুই প্রান্ত মিলিয়ে ওইদিন মোট ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন সেতু ব্যবহার করে। এ সময় টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।   দুই দিনের হিসাবে যমুনা সেতুর দুই প্রান্ত দিয়ে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। একই সময়ে টোল আদায় হয়েছে ৭ কোটি ৬০ লাখ ৫৫ হাজার ২৫০ টাকা।   এদিকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়লেও যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড় তথা সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে এখন পর্যন্ত বড় কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়, কোনাবাড়ি মোড়, সায়দাবাদ, কড্ডার মোড়, নলকা ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।   যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন ঢাকাপোস্টকে বলেন, সেতুর উভয় প্রান্তে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।   প্রসঙ্গত, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতু। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

সোনারগাঁয়ের ২৩ গ্রামে আজ পালিত হবে ঈদুল আজহা

ছবি : সংগৃহীত

কালশী বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড, গ্রেফতার যুবক কারাগারে

ছবি : সংগৃহীত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যুক্ত হলো উন্নত ‘স্মার্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট’ সিস্টেম

ছবি : সংগৃহীত
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

দেশের সর্ব উত্তরের পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সাত দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে বন্দর কতৃপক্ষ। তবে ঈদের ছুটিতে বন্দর দিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীরা পারাপার হতে পারবেন। সোমবার (২৫ মে) থেকে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১ জুন সকাল ৯টা থেকে পুনরায় বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ফের শুরু হবে।   গত রোববার (২৪ মে) রাতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।   বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ইনচার্জ ও ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বন্দর দিয়ে সাত দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে ১ জুন থেকে বন্দর দিয়ে কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।   বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ কেফায়েতুল ওয়ারেস বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীরা বন্দর দিয়ে যাতায়াত করত পারবেন। বন্দর এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৭, ২০২৬
ঘরমুখো মানুষের চাপ। ছবি: সংগৃহীত

প্রিয়জনের টানে চট্টগ্রাম ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ

ছবি : সংগৃহীত

বেতন দেওয়ার কথা বলে শ্রমিকদের বসিয়ে রেখেই চেয়ারে মৃত্যু কারখানা মালিকের

ছবি : সংগৃহীত

ঈদযাত্রার চাপে ভোগড়া-মির্জাপুর মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

মুন্সীগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আট কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।   মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেল চারটার পর থেকে মহাসড়কের উভয়মুখী সড়কে জামালদী মেঘনা সেতু এলাকা থেকে প্রায় আট কিলোমিটার জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।   হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার টিপুরদী এলাকায় চৈতি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর প্রভাব পড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশেও। সোনারগাঁওয়ের যানজট গজারিয়ার ভবেরচর এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।   ঢাকাগামী মতলব পরিবহনের যাত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, ভবেরচর এলাকায় পৌঁছতেই যানজটে আটকা পড়ি। আধা ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় আছি। গাড়ি একটুও সামনে এগোচ্ছে না। সারাদিনে এ নিয়ে দুই ট্রিপ। কখন ঢাকা যাব, আবার কখন যাত্রী নিয়ে ফিরব বুঝতে পারছি না।   কুমিল্লা মুখী প্রাইভেটকার চালক হাসান মিয়া বলেন, ঈদকে সামনে রেখে এমনিতেই মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে। এর মধ্যে সড়ক অবরোধের কারণে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। পরিবার নিয়ে অনেক ভোগান্তিতে পড়েছি।   এ বিষয়ে ভবেরচর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আখন্দ বলেন, সোনারগাঁওয়ের টিপুরদী এলাকায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে। শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে দিলে দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ২৬, ২০২৬

আজ রাতে তিন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

শিমুলিয়া ঘাটে গতকাল ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রেস্তোরাঁ পরিদর্শন করেন আব্দুস সালাম আজাদ এমপি

মাওয়ায় ট্রলারডুবি, ২৩ গরুসহ ব্যবসায়ী নিখোঁজ

ছবি: সংগৃহীত

টেকনাফে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ ভুয়া সাংবাদিক আটক

0 Comments