জাতীয়

বৃষ্টি আর অতিরিক্ত গরুর চাপে গাবতলী পশুর হাটে চরম দুর্ভোগ

আক্তারুজ্জামান মে ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর গাবতলী গবাদি পশুর হাটে এখন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত ট্রাক ও মিনি পিকআপে গরু আসছে। অতিরিক্ত পশুর চাপ, টানা বৃষ্টি ও জায়গা সংকটে হাটজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি।

 

বুধবার (২৭ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, গাবতলী পশুর হাটের নির্ধারিত সীমানা ছাড়িয়ে আশপাশের সড়ক ও খোলা স্থানজুড়ে পশুবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি। হাটের ভেতরে জায়গা না থাকায় অনেক ব্যবসায়ী ট্রাকেই গরু রেখে অপেক্ষা করছেন। কোথাও কোথাও ট্রাকের ওপরই গরুকে খাওয়ানো ও পরিচর্যা করতে দেখা গেছে।

 

টানা বৃষ্টিতে হাটের অধিকাংশ এলাকা কাদা ও পানিতে কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। এতে গরু নামানো, বেঁধে রাখা এবং ক্রেতাদের পশু দেখানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিতে ভিজে অনেক গরুকে কাদামাখা অবস্থায় দেখা যায়। ব্যবসায়ীরাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভেজা কাপড়ে হাটে অবস্থান করছেন।

 

গাবতলী মহাসড়ক ও বসিলা সড়কে সকাল থেকেই ট্রাক ও মিনি পিকআপের তীব্র যানজট দেখা যায়। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক গরু নামানোর জায়গা পাচ্ছেন না বলে জানান।

 

ব্যবসায়ীরা জানান, মানিকগঞ্জ, দোহার, নবাবগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার, কেরানীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক গরু হাটে এসেছে। ফলে নির্ধারিত জায়গার তুলনায় পশুর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে।

 

মানিকগঞ্জ থেকে গরু নিয়ে আসা এক ব্যবসায়ী বলেন, বৃষ্টির কারণে ক্রেতা কম থাকায় বেচাকেনাও ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ ও নবাবগঞ্জ থেকে আসা কয়েকজন বিক্রেতা জানান, হাটে প্রবেশ করেও গরু রাখার জায়গা না পেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাকেই অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

 

ক্রেতারাও অভিযোগ করেন, কাদা ও ভিড়ের কারণে এক হাট থেকে আরেক হাটে যাতায়াত করতেই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তাদের মতে, ঈদের আগে এত বড় পশুর চাপ সামাল দিতে আরও উন্নত ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন ছিল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সংগৃহীত ছবি
হাসিনার বিষয়ে কড়া বার্তা, ‘আসলেই গ্রেফতার’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ভারতে আশ্রয় নেওয়া এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনিভাবে আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই। তিনি দেশে আসা মাত্রই তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।   বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের সাজা হয়ে গেছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দেশের মাটিতে সাজা কার্যকর করা হবে। বাংলাদেশের মানুষ তা দেখতে চায়। আমরা একাধিকবার বলেছি- প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী বলেছেন, আইনি প্রক্রিয়াটি কী। যেহেতু সাজা হয়ে গেছে, সেহেতু একজন আসামির আইনগতভাবে আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নাই। তিনি যখনই দেশে আসবেন, গ্রেফতার হবেন। আমাদের লক্ষ্য, প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা।’   শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক স্বদিচ্ছার প্রয়োজন। তিনি দিল্লিতে পলাতক হিসেবে আছেন, সেখানে তার কোনো স্ট্যাটাস নেই। তার কাছে কোনো পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট না থাকায় অবশ্যই তাকে ছবিযুক্ত প্রমাণপত্র নিতে হবে।’   প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন কোনো দেশের সফরের তারিখ ঠিক হয়নি। তিনি সম্প্রতি দুটি দেশ থেকে ফিরেছেন। পর্যায়ক্রমে অন্য দেশ সফর করবেন।’   রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বিষয়টি আসন্ন জাতিসংঘ অধিবেশনে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে। ১৭ বছরে এ সমস্যা জিইয়ে রেখে আরও ঘনীভূত করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি, কূটনৈতিক, অকূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনা চলমান রয়েছে।’

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৬, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

হামের প্রাদুর্ভাব, আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক ৫ কোটি টাকার লেনদেন, সাড়ে ৬ হাজার সিমসহ গ্রেপ্তার ৬ জন

ছবি: সংগৃহীত
পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল গ্রেনেড

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় এক জেলের জালে একটি গ্রেনেড ধরা পড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দিলে পুলিশ ও বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি নিরাপদে উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করে।   বুধবার (১৫ জুলাই) উপজেলার রাওথা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার।   জানা যায়, স্থানীয় জেলে সাইদুর পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় জালে একটি ছোট কিন্তু ভারী বস্তু পান। প্রথমে সেটিকে মূল্যবান কোনো বস্তু মনে করে তিনি বাড়িতে নিয়ে যান। পরে সেটি পরিষ্কার করার সময় তার ছেলে সাব্বির রহমান ইন্টারনেটে খোঁজ নিয়ে সন্দেহ করেন, এটি একটি গ্রেনেড বা বিস্ফোরক হতে পারে।   এরপর সাব্বির জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর ৯৯৯ থেকে চারঘাট থানা, জেলা পুলিশ কন্ট্রোলরুম এবং বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।   ৯৯৯ কর্তৃপক্ষ জানায়, কনস্টেবল ইয়াছিন আরাফাত জরুরি কলটি গ্রহণ করেন এবং পুলিশ ডিসপাচার এসআই আমিনুল ইসলাম অভিযোগকারী ও স্থানীয় থানার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখেন।   পরে চারঘাট থানা পুলিশের সদস্য ও বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তাবিধি অনুসরণ করে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রথযাত্রা উপলক্ষে দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা, মাঠে থাকবে র‌্যাব

আরবি হরফের পতাকা নিয়ে উগ্রবাদী তৎপরতার প্রমাণ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কম্বোডিয়ায় মানবপাচার চক্রের প্রধান ঢাকায় গ্রেপ্তার

জুলাই আন্দোলনের ৫৯ মামলার তদন্তে ডিবি

জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় দা‌য়ের হওয়ার মামলার মধ্যে ৫৯টির তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এসব মামলার সঠিক ঘটনা উদঘাটনে প্রায় ৪০ জিবি তথ্য-উপাত্ত, ফরেনসিক আলামত ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা বিশ্লেষণ করছে সংস্থা‌টি।     বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের মামলার অগ্রগতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম এ কথা জানান।   তি‌নি বলেন, ডিবিতে জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট ৫৯টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। প্রতিটি মামলায় আসামির সংখ্যা অনেক। তাদের অবস্থান শনাক্ত করা, কে কী ভূমিকা পালন করেছেন তা যাচাই করা এবং ফরেনসিক তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের কাজ চলছে। প্রায় ৪০ জিবি ডাটা পর্যালোচনা করতে হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মামলাগুলোর তদন্ত করছি।   তিনি বলেন, আইনের মধ্যে থেকে সঠিক তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হবে।   সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, জুলাই আন্দোলন ঘিরে একই ঘটনায় একাধিক মামলা এবং মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, এসব মামলা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।   তিনি বলেন, ডিএমপিতে একটি মনিটরিং সেল রয়েছে। প্রতি ১৫ দিন পরপর মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। একইভাবে পুলিশ সদরদপ্তরেও একটি মনিটরিং সেল রয়েছে, যেখানে মামলাগুলো নিয়মিত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।   তিনি আরও বলেন, ‘‘কেউ যদি ভিন্ন উদ্দেশ্যে মামলা করে থাকেন, আমরা তাতে সায় দেব না। সঠিক তদন্ত শেষে শুধু প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।’’   তদন্তে কোনও চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, বিপুল পরিমাণ তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, আসামির সংখ্যা বেশি হওয়া এবং একেক ঘটনায় একেক ধরনের আসামি থাকায় তদন্তে সময় লাগছে।   তিনি বলেন, সব তথ্য-প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে যেন মামলায় প্রকৃত ঘটনা উঠে আসে, সে লক্ষ্যেই তারা কাজ করছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৬, ২০২৬

শেখ হাসিনা ফিরলে গ্রেফতার করে রায় কার্যকরের ব্যবস্থা

চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন ‘পেছনে যে-ই থাকুক, সামনে আমরা আছি’

0 Comments