বিশ্ব

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলো, পেছনে কোন কারণ?

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ২৫, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকার পরও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমছে। কারণ বাজারে ধারণা তৈরি হয়েছে, আগামী বছর বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি হবে।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৭ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ১০ ডলার। অন্যদিকে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) জ্বালানি তেলের দাম ২৩ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৬১ ডলার। সোমবার দাম বাড়লেও মঙ্গলবার আবার কমে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালে বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি হবে। এই পূর্বাভাস বাজারকে চাপ দিচ্ছে। প্রাইভেট কোম্পানি রিলায়েন্সসহ কিছু ভারতীয় রিফাইনারি নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। ফলে রাশিয়া অতিরিক্ত জ্বালানি তেল চীনে বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

ডয়েচে ব্যাংকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে জ্বালানি তেলের বাজারে প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ লাখ ব্যারেল উদ্বৃত্ত থাকতে পারে। ২০২৭ সালেও ঘাটতির সম্ভাবনা কম। সুদের হার কমলে চাহিদা বাড়তে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বরের মুদ্রানীতি বৈঠকে সুদের হার কমার সম্ভাবনা বাজারে নতুন আশা জাগিয়েছে। সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙ্গা হয় এবং জ্বালানি তেলের চাহিদাও বাড়ে।

অর্থাৎ বাজার এখন একদিকে সরবরাহ উদ্বৃত্তের আশঙ্কা, অন্যদিকে সুদের হার কমলে চাহিদা বাড়তে পারে এই টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। তথ্যসূত্র : রয়টার্স

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

টানা দুই প্রান্তিকে বাড়ল নিট এফডিআই প্রবাহ, তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ২০২ শতাংশ

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলেও ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিট বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে দেশের প্রতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।  বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে নিট এফডিআই প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৩১৫ দশমিক ০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আগের বছরের একই সময়ে এ অঙ্ক ছিল ১০৪ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন ডলার। ফলে বছর ব্যবধানে নিট এফডিআই প্রবাহে প্রায় ২০২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময় এফডিআইয়ের সব উপাদানেই ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের(বিডা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট নিট এফডিআই প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭৮০ মিলিয়ন ডলার। সে হিসেবে নয় মাসে নিট এফডিআই প্রবাহে প্রায় ৮০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এ সময়ে ইক্যুইটি বিনিয়োগ ৩১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে ৭৬ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন ডলার থেকে ১০১ দশমিক ১২ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। পুনঃবিনিয়োগকৃত আয় বা রিইনভেস্টেড আর্নিংস সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯০ দশমিক ০৭ শতাংশ। আগের বছরের ৭২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন ডলার থেকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলারে। অন্যদিকে, আন্তঃপ্রতিষ্ঠান ঋণ বা ইন্ট্রা-কোম্পানি লোনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। যেখানে আগের বছর এ খাতে ঋণাত্মক প্রবাহ ছিল ৪৫ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে তা ঘুরে দাঁড়িয়ে ২ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ডলারের ইতিবাচক অবস্থানে এসেছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধেও এফডিআই প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) নিট এফডিআই ছিল ৩০৩ দশমিক ২৭ মিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) নিট বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের একটি বিশ্বাসযোগ্য পাইপলাইন তৈরি করাই বিডার মূল কাজ। এই পাইপলাইন থেকে বাস্তব বিনিয়োগ আসতে শুরু করায় আমরা উৎসাহিত। তিনি বলেন, তুলনামূলক মানদণ্ড এখনো নিচু হলেও টানা দুই প্রান্তিকের এই প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আস্থা রাখছেন। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) বিনিয়োগ প্রবাহে কিছুটা ধীরগতি দেখা যেতে পারে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে শক্তিশালী বিনিয়োগ পাইপলাইনের ভিত্তিতে আবারও বিনিয়োগে গতি ফিরবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিডা চেয়ারম্যান আরও জানান, বাস্তবায়িত বিনিয়োগের পরিসংখ্যানের বাইরেও ২০২৫ সালের জন্য বিডার নিজস্ব বিনিয়োগ পাইপলাইনে ইতোমধ্যে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে এফডিআই প্রবাহ আরও বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

কিউবাকে ‘অবিলম্বে চুক্তির আওতায়’ আসতে বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে

ছবি : সংগৃহীত

যেভাবেই হোক গ্রিনল্যান্ড দখলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত
গৃহযুদ্ধের ছায়ায় মিয়ানমারে নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে

গৃহযুদ্ধ ও সহিংসতায় বিপর্যস্ত মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তিন ধাপের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে। রোববার সকাল থেকে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটিই দেশটিতে অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচন। চলমান সংঘাত ও তীব্র নিরাপত্তা সংকটের মধ্যেই এই ভোট আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের ভোটে ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫২ শতাংশ, যা আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তাকে বৈধতা দেওয়া। প্রথম ধাপে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ১০২টি আসনে ভোট হয়, যেখানে সামরিক সমর্থিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ৯০টি আসনে জয় পায়। আগামী ২৫ জানুয়ারি নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে দেশের বহু এলাকায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে না। সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ৩৩০টি টাউনশিপের মধ্যে অন্তত ৫৬টিতে ভোট হবে না এবং প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পুরোপুরি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে থাকছে। জাতিসংঘ, পশ্চিমা দেশ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিসসহ প্রায় ৪০টি রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ রয়েছে। সু চিসহ দলের বহু নেতা বর্তমানে কারাবন্দি বা নির্বাসনে আছেন। পর্যবেক্ষকদের অভিমত, চীনের সমর্থনপুষ্ট জান্তা সরকার এই নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের বৈধতা জোরদার করে ক্ষমতা আরও দৃঢ় করতে চাইছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ইরান একচুলও পিছু হটবে না কঠোর হুঁশিয়ারি খামেনির

ইরান একচুলও পিছু হটবে না কঠোর হুঁশিয়ারি খামেনির

ব্রিটেনে ‘স্টর্ম গরেট্টি’র তাণ্ডব : একজনের মৃত্যু, অন্ধকারে দেড় লাখ পরিবার

তেহরানসহ অন্যান্য জায়গায় ফের জড়ো হচ্ছেন ইরানি বিক্ষোভকারীরা

পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে জমিয়ত নেতা নিহত

পাকিস্তানের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (ফজলুর রহমান)-এর সিনিয়র নেতা মাওলানা সুলতান মোহাম্মদ মারা গেছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন।   স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) লোয়ার দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের কানড়া চেনা এলাকায় একটি মাদ্রাসার কাছে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিস্ফোরিত দেশীয় তৈরি বোমা স্থাপন করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের মূল লক্ষ্য ছিলেন মাওলানা সুলতান মোহাম্মদ। তিনি জমিয়তের পাশাপাশি ফেডারেশন অব আরবিক মাদ্রাসাস (ওয়াফাকুল মাদারিস আল-আরাবিয়া)–এর জেলা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।   বিস্ফোরণের পর গুরুতর আহত অবস্থায় মাওলানা সুলতানকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত ডেরা ইসমাইল খানে নেওয়া হচ্ছিল। তবে পথেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।   লোয়ার দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের জেলা পুলিশ কর্মকর্তা (ডিপিও) মোহাম্মদ তাহির শাহ ওজির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিস্ফোরণের তদন্ত চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব দিক খতিয়ে দেখছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা আলামত বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, যাতে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়।   ডন বলছে, মাওলানা সুলতান মোহাম্মদের ওপর এই হামলা গত দুই বছরে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান, বিশেষ করে ওয়ানা ও বারমাল তহসিলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (ফ)-এর নেতৃবৃন্দ ও আলেমদের লক্ষ্য করে সংঘটিত একাধিক হামলার সর্বশেষ ঘটনা।   এদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (ফ)-এর প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সুলতান মোহাম্মদের নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাকে একজন নিষ্ঠাবান ও সাহসী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
ছবি :সংগৃহীত

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ‘সহজ’ বা ‘কঠিন’ পথে ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ভয়াবহ দাবানলে অস্ট্রেলিয়ায় ‘দুর্যোগ পরিস্থিতি’ ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি: লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর সামরিকভাবে কতোটা শক্তিশালী?

0 Comments