বিশ্ব

এক সপ্তাহের জন্য জাপানে ‘শক্তিশালী ভূমিকম্পের’ সতর্কতা

খবর৭১ ডেস্ক, ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫

জাপানের উত্তর উপকূলে সোমবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর দেশটি এক সপ্তাহ ধরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সতর্কতা জারি করেছে।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা ও মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি আওমোরি প্রিফেকচারের উপকূল থেকে ৫৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়। শক্তিশালী কম্পনের পর বিভিন্ন স্থানে ৫.৫ ও ৫.০ মাত্রার কম্পনও অনুভূত হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে আওমোরি, ইওয়াতে, হোক্কাইদোর উপকূল, মিয়াগি ও ফুকুশিমার জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। পরে টোকিও কর্তৃপক্ষ সতর্কতা প্রত্যাহার করে। তথ্যানুযায়ী, সুনামি ঢেউ দেখা গেছে ইওয়াতে ৭০ সেন্টিমিটার, হোক্কাইদোতে ৫০ সেন্টিমিটার এবং আওমোরিতে ৪০ সেন্টিমিটার উচ্চতায়।

ভূমিকম্পে কয়েকজন আহত হয়েছেন, কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে এবং আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে আগুন ভূমিকম্প-সংশ্লিষ্ট কিনা তা নিশ্চিত হয়নি।

জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি। এখানে প্রতি পাঁচ মিনিটে অন্তত একটি কম্পন অনুভূত হয়।

সূত্র : রয়টার্স, আনাদোলু

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের খরচের ২৫ গুণ আয় ভেনেজুয়েলার তেল থেকে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলা থেকে পাওয়া তেল থেকে যুক্তরাষ্ট্র যে আর্থিক সুবিধা পেয়েছে, তা দিয়েই ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের ব্যয় বহুবার মেটানো সম্ভব হয়েছে।   এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলায় আমরা খারাপ করিনি। আমরা সেখান থেকে এত বেশি তেল নিয়েছি যে, ইরান যুদ্ধের খরচ প্রায় ২৫ বার উঠে এসেছে।   তার এ বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে, তখন ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ট্রাম্পের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, ভেনেজুয়েলার জ্বালানি সম্পদকে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। তার প্রশাসনের সময় দেশটির তেল খাতকে বৈশ্বিক জ্বালানি নীতির অংশ হিসেবেই দেখা হয়েছিল বলে মনে করছেন তারা।   এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি ব্যয় প্রায় ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ ঘোষিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।   ট্রাম্প তার বক্তব্যে ভেনেজুয়েলার তেল থেকে পাওয়া অর্থনৈতিক সুবিধাকে নিজের প্রশাসনের অন্যতম সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন। তবে একটি স্বাধীন দেশের প্রাকৃতিক সম্পদকে যুদ্ধ ব্যয়ের সঙ্গে প্রকাশ্যে যুক্ত করায় আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনাও তৈরি হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

আরও কঠোর হলো যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ডের নিয়ম

ছবি : সংগৃহীত

আলোচনা থমকে যাওয়ায় ইরান ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ছবি : সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় ৩ দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করল কাতার

নারায়ণগঞ্জের ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় উঠে এলেন নারায়ণগঞ্জের ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের পশুর হাটে নানা আকর্ষণের ভিড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জের এক ব্যতিক্রমী মহিষ। ৭০০ কেজি ওজনের বিরল গোলাপি রঙের মহিষটির নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।   অদ্ভুত চেহারা, কপালে ঝুলে থাকা সোনালি-লালচে চুল আর ব্যতিক্রমী গড়নের কারণে এটি এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও জায়গা করে নিয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স মহিষটিকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল— বাংলাদেশের বিরল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ এখন ঈদের সেনসেশন। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণত বাংলাদেশের মানুষ কালো রঙের মহিষ দেখতে অভ্যস্ত। তবে এই এলবিনো জাতের মহিষটির গায়ের রং হালকা গোলাপি বা ক্রিমের মতো। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো— এর কপালে থাকা একগুচ্ছ সোনালি চুল, যা দেখতে অনেকটাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিচিত হেয়ারস্টাইলের মতো। এই অদ্ভুত মিল থেকেই শখ করে মহিষটির নাম রাখা হয় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। আর এখন সেটিই হয়ে উঠেছে খামারের প্রধান আকর্ষণ। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মানুষ মহিষটিকে একনজর দেখতে এবং ছবি তুলতে ভিড় করছেন। শুধু রয়টার্স নয়, এর আগেও একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে স্থান পেয়েছে আলোচিত এই মহিষ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও দ্য টেলিগ্রাফ, ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস ও নিউজ এইট্টিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক জিয়াউদ্দিন জানান, তার ছোট ভাই প্রথমে মজার ছলে মহিষটির চুলের সঙ্গে ট্রাম্পের চুলের মিল খুঁজে নামটি রাখেন। পরে সেটিই এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে, তা তারা কল্পনাও করেননি। বাংলাদেশে কোরবানির পশুর নাম সেলিব্রিটি বা আলোচিত ব্যক্তিদের নামে রাখার প্রবণতা নতুন নয়। তবে এবারের ঈদে সব আলোচনা ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জের এই গোলাপি মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

আকাশছোঁয়া বিস্ময়, ২৫০ মিটার উঁচুতে ভবন বানালো চীন

৫৭৮ নাতি-নাতনি, ১০২ সন্তান, ১২ স্ত্রী নিয়ে মুসার সংসার

দুই পা ছাড়াই এভারেস্ট জয়ের প্রথম বিশ্বরেকর্ড

দুই পা ছাড়াই ইতিহাস গড়লেন, এভারেস্ট জয় করে বিশ্বরেকর্ড

ভোজশালা কমপ্লেক্স। ছবি: সংগৃহীত
আরও এক ঐতিহাসিক মসজিদকে মন্দির ঘোষণা করল ভারত

আরও এক ঐতিহাসিক মসজিদকে মন্দির ঘোষণা করেছে ভারত। দেশটির একটি উচ্চ আদালত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ঘিরে এ রায় দিয়েছেন। বহুদিন ধরে যৌথ ধর্মীয় গুরুত্ব বহনকারী এই স্থাপনাকে কেন্দ্র করে আদালতের সিদ্ধান্তে কামাল মৌলা মসজিদকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি হিন্দু মন্দির হিসেবে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। সম্প্রতি আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালত ওই স্থানে মুসলিমদের নামাজ আদায় নিষিদ্ধ করেছে। এর মাধ্যমে শত শত বছর ধরে চলে আসা একটি ধর্মীয় প্রথার অবসান ঘটেছে। এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে ঘিরে ভারতে চলমান আইনি ও ধর্মীয় উত্তেজনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই রায়ের ফলে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় তাদের ঐতিহ্যবাহী উপাসনাস্থলে প্রবেশাধিকার হারানোর মুখে পড়েছে। ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ধার শহরে অবস্থিত কামাল মৌলা মসজিদ বহু দশক ধরে ৭৮ বছর বয়সী মোহাম্মদ রফিকের কাছে যেন দ্বিতীয় বাড়ির মতো ছিল। গত ৫০ বছর ধরে রফিক এই মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার আগে তার দাদা হাফিজ নজিরউদ্দিনও এখানে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। এই ধারাবাহিকতা ভারত ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা পাওয়ারও আগে শুরু হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে সংরক্ষিত ভোজশালা কমপ্লেক্সের এই মসজিদ রফিক ও ধার এলাকার অন্য মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে করা এক আবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ওই স্থানে মসজিদের আগে একটি মন্দির ছিল। সেই মামলার শুনানি শেষে শুক্রবার আদালত রায় দেন যে, মধ্যযুগীয় এই স্থাপনাটি মূলত এক হিন্দু দেবীর উদ্দেশ্যে নিবেদিত মন্দির। গত রোববার ১৩ থেকে ১৪ শতকের এই স্থাপনাটি গেরুয়া পতাকায় ছেয়ে ফেলা হয়। গেরুয়া পতাকা কট্টর হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এ সময় তরুণদের অনেককে ধর্মীয় সুরে নাচতে এবং মোবাইলে সেই দৃশ্য ধারণ করতে দেখা যায়। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে স্থানীয় কর্মীরা সেখানে দেবীর একটি অস্থায়ী মূর্তি স্থাপন করেন এবং বিপুল সংখ্যক হিন্দু উপাসক সেখানে জড়ো হন। ধার শহরের এই কামাল মৌলা মসজিদ একা নয়। ভারতের বিভিন্ন স্থানে কট্টর হিন্দুত্ববাদী কর্মীরা একই ধরনের দাবি তুলে আসছেন। তাদের দাবি, বহু মসজিদ পূর্ববর্তী হিন্দু মন্দিরের ওপর নির্মিত হয়েছিল। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর এসব দাবি আরও জোরালো হয়েছে।

মারিয়া রহমান মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

সিরিয়ায় ফের হামলা চালালো ইসরায়েল

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ছবি- এএফপি

ছেলের বিয়েতে যোগ দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন পারমাণবিক নীতির নিন্দা জানাল চীন ও রাশিয়া

0 Comments