সারাদেশ

হান্নান মাসউদের পথসভায় চোরাগোপ্তা হামলার অভিযোগ, আহত ৩

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬ 0


নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার তমরুদ্দি ইউনিয়নের তালতলা বাজারে ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদের নির্বাচনী পথসভায় চোরাগোপ্তা হামলা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এ হামলার ঘটনায় এনসিপির ৩ কর্মী আহত হয়। তারা হামলার জন্য তার বিএনপিকে দায়ী করেছে। 

হাতিয়া উপজেলা এনসিপির আহবায়ক সামসুল তিব্রিজ জানায়, ১১ দলীয় জোটের নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের প্রার্থী এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ তার নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে শনিবার রাতে তমরুদ্দি ইউনিয়নের তালতলা বাজারে পথসভায় বক্তব্য দেন।


হান্নান মাসউদের বক্তৃতা চলাকালে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সমাবেশে ইট-পাটকেল দিয়ে গোপন হামলা চালায় বিএনপি। হামলা চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। হামলায় তাদের অন্তত ৩ জন কর্মী আহত হয়।

নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করে ভোটকেন্দ্র দখলের মাধ্যমে ভোট কারচুপি করার জন্য এমন হামলা চালাচ্ছে বিএনপি।


তিনি এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি আরো জানান, হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহামেদ হোসেন হাসান ও তমরুদ্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহেরের নেতৃত্বে বিএনপি চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে তালতলা বাজারের এনসিপির অফিস ভাঙচুর করে।

এ ছাড়া যুবদল নেতা মাহের শনিবার  প্রকাশ্যে এনসিপির নোয়াখালী জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশ্রাফুল আজিম বাপ্পীকে হত্যার হুমকি প্রদান করে। হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুল হক খোকন জানান এরা বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।


তারা নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে।
হাতিয়া থানার ওসি মো. সাইফুল আলম জানান, চোরাগোপ্তা হামলার অভিযোগ পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্কুলের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে টাকা বিতরণ করেন মুফতি মনির হোসেন কাসেমী। ছবি: সংগৃহীত
মুফতি মনির কাসেমীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোট মনোনীত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার দেলপাড়ায় একটি স্কুলে গিয়ে প্রচারণা এবং অর্থ বিতরণের দায়ে এ জরিমানা করা হয়। এর আগে, দুপুর ১২টায় দেলপাড়া এলাকায় লিটল জিনিয়াস স্কুলের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এ সময় তিনি পুরস্কার বিতরণকালে স্কুলের নির্ধারিত পুরস্কারের পাশাপাশি নিজের পকেট থেকে ২ হাজার টাকা করে তুলে দেন পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে। একই সময়ে স্কুলের মাইকে খেজুরগাছ প্রতীকে ভোট চাওয়া হয়। সে সঙ্গে টাকা দেওয়ার সময়ও ভোট প্রার্থনা করেন তার অনুসারীরা। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় আয়োজক এবং প্রার্থীর প্রতিনিধিরা দোষ স্বীকার করেন। সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুর বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা করায় আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে উপস্থিত প্রতিনিধিকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। একই সঙ্গে আচরণ বিধিমালা অনুসরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, কোনো প্রার্থী যদি ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করে তাহলে সেটা অপরাধ। প্রার্থীদের দিকে আমাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিং রয়েছে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬ 0

হান্নান মাসউদের পথসভায় চোরাগোপ্তা হামলার অভিযোগ, আহত ৩

বক্তব্য রাখছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি : সংগৃহীত

নেতা হ্যাঁ ভোট চেয়েছে, কর্মীরা না ভোট চাইলে তাদের বলবেন ‘গুপ্ত’ : আসিফ মাহমুদ

ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড়। ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরে বিয়ে করতে এসে পরিচয় গোপন করে ফিরে গেলেন দুই চীনা নাগরিক

প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত
শনিবার যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ থাকবে না।   পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মতলব উত্তর জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে। কাজের স্বার্থে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগেও গত ২৪ জানুয়ারি একই এলাকায় ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকবে যেসব এলাকায়, সেগুলো হলো— ছেঙ্গারচর পৌরসভা, কলাকান্দা, মোহনপুর, এখলাপুর, জহিরাবাদ, গজরা, ষাটনল, কালিপুর, ফরায়জিকান্দি ইউনিয়নসহ আমিরাবাদ, সুলতানাবাদ, ফতেপুর পূর্ব ও পশ্চিম, ইসলামাবাদ, দূর্গাপুর, বাগানবাড়ী এবং সাদুল্ল্যাপুর এলাকা। বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় সাময়িক ভোগান্তির জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে। এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মতলব উত্তর জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এমডি ওয়াহিদুজ্জামান প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

তারেক রহমানের জনসভায় বগুড়ায় অর্ধশতাধিক মোবাইল ফোন চুরি

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাত : স্বামী আটক

শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জামায়াতে যোগ দেন গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার। ছবি : সংগৃহীত

শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপি নেতা মাহাবুবের জামায়াতে যোগদান

সংগৃহীত ছবি
পাটের কৃত্রিম সংকটে জুটমিলের চরম দুরাবস্থা

আর্থিক সংকট, অপরিশোধিত বকেয়া ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে খুলনা অঞ্চলের পাটকলে কাঁচা পাটের সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। প্রায় অচল পর্যায়ে রয়েছে পাটকলগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম। কৃত্রিম সংকটে কাঁচা পাটের দামও গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়েছে।   মিল মালিকদের মতে, গত বছরের জুলাই-আগস্টে মণপ্রতি কাঁচা পাটের দাম ছিল ২,২০০–২,৪০০ টাকা। সেপ্টেম্বরে দাম বেড়ে ৪,০০০–৪,৫০০ টাকা হয়। চলতি বছরের শুরুতেই দাম ৫,০০০ টাকার উপর পৌঁছেছে। অভিযোগ রয়েছে, মজুতদারদের বাজার নিয়ন্ত্রণের কারণে সংকট তৈরি হয়েছে। খুলনার চুকনগর, তেরখাদা, তালা, সাতক্ষীরার কলারোয়া, পারুলিয়া ও আশপাশের বাজারে পাটের সরবরাহ অনেক কমে গেছে।   এছাড়া আর্থিক সংকটের কারণে পাটকল মালিকরা চাহিদা অনুযায়ী কাঁচা পাট কিনতে পারছেন না। মিলগুলোতে পাট সরবরাহকারীদের বিপুল বকেয়া থাকায় সরবরাহও বন্ধ হয়ে গেছে। গুদামে কাঁচা পাট না থাকায় খুলনার বেসরকারি এফ আর জুট, সাগর জুট মিল, জুট টেক্সটাইল, জয় জুট, হাবিব অ্যাগ্রো জুট, আইয়ান জুট, ওহাব জুট, ফারুক জুটসহ ২৪টির মতো পাটকল বন্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে।   কাঁচা পাট বিক্রেতা ইলিয়াস উদ্দিন ফকির জানান, এই বছর অতিবৃষ্টির কারণে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে পাট উৎপাদন কম হয়েছে। মজুতদাররা মজুত রেখে সংকট তৈরি করে কাঁচা পাটের দাম বৃদ্ধি করেছেন।   পাট রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজেএএর সাবেক চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আকন্দ বলেন, দাম দ্বিগুণ হওয়ায় পাটকল মালিকদের বাজার থেকে কাঁচা পাট কেনা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএসএ) চেয়ারম্যান তাপস প্রামাণিক বলেন, মজুতদাররা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের কারসাজির কারণে মূল্য আরও বাড়তে পারে এবং এতে মিল মালিকরা বিপাকে পড়েছেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0

গোপালগঞ্জে আনসার ব্যাটালিয়ান অফিস কমপাউন্ডে ককটেল বিস্ফোরণ

কুমিল্লা টাউন হল মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

‘মেয়েদের মাস্টার্স পর্যন্ত পড়ালেখা ফ্রি করবে জামায়াত’

ছবি: সংগৃহীত

ওয়ারী পাস্তা ক্লাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধসহ আহত ৮

0 Comments