বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী।
উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়ির বটতলা এলাকার বাসিন্দা শেখ খালিদ হাসান তারেকের (৩০) এমন কাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়েছে।
তারেক শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ২০১১ সাল থেকে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঢাকায় আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। বিগত জাতীয় নির্বাচনেও তিনি বুড়ির বটতলা কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর এজেন্ট ছিলেন।
কিন্তু দলে মূল্যায়ন পাইনি। মন্দির পাহারা দেওয়া নিয়ে আমি আপত্তি জানাইছিলাম। তাই নিয়ে ইউনিয়ন আমিরের সঙ্গে আমার একটা বিরোধ হইছিল। তার পর থেকে আমারে একটু অবহেলার পাত্র হিসেবে রাইখে দিছে। তাই ক্ষোভে-দুঃখে আমি ভাবলাম আর কী দল করবো? তখন সিদ্ধান্ত নেই, দুধ-পানি দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগ করব। প্রয়োজনে আর কোনো দলই করবো না।
তিনি বলেন, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে বুড়ির বটতলা এলাকায় সড়কের পাশে দুধ দিয়ে গোসল করে ভিডিও ধারণ করি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেই।
ওই ভিডিওতে তারেককে বলতে শোনা যায়, “প্রয়োজনে আওয়ামী লীগ করব, তো জামায়াত আর করব না। দল ত্যাগ করে দিছি, জামায়াত ইসলাম করতাম সারা জীবন।
তবে তারেকের দাবির বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ফকিরহাট উপজেলা কমিটির সেক্রেটারি আবুল আল মাসুম। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি জামায়াতের কোনো কর্মী নন। তিনি জামায়াতকে ভালোবাসতেন মাত্র।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
দেশের প্রান্তিক, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক প্রণীত এই নীতিমালার মূল দর্শন হলো–‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। সরকারের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬-এর বৈষম্যহীন ও মানবিক ‘সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়াটি প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে জনমত ও পরামর্শ আহ্বান করা হয়েছে। নীতিমালার খসড়া অনুযায়ী, পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশীদারিত্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডটি সংশ্লিষ্ট পরিবারের মাতা অথবা উপযুক্ত জ্যেষ্ঠ নারী সদস্যের নামে ইস্যু করা হবে। প্রতিটি লক্ষ্যভুক্ত পরিবারের জন্য একটি স্থায়ী ও অনন্য পরিচিতি নম্বর বা ‘ওয়ান-আইডি’ প্রদান করা হবে, যা ‘ফ্যামিলি ট্রি’ রিলেশনল ডেটা মডেলের মাধ্যমে পরিবারের অন্য সদস্যদের আইডির সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এর ফলে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নিয়মবহির্ভূতভাবে সমান্তরাল একাধিক সুবিধা বা ‘দ্বৈত সুবিধা’ গ্রহণ রোধ করা সম্ভব হবে। প্রকৃত অভাবী পরিবার সঠিকভাবে শনাক্তকরণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক ‘প্রক্সি মিন্স টেস্ট’ স্কোরিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এই স্কোরের ভিত্তিতে জনগোষ্ঠীকে পাঁচটি অর্থনৈতিক স্তরে (কোয়াইন্টাইল) বিন্যাস করে অতি দরিদ্র ও দরিদ্রদের আবশ্যিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দুর্গম হাওড়, উপকূলীয় অঞ্চল ও পার্বত্য এলাকার জন্য থাকবে বিশেষ ‘আঞ্চলিক ওয়েটেজ’ বা অতিরিক্ত অগ্রাধিকার পয়েন্ট। এ ছাড়া ডেটাবেজে জালিয়াতি বা অসংগতি প্রতিরোধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। বহুমুখী ডুয়াল ইন্টারফেস স্মার্ট কার্ড প্রস্তাবিত ফ্যামিলি কার্ডটি হবে একটি বহুমুখী ডুয়াল ইন্টারফেস (NFC ও চিপ-ভিত্তিক) স্মার্ট কার্ড। এতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবর্তিত ‘টাকা পে’ অ্যাপলেট থাকবে, যার মাধ্যমে উপকারভোগীরা যে কোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এ ছাড়া ‘ই-আইডি’ অ্যাপলেটের মাধ্যমে কার্ডধারীর ছবি ও পরিবারের তথ্যসহ ২৭টি উপাদান সংরক্ষিত থাকবে, যা অফলাইনেও যাচাই করা যাবে। কার্ডে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কার্ডের সক্রিয়তা পরীক্ষা করতে পারবেন। এই কর্মসূচির আওতায় কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) অ্যাকাউন্টে অর্থ প্রেরণের আইবাস++ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। তবে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একটি ‘নেতিবাচক তালিকা’ রাখা হয়েছে। পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরিজীবী, নিয়মিত পেনশনভোগী, ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রের মালিক, চার চাকার মোটরযানের অধিকারী, নিয়মিত আয়কর দাতা কিংবা বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার বেশি হলে ওই পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবে না। দেশব্যাপী সমন্বিত পরিবার জরিপ ও ডিজিটাল-ফার্স্ট পদ্ধতি একটি বস্তুনিষ্ঠ তথ্যভান্ডর গড়ে তুলতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কারিগরি মানদণ্ড অনুসরণে দেশব্যাপী কাগজবিহীন বিশেষ ডিজিটাল পরিবার জরিপ পরিচালনা করা হবে। গণনাকারীরা সরাসরি ‘ফ্যামিলি কার্ড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন’ ব্যবহার করে সরেজমিন গৃহ পরিদর্শনের সময় বসতবাড়ির জিপিএস জিও-ট্যাগিং এবং স্থিরচিত্র গ্রহণ করবেন। ইন্টারনেট সুবিধা বঞ্চিত দুর্গম অঞ্চলের জন্য অ্যাপটিতে ‘অফলাইন মোড’-এর সুবিধা থাকবে। বাস্তবায়ন ও তদারকিতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি নীতিমালা বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ প্রধান নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবে। এ ছাড়া সমাজকল্যাণ সচিবের নেতৃত্বে ‘কেন্দ্রীয় পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কমিটি’ এবং সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ‘জাতীয় কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা কমিটি’ দায়িত্ব পালন করবে। তৃণমূল পর্যায়ে যোগ্য পরিবার নির্বাচন ও তদারকির জন্য জেলা, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে পৃথক বাস্তবায়ন ও আপিল কমিটি গঠন করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য হেডম্যান ও কারবারিদের প্রথাগত মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করার কথা নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। খসড়া নীতিমালায় আরও জানানো হয়, প্রতিবছর জানুয়ারি ও জুলাই মাসে মৃত বা ভুয়া উপকারভোগী বাদ দিতে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘লাইভ ভেরিফিকেশন’ করা হবে। কোনো পরিবার অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে দারিদ্র্যসীমা অতিক্রম করলে পদ্ধতিগত মূল্যায়নপূর্বক উক্ত কর্মসূচি হতে তাদের সফল উত্তরণ ঘটানো হবে এবং শূন্য আসনে নতুন যোগ্য পরিবারকে প্রতিস্থাপন করা হবে।
ফতুল্লায় সরকারবিরোধী মিছিল করায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় আরও দেড়শ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। শনিবার সকালে এসআই মশিউর রহমান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ফতুল্লা মডেল থানায় এ মামলা করেন। মামলায় শাকিল হোসেন ওরফে রাব্বি ও মো. আফজাল হোসেনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলায় একজনের রাজনৈতিক পদ উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন- তানভীর, জীবন, রাকিব, রকি, মোজাহের মোল্লা, আরিয়ান খান ওরফে আদর, রবি রায়হান, শেখ রাসেল, ক্রীড়াচক্র কুতুবপুর ইউনিয়নের সভাপতি জাহিদ, নেহাল, ইকবাল, রাজিব তালুকদার, অপু, শাকিল, বাবু, জসিম, রাসেল, রিয়াজ, ইমরান, সুমন, তুষার, সফিক, রিয়াজুল, মালেক, সুমন, জিহাদ প্রমুখ। মামলায় উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার দুপুরে আদর্শনগর এলাকায় তানিন কুঞ্জ সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী মিছিল করেন। এ সময় ধাওয়া করে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দুজনকে আটক করে পুলিশ। আটকরা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ও সমর্থক। থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, সন্ত্রাস প্রতিরোধ আইনে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বর্তমান সরকারের দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গাজীপুর জেলায় শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ‘আমি গেরামের (গ্রাম) ছেলে, দেন কোদাল দেন’- বলে কোনো রকম আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডিতে আটকে না থেকে, চিরায়ত গ্রামীণ আবহে নিজ হাতে কোদাল তুলে নিয়ে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন মাটির কাছাকাছি স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিত সবাইকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসন ও ঢাকা বন বিভাগের উদ্যোগে শনিবার (১৩ জুন) গাজীপুর সদর উপজেলাস্থ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সিভিল সার্জন অফিস প্রাঙ্গণে বিভিন্ন মৌসুমী ফলের চারা রোপণ করা হয়। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবুজায়নে উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ সময় ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. বশিরুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাহরিয়ার নজির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (সদর) মো. সাজ্জাত হোসেন, জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা, কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।