খেলাধুলা

‘দাই দাই’ গানে বিশ্বকাপ মাতালেন শাকিরা, নাচল আজতেকা স্টেডিয়াম

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে বহুল কাঙ্খিত সেই মুহুর্তের আগমন। বর্ণাঢ্য উদ্বোধণের মাধ্যমে শুরু হলো ক্রীড়ার মহাযজ্ঞ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নির্ধারিত সূচি মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে। সে হিসেবে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায়। সেই অনুষ্ঠান শুরু হলো ১৪ মিনিট দেরিতে। কিঞ্চিত দেরিতে শুরু হলেও আয়োজনের কোনো কমতি ছিল না। মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে প্রায় ১৭ মিনিটের জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই শুরু হলো ফুটবলের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ বিশ্বকাপের।

 

অনুষ্ঠানের শুরুটা হয় মেক্সিকান পপ-ব্যান্ড মানাকে দিয়ে। দুর্দান্ত পরিবেশনায় দর্শকদের কাছেও দারুণ সাড়া পায় ১৯৮১ সালে গঠিত হওয়া ব্যান্ডটি।

 

এরপর মঞ্চে আসেন ভেনেজুয়েলার গায়ক ও গীতিকার ড্যানি ওশান। অবশ্য তিনি হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনির ‘ওশান’ নন। ২০০৯ সালে নিজের ইউটিউব চ্যানেল চালুর মাধ্যমে পেশাদার সংগীতজীবন শুরু করেন তিনি। অনেকের কাছে তিনি যেন ভেনেজুয়েলার জাস্টিন বিবার।

 

ঐতিহ্যবাহী মেক্সিকান পোশাকে সজ্জিত নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে ‘পার্তিদাজো’ গান পরিবেশন করেন ড্যানি ওশান। বিভিন্ন প্রজন্মের দর্শকদের উপভোগ করার মতো সংগীত ও আয়োজনে জমে ওঠে অনুষ্ঠান।

 

এরপর মঞ্চে আসেন জে বালভিন, যিনি কার্ডি বি–র জনপ্রিয় গান ‘আই লাইক ইট’-এ অংশ নিয়েছিলেন। গানটিতে নাইজেরিয়ার শিল্পী বার্না বয়ও ছিলেন।

 

এত এত পরিবেশনার পর সবাই অপেক্ষায় ছিলেন, কখন মঞ্চে উঠবেন শাকিরা। অবশেষে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কলম্বিয়ান পপ তারকা হাজির হলেন। গাইলেন বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং 'লেটস গো'। শাকিরার সঙ্গে একই সুরে গলা মেলালো পুরো আজতেকা। শাকিরার গানের পরই শেষ হলো অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। এবার অপেক্ষাটা মহাযজ্ঞের। ৪৮ দলের লড়াইটা কিছু সময় পর শুরু হবে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
মেসি-নেইমারকে ছাড়িয়ে বিশ্বসেরার মুকুট রোনাল্দোর

ফিফা বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই কী হবে তা শীঘ্রই দেখা যাবে। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগে মাঠের বাইরের লড়াই নজর কাড়ছে। আর এই লড়াইয়ের কেন্দ্রে মেসি-রোনাল্দোরা। রোজগারের দিক থেকেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনাল্দো ও লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ফুটবলারদের মধ্যে সর্বাধিক আয়ের তালিকায় শীর্ষ দুই স্থান দখল করেছেন এই দুই মহাতারকা।   আমেরিকা, ক্যানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে চলা ২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে এই টুর্নামেন্টে। একই সঙ্গে এটি এমন একটি বিশ্বকাপ, যেখানে অংশ নিতে চলেছেন একাধিক বিলিওনিয়ার ফুটবলার। আয়ের দিক থেকে শীর্ষে ক্রিস্তিয়ানো রোনাল্দো ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, গত ১২ মাসে পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ানো রোনাল্দোর মোট আয় প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে মাঠের পারফরম্যান্স থেকে এসেছে ২৩৫ মিলিয়ন ডলার এবং স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন ও অন্য ব্যবসায়িক উদ্যোগ থেকে এসেছে আরও ৬৫ মিলিয়ন ডলার। ৪১ বছর বয়সী আল নাসের তারকা বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া ক্রীড়াবিদ। সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে যাঁদের সম্পদের পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি, রোনাল্দো তাঁদের মধ্যে অন্যতম। সম্প্রতি তিনি আল নাসরকে সৌদি প্রো লিগের শিরোপা জিতিয়েছেন এবং ক্যারিয়ারের একমাত্র অপূর্ণ স্বপ্ন—বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন। দ্বিতীয় স্থানে লিওনেল মেসি তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আর্জেন্তিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। গত এক বছরে তাঁর মোট আয় প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ডলার। মাঠের পারফরম্যান্স ও মাঠের বাইরের বাণিজ্যিক চুক্তি—দুই খাত থেকেই সমানভাবে আয় করেছেন ইন্টার মায়ামি তারকা। সম্প্রতি মেসির মোট সম্পদের পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। রোনাল্দোর মতো তিনিও ষষ্ঠ বিশ্বকাপে এ বার অংশ নিতে চলেছেন। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনারকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর সামনে রয়েছে আরও একটি ঐতিহাসিক রেকর্ড। বিশ্বকাপে আর চারটি গোল করলেই জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোজ়ের ১৬ গোলের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে উঠবেন মেসি। তৃতীয় স্থানে এমবাপে ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে ৯৫ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর তাঁর ব্র্যান্ড ভ্যালু আরও বেড়েছে। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হাল্যান্ড। ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে নতুন চুক্তির সুবাদে তাঁর আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলারে। ব্রাজ়িলের উইঙ্গার ভিনিসিয়াস জুনিয়র ৬০ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে প্রথম পাঁচের তালিকায় শেষে রয়েছেন। এ বার নেইমারের শেষ বিশ্বকাপ। তিনিও রয়েছেন তালিকায়। তবে অনেকটাই পিছনে। তাঁর বার্ষিক আয় ৩৮ মিলিয়ন ডলার। তিনি ১১ নম্বর স্থানে রয়েছেন। চোটের জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।  

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কাতার জাতীয় দলের প্রধান কোচ হলেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার

ছবি: সংগৃহীত

‘দাই দাই’ গানে বিশ্বকাপ মাতালেন শাকিরা, নাচল আজতেকা স্টেডিয়াম

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু, উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো–দক্ষিণ আফ্রিকা

ছবি : সংগৃহীত
সিরিজ জিতেই হাসপাতালে ভর্তি মিরাজ

ম্যাচ জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী আয়োজনে দেখা গেল না মেহেদী হাসান মিরাজকে। বাংলাদেশ অধিনায়কের বদলে সেখানে দলের প্রতিনিধি সহ-অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। একটু পর দেখা গেল, মিরাজকে দেখা গেল বাইরে যেতে। একজন তাকে হাত ধরে সহায়তা করলেন অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে।   অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের আনন্দ খুব একটা উপভোগ করতে পারেননি মিরাজ। ম্যাচের পর তাকে যেতে হয়েছে হাসপাতালে। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের রান তাড়ায় জয়ের জন্য যখন প্রয়োজন ২৪ রান, তখন ন্যাথান এলিসের শর্ট বল ছোবল দেয় মিরাজের হেলমেটে। আঘাতটি তাকে নাড়িয়ে দেয় প্রবলভাবেই। মাঠে চিকিৎসা চলে কিছুক্ষণ। এক পর্যায়ে স্ট্রেচারও নেওয়া হয় তাকে মাঠের বাইরে আনার জন্য। তবে মাঠ ছাড়েননি তিনি। একটু ধাতস্থ হয়ে আবার ব্যাটিং করেন। পরের ওভারেই তাওহিদ হৃদয় ছক্কা ও চার মারার পর মিরাজের ছক্কায় ম্যাচ জিতে যায় বাংলাদেশ। প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ধরা দেয় সিরিজ জয়। এরপর যেভাবে মাঠ ছেড়ে গেছেন তিনি, তাতে শঙ্কার জায়গা ছিল। তবে টিম ম্যানেজার নাফিস ইকবাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বললেন, দুর্ভাবনা খুব একটা নেই আপাতত। “সবশেষ যখন ওর সঙ্গে কথা হয়েছে, তখন বেশ ভালোই ছিল ও। তেমন কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছে। তবে মাথায় আঘাত যেহেতু, স্ক্যান করানোই ভালো। এজন্যই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।” সিরিজের শেষ ম্যাচের আগে দুদিন সময় আছে। আগামী রোববার অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার অভিযানে নামবে মিরাজের দল।   বাংলাদেশ দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান জানালেন, সতর্কতা হিসেবে মিরাজকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে হাসপাতালে।   মাথায় আঘাত লাগার পরও যেভাবে মিরাজ যেভাবে দলকে জিতিয়ে ফিরেছেন, ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে সেটির দারুণ প্রশংসা করলেন তাসকিন আহমেদ। "ওকে ড্রেসিংরুমে দেখে এলাম, এখন কিছুটা বেটার। একটু মাথাটা ঘুরছে, ঠিক হয়ে যাবে। সে দারুণ কাজ করেছে চাপের মধ্যে। বল মাথায় লাগার পরও... কারণ চিন্তা করেছে, ও যদি ওই সময়ে বা্ইরে এসে পড়তো, নতুন ব্যাটসম্যান গিয়ে আরও চাপে ভুল পারত। কিন্তু হৃদয় আর মিরাজ শেষে দিকে ভালোভাবে শেষ করেছে।"

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

৩ দেশে ৩ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপের

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই টিকিট ও ভিসা বিতর্ক, সমালোচনার মুখে ফিফা

ছবি: সংগৃহীত
শূন্য রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশের দুর্দান্ত সূচনা

ম্যাচের শুরুতেই অবিশ্বাস্য এক দৃশ্যের জন্ম দিল বাংলাদেশ। রানের খাতা খোলার আগেই সফরকারী অস্ট্রেলিয়া হারিয়েছে তাদের প্রথম তিন উইকেট, যা ওয়ানডে ক্রিকেটে অত্যন্ত বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।   টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও টসে হেরে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে টসের হতাশা দ্রুতই উধাও হয়ে যায় টাইগার বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতেই তারা এমন চাপ সৃষ্টি করেন যে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই তিন ব্যাটারকে ফিরতে হয় সাজঘরে।   এই ঘটনার মাধ্যমে ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে মাত্র চতুর্থবারের মতো কোনো দল ইনিংসের প্রথম তিন উইকেট হারালো শূন্য রানে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।   মজার বিষয় হলো, আগের তিন ঘটনার একটি ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষেই। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে কিংবদন্তি পেসার চামিন্দা ভাস বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটারকে টানা তিন বলে আউট করে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। সেই ম্যাচেও বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০ রানে ৩ উইকেট।   আজ অবশ্য সেই বিরল ঘটনার বিপরীত চিত্র দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। নিজেদের বোলিং নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়াকে শুরুতেই বড় ধাক্কা দিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশ।

আক্তারুজ্জামান জুন ১১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

সূচি বদলে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া

ছবি : সংগৃহীত

টেনিস টুর্নামেন্টে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন

ছবি : সংগৃহীত

ফের জো রুটকে সরিয়ে হ্যারি ব্রুকের সিংহাসন দখল

0 Comments